ভোটার লিস্ট ম্যাপিংয়ের কাজ শেষ ৭ জেলায় মিলেছে ৩.৪৮ কোটির নাম, বাকি ১৬ জেলার কাজ
নতুন পয়গাম, কলকাতা:
স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন বা এসআইআর-এর লক্ষ্যে রাজ্যজুড়ে চলছে ভোটার তালিকার ম্যাপিংয়ের কাজ। এই ম্যাপিং হল আসলে, ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে বর্তমান তালিকার তুতনামূলক বিচার এবং যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া। অর্থাৎ এটাও এক ধরনের এসআইআর এর অংশ বলা যেতে পারে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, এ পর্যন্ত রাজ্যের ২৩টি জেলার মধ্যে সাতটি জেলায় ম্যাপিংয়ের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। অন্যান্য ১৬টি জেলাতেও কাজ জোরকদমে চলছে। সব জেলা মিলিয়ে পুরনো ভোটার তালিকার সঙ্গে এখনও পর্যন্ত ৩ কোটি ৪৮ লক্ষ ভোটারের মিল পাওয়া গিয়েছে। এই কাজ কাজ শেষ হওয়া জেলাগুলিতে তালিকা ওয়েবসাইটে আপলোড করা হয়েছে। দ্রুত বাকি থাকা সব জেলার ম্যাপিংয়ের কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।
উল্লেখ্য, ২২-২৩ বছর আগে যখন রাজ্যে প্রথমবার এসআইআর হয়েছিল, তখন এটা হয়েছিল ম্যানুয়্যালি। ডিজিটাল বা অনলাইনে তখন সেভাবে কাজ হত না। এবার সবটাই হচ্ছে অনলাইনে। তাই জেলাশাসকদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে এই কাজ করার জন্য একজন অতিরিক্ত সিইওদেরকে নিযুক্ত করা হতে পারে। ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে বর্তমান তালিকার এখনও পর্যন্ত যত সংখ্যক ভোটারের নামে মিল পাওয়া গিয়েছে, তাদের কোন সমস্যা থাকছে না। এসআইআর পর্যায়ে আপনা আপনি তাদের নাম ভোটার তালিকায় থাকবে। প্রথমে ১৫ অক্টোবরের মধ্যে রাজ্যে ম্যাপিং কাজ শেষ করার সময়সীমা ঠিক করা হয়েছিল। কিন্তু ওই সময় শেষে দেখা গেল, সাতটি জেলায় কাজ হয়েছে, বাকি আছে ১৭টি জেলার কাজ।
![]()
বরং উত্তরবঙ্গে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কাজ ভালভাবে এগিয়েছে। যে সাত জেলায় ম্যাপিং এর কাজ শেষ হয়েছে এবং সেই সব জেলায় শতাংশের বিচারে যে মিল পাওয়া গিয়েছে তা হল, ঝাড়গ্রাম-৫১.৩৬ শতাংশ, পশ্চিম মেদিনীপুর-৬২.৯৪ শতাংশ, কালিম্পং-৬৫.২৭ শতাংশ, আলিপুরদুয়ার-৫৩.৭৩ শতাংশ, পুরুলিয়া-৬১.২৯ শতাংশ, কলকাতা উত্তর-৫৫.৩৫ শতাংশ, মালদহ-৫৪.৪৯ শতাংশ। গত ২২-২৩ বছরে কলকাতা ও শহরতলি অঞ্চলে নগরায়ন এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে ভোটার তালিকায় ম্যাপিংয়ের কাজে দেরি হচ্ছে এবং জটিলতা দেখা দিয়েছে। কর্মসূত্রে অসংখ্য মানুষ জেলা থেকে কলকাতা ও শহরতলিতে আসে, আবার অনেক মানুষ শহর ছেড়ে গ্রামে ফিরে গেছে এই সময়কালে। পাশাপাশি অন্যান্য রাজ্য থেকে মানুষজন এই রাজ্যে এসে বসবাস করছেন। তাই গ্রামের থেকে শহরের কাজে দেরি বা সমস্যা বেশি হচ্ছে।








