এসআইআর: মানুষকে আতঙ্কিত ও হয়রানির প্রতিবাদে রাজ্য নির্বাচন কমিশন অফিসে নওসাদ
নতুন পয়গাম, কলকাতা: ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টের এক প্রতিনিধিদল বিধায়ক নওসাদ সিদ্দিকী’র নেতৃত্বে পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচন কমিশন দপ্তরে গিয়ে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে দেখা করলেন। মূলত এসআইআর বা বিশেষ নিবিড় সংশোধনীর নামে যেভাবে মানুষকে আতঙ্কিত ও হয়রানি করা হচ্ছে, সে বিষয়ে কথা হয়। পরে সাংবাদিকদের নওসাদ সিদ্দিকী বলেন, দক্ষিণ ২৪ পরগনার সন্দেশখালি বিধানসভা এলাকার বেশ কিছু গ্রাম পঞ্চায়েতে ভোটারদের বিএলও মারফত কিছু কাগজ বিলি করা হচ্ছে। সেখানে অনেককে ভারতীয় নাগরিক নন বলে দেখানো হচ্ছে। কোথাও-বা জীবিতকে মৃত বলে চিহ্নিত করা হচ্ছে। এতে মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়ছেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন সংবিধানের ৩২৪ নম্বর ধারা অনুযায়ী নির্বাচনকে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার দায়িত্ব পেয়েছে। কমিশনের কোন এক্তিয়ার নেই –কে নাগরিক, কে নাগরিক নয়, সেটা খোঁজা।
নওসাদ সিদ্দিকী আরো জানান, বিষয়টি রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে জানালে, তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, এ ধরণের কোন বিজ্ঞপ্তি তাঁর দপ্তর থেকে দেওয়া হয়নি। মূলত তাঁর কাছে দাবি জানানো হয়েছে, যারা একাজে লিপ্ত, তাদের খুঁজে বের করে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। এতে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া হবে। প্রয়োজনে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে সাংবাদিক সম্মেলন করে মানুষকে আশ্বস্ত করতে হবে। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জেলাশাসককে বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন।
সাংবাদিকদের আইএসএফ চেয়ারম্যান জানান, এই ঘটনার পেছনে রাজনৈতিক চক্রান্ত থাকতে পারে। এগুলি খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। প্রতিনিধিদলের সঙ্গে ওই অঞ্চলের বেশকিছু ভুক্তভোগী মানুষও এদিন রাজ্য নির্বাচন দপ্তরে হাজির ছিলেন। অন্যলদের মধ্যে ছিলেন আইএসএফ রাজ্য কমিটির সদস্য আইনজীবী সাবির আলি, দলের দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলা সভাপতি আবদুল মালেক মোল্লা, সন্দেশখালি বিধানসভার দলীয় পর্যবেক্ষক আইনজীবী পৃথ্বীরাজ বিশ্বাস প্রমুখ।







