BREAKING:
স্ত্রীকে লজিক্যাল ডিস্ক্রিপেন্সির নোটিস, করিমপুরে আতঙ্কে আত্মঘাতী গৃহ শিক্ষক, নির্বাচন কমিশনকেই দায়ী করল পরিবার বাংলাদেশকে ‘ডেডলাইন’ আইসিসির ডব্লুপিএল: ৫ ম্যাচে ৫ জয়, প্লে অপে বেঙ্গালুরু ছুটছে রয়্যাল সিটির অশ্বমেধের ঘোড়া, আজ পরীক্ষা ব্যারেটোর দলের নাটকীয় জয় সেনেগালের! রেফারির সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ মেহতাব, বিএসএলে দল তুললো সুন্দরবন লজ্জার ইতিহাস গড়ে নিউজিল্যান্ডের কাছে হার ভারতের, দাম পেল না কোহলির শতরান ইন্দোরে আজ মরণবাঁচন ম্যাচে দলে হয়তো অর্শদীপ সিং ভারত-বাংলাদেশ ছোটদের ম্যাচেও ‘হ্যান্ডশেক-বিতর্ক’। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজে চমকের নাম শ্রেয়স, বিষ্ণোই বয়সভিত্তিক লিগে জয় মোহনবাগানের দুই টিমের,পয়েন্ট নষ্ট লাল হলুদের ছোটদের নতুন প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল গবেষণা ও সত্যের সন্ধানে কলকাতায় ইতিহাস সম্মেলন বিজেপি-শিণ্ডে দর কষাকষি, কাউন্সিলররা হোটেলবন্দি গ্রেটার মুম্বইয়ের মেয়র পদ আড়াই বছর করে ভাগাভাগি হবে? কেন্দ্রের দাবি, মূল্যবৃদ্ধি মাত্র ১ শতাংশ রিজার্ভ ব্যাঙ্কের সমীক্ষায় অস্বস্তিতে কেন্দ্র সরকার শংকরাচার্যকে পুণ্যস্নানে বাধা, সাধুদের প্রহার, প্রয়াগরাজে ধু্ন্ধুমারকাণ্ড মুর্শিদাবাদ: মুর্শিদকুলি থেকে মমতা পুরভোটের পর মহারাষ্ট্রে রিসর্ট রাজনীতি! ঘোড়া কেনাবেচার ভয়ে জয়ীরা হোটেল-বন্দি প্রসঙ্গ: বাংলায় মুসলমানদের অবদান আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে জামাআতের সেমিনার ‘বিদ্রোহী’ কবিতার প্রথম ইংরেজি অনুবাদ প্রসঙ্গে ‘দিল্লির জল্লাদদের কাছে মাথা নত নয়’ সিঙ্গুরের জবাব চোপড়া থেকে দিলেন অভিষেক সিঙ্গুরে শিল্প নিয়ে নীরব মোদি ট্রাম্প কালপ্রিট: খামেনেয়ি জ্যোতি বসু: কিছু অজানা কথা (৮ জুলাই ১৯১৪–১৭ জানুয়ারি ২০১০) গোয়েবলসের ফর্মূলা শিক্ষায় ইসলামের ঐতিহাসিক অবদান ও বর্তমান প্রাসঙ্গিকতা শিক্ষা কি কেবল চাকরির সিঁড়ি? প্রতিরক্ষা খাতের নিয়ন্ত্রণ কি বিদেশের হাতে? এফডিআই-এর সীমা বাড়িয়ে ঝুঁকির মুখে কেন্দ্র মালদা-মুর্শিদাবাদে দাঙ্গার কারণ অনুপ্রবেশ: মোদি ডিএ মামলার রায় এত প্রলম্বিত হচ্ছে কেন? আল আমীন মিশন পুনর্মিলন উৎসব ২০২৬ বিধানসভা ভোটের আগে তৃণমূলের উন্নয়নের পাঁচালী, চুঁচুড়ায় সিঙ্গুরে প্রধানমন্ত্রীর সভার আগেই পোস্টার পড়ল, দাবি নতুন রেল স্টেশনের কালিয়াচক কলেজের উদ্যোগে ‘ফিট ইন্ডিয়া ম্যারাথন রেস’, রাজ্য ও ভিনরাজ্যের প্রতিযোগীদের অংশগ্রহণ ৮০ জনেরও বেশি বিশেষভাবে সক্ষম মানুষের অভিনয়ে ব্যতিক্রমী চলচ্চিত্র ওয়ান লিটল ফিঙ্গার কালিয়াচক বনি চাইল্ড মিশনে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা: উচ্ছ্বাসে মাতলো ছাত্রছাত্রীরা টিটোয়েন্টি থেকেও ছিটকে গেলেন সুন্দর, বিশ্বকাপেও অনিশ্চিত ম্যাচ জিতলেও, হতাশ করলো বৈভবরা বিতর্কিত নাজমুল ইসলামকে বহিষ্কার করলো বিসিবি সপ্তগ্রামের কেষ্টপুরে ৫১৯ বছরের অভিনব মাছের মেলা, ভোর থেকেই ক্রেতাদের ভিড়ে জমজমাট ভুল বিধানসভা কেন্দ্রের উল্লেখে এসআইআর নোটিশ ধূপগুড়ি রেলওয়ে স্টেশনে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের স্টপেজের দাবিত অবস্থান বিক্ষোভ! খুদেদের উদ্যোগে অভিনব ফুড ফেস্টিভ্যাল, উৎসবে মাতলো তারঘেরা এস পি প্রাইমারি স্কুল জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিবাদ কর্মসূচি, শাসক দলের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ হুমায়ুন কবিরের কান্দিতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি সভা ইমাম সংগঠনের উদ্যোগে ডেটা অ্যানালিসিস ও এআই বিষয়ক কর্মশালায় নতুন দক্ষতার আলোকপাত এসআইআর নোটিশ ঘিরে উত্তাল মাটিয়া, দিনভর টাকি রোড অবরোধ বয়স মাত্র দশ বছর কিন্তু সাফল্যের নিরিখে সে অনেক বড়দেরও অনুপ্রেরণা  সুন্দরবনের মৈপীঠে অবাধে ম্যানগ্রোভ নিধন চলছে, প্রশাসন নির্বিকার সমুদ্রের জলের স্তর মাপতে গঙ্গাসাগরে ব্যবহার হচ্ছে রিমোট অপারেটেড ভেহিকেল এসআইআর ঘিরে উত্তেজনা ভাঙড়ে, রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ এসআইআর প্রক্রিয়ার নামে হেনস্থার অভিযোগ মকর সংক্রান্তিতে গঙ্গাসাগরে রেকর্ড জনসমাগম নলহাটি ২নং ব্লকে SIR তালিকায় ৩১ হাজার গরমিল আজ শুরু ছোটদের বিশ্বকাপ, প্রথম দিনেই মাঠে নামছে ভৈবরা ব্যর্থ বিরাট, ব্যর্থ ভারতও; কাজে এল না রাহুলের দুরন্ত সেঞ্চুরি শীর্ষে বিরাট, ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছে ড্যারিল মিচেল ইন্দাসে আনুমানিক ৪০০ বছরের পুরানো শ্রী শ্রী বাঁকুড়া রায়ের কুড়চি মেলার শুভ উদ্বোধন ভাঙড়ে আইএসএফ-তৃণমূল সংঘর্ষ, আহত উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থী কালিয়াচক কলেজের উদ্যোগে ‘ফিট ইন্ডিয়া ম্যারাথন রান আরামবাগে পঞ্চদশ বর্ষের গ্রন্থমেলা ও নাট্যোৎসব ২০২৬ বেশ জমে উঠেছে শীতের রাতে ভরসা হাওড়া গ্রামীণ জেলা পুলিশ কর্মসংস্থান ও শিল্পে ব্যর্থতার অভিযোগ, পূর্ব বর্ধমানে তৃণমূলকে আক্রমণ অগ্নিমিত্রা পলের কালিয়াচকে শীতবস্ত্র বিতরণ: দুঃস্থদের পাশে সুজাপুরের আব্দুল হান্নান বিলুপ্তির পথে কালিয়াচকের শেরশাহি ও মোথাবাড়ির বাবলা এলাকার ঐতিহ্যবাহী তাত শিল্প ছবি এঁকে দিল্লিযাত্রা কৃতি ছাত্র ইমরানের পৌষের শেষে ফসল ঘরে, ধর্ম ও সংস্কৃতির মিলনে গ্রামবাংলায় মকর সংক্রান্তির উৎসব শেষ বলে ছক্কা হাঁকিয়ে নায়ক রাজা। হরমনপ্রীতের দুরন্ত ব্যাটিংয়ে উড়ে গেল দিল্লি ক্যাপিটালস আজ জিতলেই সিরিজ ভারতের, বেগ দিতে মরিয়া নিউজিল্যান্ডও বাংলাদেশের দাবিকে নস্যাৎ করলো আইসিসি বার্সার কাছে হেরে চাকরি হারালেন রিয়াল কোচ জাভি আলান্সো জগন্নাথ ধাম শুধুমাত্র পুরীতে দিঘায় নয়, দাবি পুরীর শঙ্করাচার্যের বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্ মুহুর্তে গেরুয়া শিবিরে ভাঙ্গন ধরালো ঘাসফুল শিবির খাদ্যের লোভে লোকালয়ে হাতির হানা, আতঙ্ক এলাকা জুড়ে চাঁচল সিদ্বেশ্বরী ইনস্টিটিউশনে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার (চতুর্থ সেমেস্টার) প্রস্তুতি সভা বিভিন্ন দল ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিল দশটি পরিবার মেলেনি লক্ষীর ভান্ডার, বার্ধক্য ভাতা, অবিবাহিত বৃদ্ধার নতুন ঘর বানিয়ে দিল আনসারী, সাগর, সুজনরা ভোটার তালিকায় সন্দেহভাজন ভোটার, নাম বাদ দেওয়ার দাবিতে চুঁচুড়ায় বিজেপির বিক্ষোভ চুঁচুড়ার একটি এসআইআর শুনানি কেন্দ্রে এসে ক্ষোভ উগরে দিলেন এক বৃদ্ধা সিঙ্গুরে প্রধানমন্ত্রীর সভা, তার আগেই শিল্প চাই বলে ব্যানার পড়ল “সৃজন” এর উদ্যোগে তিন দিনের নাট্য উৎসব ও সংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা রক্তদান ও প্রতিবন্ধীদের কৃত্রিম অঙ্গ প্রতঙ্গ বিতরণ শিবির সুনীতা উদ্যোগে ইরানের সঙ্গে বৈঠকের তোড়জোর চলছে: ট্রাম্প পিঠ চুলকে বিপুল আয়, পেশার নাম ‘স্ক্র্যাচ থেরাপি’ ডিব্রুগড়ে চা জনগোষ্ঠীকে ওবিসি তালিকায় অন্তর্ভুক্তির দাবি সন্তান লালন-পালনে করণীয় ও বর্জনীয় নতুন ঠিকানায় প্রধানমন্ত্রীর দফতর সোমালিল্যান্ডকে স্বীকৃতি দিয়ে গাজাবাসীকে পাঠানোর ছক নেতানিয়াহুর এআই নিয়ে মধ্যমপন্থার পক্ষে কেন্দ্র নীতীশের হিজাব সরানো আসলে কী বলছে রাষ্ট্রকে? ছাত্র সংগঠন এসআইও-র উদ্যোগে রানীনগর-২ ব্লকে মাধ্যমিক পরীক্ষা প্রস্তুতি শিবির বাবাকে বাঁচাতে গিয়ে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে মৃত্যু ছেলের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে স্বামী বিবেকানন্দের ১৬৪ তম জন্মদিন পালন কবি রমেন্দ্র কুমার আচার্য্যচৌধুরী স্মৃতি পুরস্কার পেলেন কবি ও গল্পকার মানসী কবিরাজ পড়ুয়া ও শিক্ষক সংকটে ধুঁকছে সরকারি বিদ্যালয় ধর্মের মেরুকরণ নয়, মানবিক ভারত গড়ার আহ্বান স্বামীজির জন্মজয়ন্তীতে যাদবপুর (বাঘাযতীন) স্টেশনে ভয়াবহ আগুন, পুড়ে ছাই একাধিক দোকান তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীরা অবৈধ ব্যবসা টিকিয়ে রাখতেই রাজনীতিতে এসেছে : হাসিবুল ইসলাম মুম্বাইয়ে পিটিয়ে খুন পরিযায়ী শ্রমিক

গোয়েবলসের ফর্মূলা

প্রকাশিত: ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, সকাল ১১:১২ | আপডেট: ২০ জানুয়ারী ২০২৬, দুপুর ১২:১৪
পশ্চিমবঙ্গে অনুপ্রবেশ তত্ত্বের আলোচনা বহু পুরনো। দেশভাগজনিত কারণই এর মূল। তারপরে অনুপ্রবেশ তত্ত্বের ধারণাটি পশ্চিমবঙ্গের সাম্প্রদায়িক লবি চিরকাল করে এসেছে। মূলত মুসলমানদের বিপাকে ফেলতেই এই তত্ত্বের আমদানি করা হয়েছে। ইদানীং অনুপ্রবেশ সমস্যাকে মুসলমানদের সঙ্গে সমীকৃত করে যে রাজনৈতিক অভিঘাত শুরু হয়েছে, তার পিছনে সংঘ পরিবারের ভূমিকাই মুখ্য। এদের ভয় হল যে, এই রাজ্যে মুসলিম জনসংখ্যা যদি আনুপাতিক হারে একটা অতি গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় চলে আসে, তাহলে বিজেপির জন্য বিপদ। এটা তাদের সোজা অংক। এমনিতেই মুসলমানরা জনসংখ্যার প্রায় ২৮ শতাংশ। ২০১১ সালের আদমশুমারির রিপোর্ট এটা। এরপর আদমশুমারি হয়নি। মুসলিম জনসংখ্যার বর্তমান হার তাই জানা সম্ভব নয়।

পশ্চিমবঙ্গে অনুপ্রবেশ তত্ত্বের আলোচনা বহু পুরনো। দেশভাগজনিত কারণই এর মূল। তারপরে অনুপ্রবেশ তত্ত্বের ধারণাটি পশ্চিমবঙ্গের সাম্প্রদায়িক লবি চিরকাল করে এসেছে। মূলত মুসলমানদের বিপাকে ফেলতেই এই তত্ত্বের আমদানি করা হয়েছে।
ইদানীং অনুপ্রবেশ সমস্যাকে মুসলমানদের সঙ্গে সমীকৃত করে যে রাজনৈতিক অভিঘাত শুরু হয়েছে, তার পিছনে সংঘ পরিবারের ভূমিকাই মুখ্য। এদের ভয় হল যে, এই রাজ্যে মুসলিম জনসংখ্যা যদি আনুপাতিক হারে একটা অতি গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় চলে আসে, তাহলে বিজেপির জন্য বিপদ। এটা তাদের সোজা অংক। এমনিতেই মুসলমানরা জনসংখ্যার প্রায় ২৮ শতাংশ। ২০১১ সালের আদমশুমারির রিপোর্ট এটা। এরপর আদমশুমারি হয়নি। মুসলিম জনসংখ্যার বর্তমান হার তাই জানা সম্ভব নয়।
মুসলিমরা এই রাজ্যে অতীতে কংগ্রেসকে ভোট দিয়েছে। দেশভাগের পর মূলত এই চিত্র দেখা যায়। তারপর গত শতাব্দীর সত্তর দশকে মুসলিমরা বেশিরভাগ ভোট দিয়ে এসেছে সিপিএম তথা বামফ্রন্টকে। বাম জামানা অবসানে হিন্দু-মুসলিম এবং অন্যান্য ধর্মের মানুষদের ভূমিকা যূথবদ্ধ ছিল। সিপিএমের দোর্দণ্ডপ্রতাপ কালের গতিতে হারিয়ে যায়। মুসলমানরা অন্যান্যদের সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসকে ভোট দিয়েছে।
তবে এও মনে রাখতে হবে যে, মুসলমানরা শুধু তৃণমূলকে ভোট দিয়েছে এমনটা নয়, তারা ক্ষেত্র বিশেষে ধর্মনিরপেক্ষ দল বা প্রার্থীকেও জিতিয়েছে। মুসলমানদের স্ট্যান্ড একেবারেই সংবিধানের স্পিরিটকে সামনে রেখেই হয়েছে। দেশের অসাম্প্রদায়িক ঐতিহ্যকে রক্ষা করেই ভোট দানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এটা ভয়ে তাড়িত হয়ে নয়। বাস্তবধর্মী, গণতন্ত্রসম্মত, সংবিধানের মূল স্পিরিটকে সামনে রেখেই মুসলমানরা ভোট কাকে দিতে হবে, তাতে সঠিক সিদ্ধান্তই নিয়েছে। স্বৈরাচারী, ফ্যাসিবাদী শক্তিকেই জায়গা কেন দেওয়া হবে?

আরও পড়ুন:

কেউ যদি ধর্মের নামে অন্যায্য আবেগ তাড়িত হয়ে এমন শক্তিকে ভোট দেয়, সেটা তার চিন্তার বিষয়। কেন সংখ্যালঘুরা ভুল আবেগতাড়িত হয়ে ভোটদানে এমন সিদ্ধান্ত নেবে। কি এই রাজ্যে, কি অন্যান্য রাজ্যে মুসলমানরা কোনো মুসলিম জাতীয়তাবাদী বা সাম্প্রদায়িকতার খোলা কারবারিদের পক্ষাবলম্বন করেনি। কেরলে মুসলিম লীগকে যে ভোট দেয় না, তা নয়। কিন্তু এই দলের সঙ্গে কংগ্রেস, সিপিএম জোট করে সরকারও গড়েছে। তা মনে রাখতে হবে।

আরও পড়ুন:

তেলেঙ্গানায় আসাদ উদ্দীন ওয়েইসির দল, আসামে বদরুদ্দিন আজমলের দলের পিছনে মুসলিমরা সবাই না হলেও, অনেকেই পক্ষ নিয়েছে। তার জন্য ওই দুই রাজ্যের মেইন স্ট্রিমের দলগুলির ভুল সিদ্ধান্তই দায়ী। পশ্চিমবঙ্গে মুসলিম লীগ এক সময় কয়েকটি আসন বিধানসভায় দখল করে। সেটা গত শতাব্দীর সত্তর দশকের দিকে ঘটনা। এখন মুসলিম লীগ বলে আর কিছুই নেই। স্বাভাবিকভাবে মুসলিম ভোটাররা ধর্মনিরপেক্ষ দল বা প্রার্থীকেই বেছে নেবে, এটাই বাস্তবতা। এখন সংঘ পরিবারকে ভাবতে হবে তারা মুসলিমদের আস্থা কীভাবে অর্জন করবে? তারা কি তাদের কৌশল, পলিসি, সাম্প্রদায়িক দৃষ্টিকোণ, চিন্তা-চেতনার ধারা পরিবর্তন করবে?
পশ্চিমবঙ্গে অনুপ্রবেশকে জিরো লেভেলে নিয়ে আসতে গেলে কেন্দ্র সরকারকে সংবেদনশীল হতে হবে। এ দায়িত্ব রাজ্য সরকারের নয়, কেন্দ্র সরকারের। বাংলাদেশ সীমান্তে ৫৬৯ কিমি. কাঁটাতারের বেড়া নেই। বেড়া দেওয়া হোক। টাকার তো অভাব নেই। টহলদারি বাড়ানো হোক। তার জন্যে বিএসএফ-এ আরো লোক নিয়োগ করা হোক। সীমান্তে চোরাচালান বন্ধ করা হোক। ”ঠাকুর ঘরে কে, কলা তো খাইনি” – এমন ঘটনা তো বারবারই ঘটছে। দুর্বলতা থাকবে, আবার মুসলিম অনুপ্রবেশের গল্প ঠাকুমার ঝুলি থেকে বের করে আনা হবে – এমনটা চলবে না।
পশ্চিমবঙ্গে কোন ধর্মের লোক অনুপ্রবেশ করেছে এবং অবৈধভাবে বসবাস করছে, তা প্রকাশ করা হোক। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই বলেছেন, ২০২৩ সালে ১৫৪৭ জন, ২০২৪ সালে ১৬৯৪ জন এবং ২০২৫ সালের আগস্ট মাসে ৭২৩ জন ঢুকতে ধরা পড়েছে। এরা সবাই যে বসবাস করার জন্য ঢোকার চেষ্টা করেছে, এমনটি নয়। নানা কারণে ঢোকার চেষ্টা করেছে। কিন্তু ধরা খেয়ে গেছে। কি কারণে ঢোকার চেষ্টা করছে, তার তথ্য তো কেন্দ্র সরকারের কাছে আছে। তা পরিষ্কার করে বলা হচ্ছে না। কেননা, তাতে জনগণকে ক্ষেপিয়ে তোলা যে সম্ভব হবে না।
বাংলাদেশ থেকে ২০২৪ সালের জনবিপ্লবের সময়ে, হাসিনার পতনের মুহূর্তেও এবং ওই দুর্যোগের ক্ষণে অনুপ্রবেশ তেমন হয়নি। তা উপরের তথ্য থেকে বোঝা যাচ্ছে। তাহলে কেন মুসলমানদের দিকে তীর মারা হচ্ছে? হাসিনার সাঙ্গপাঙ্গরা এখানে সিঁধিয়ে নেই তো? সেটাও দেখা দরকার নয় কি?
সংঘ পরিবার অনুপ্রবেশের যে আখ্যান মুসলিমদের বিরুদ্ধে তৈরি করছে, এ তারা করবেই। কেননা, এটা ছাড়া তাদের রাজনীতি পশ্চিমবঙ্গে ফিকে হয়ে যাবে। এমনিতেই রাজনীতিতে খুব একটা সুবিধা করতে পারছে না। বাংলার সকল ধর্মের মানুষ খুব ভাল করেই জানেন। বাংলা ও বাঙালিকে হেয় করে সফল হওয়া যায় না। বাঙালি জাত বদ্যির মতো। জাত রাজনীতির চর্চা করে।
নিউ ইয়র্ক টাইমস-এর এক প্রতিবেদন বের হয়েছিল। তাতে বলা হয় যে, বাংলার চায়ের দোকানে যে রাজনীতির চর্চা হয়, আমেরিকার আচ্ছা আচ্ছা প্রতিষ্ঠানেও তা হয় না। বাঙালিকে দুর্বলচেতা ভাবলে ভুল হবে।

আরও পড়ুন
Copyright © Notun Poigam
Developed by eTech Builder