ইন্দোনেশিয়ার বালি দ্বীপের একমাত্র মসজিদ
নতুন পয়গাম, বালি, ৯ সেপ্টেম্বর:
ইন্দোনেশিয়ার বালি দ্বীপকে বলা হয় পৃথিবীর অন্তিম স্বর্গোদ্যান বা অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি। অতুলনীয় প্রাকৃতিক দৃশ্য, দিগন্ত বিস্তৃত ধানক্ষেত, সুন্দর সব ঝর্ণা আর আগ্নেয়গিরি, কী নেই বালিতে! এসব দর্শণীয় স্থান বালিকে করেছে বিশ্বব্যাপী পর্যটকদের কাছে এক অন্যতম আকর্ষণ। বালি দ্বীপের মনোরম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নিবিড়ভাবে উপভোগ করতে অনেকেই মুন্ডুক, নুসা পেনিদা, তেগাল ওয়াঙ্গি বিচ গুহা, নুসা সেনিনগান ও বেজি গুয়াং হিডেন ক্যানিয়নে যান। এসব এলাকার মধ্যে নুসা পেনিদা একটু ভিন্ন।
এশিয়া মহাদেশের একেবারে দক্ষিণপ্রান্তে অবস্থিত বালির এই ছোট্ট উপদ্বীপ। সুন্দর প্রাকৃতিক দৃশ্য, উপহ্রদ-সহ এখানে রয়েছে বেশ কিছু দর্শনীয় স্থান। এখানকার কেলিংটন বিচ, এঞ্জেলা বিলাবং, ডায়মন্ড বিচ ও ব্রোকেন বিচের মতো জায়গাগুলো একেবারেই আলাদা। সমুদ্রের নীচে আকর্ষণীয় প্রবাল-প্রাচীর, আর মলা মাছ এই জায়গাটিকে করেছে ডাইভিং ও স্নোরকেলিংয়ের জন্য পুরো বালি দ্বীপের মধ্যে সবচেয়ে সেরা জায়গা। তাই অ্যাডভেঞ্চারপ্রেমীরা ক্রিসটাল বে-সহ পুরো নুসা পেনিদা-য় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ডাইভিং স্পটগুলোতেও চাইলে ঘুরে আসতে পারেন।
পাহাড় আর সমুদ্রঘেরা অকৃত্রিম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, স্নিগ্ধ পরিবেশ ও অ্যাডভেঞ্চারের জন্য ইন্দোনেশিয়ার অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্য এই দ্বীপ। বালির সানুর হারবুর এলাকা থেকে ক্রুজ কিংবা স্পিডবোটে ৪০-৪৫ মিনিটে সেখানে যাওয়া যায়। এই দ্বীপের অধিকাংশ বাসিন্দা অমুসলিম। তাই সেখানে রয়েছে একাধিক পুরাতন মঠ, মন্দির ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়। এখানে মুসলমান ৫ শতাংশেরও কম। দ্বীপের ৫০টি মহল্লার মধ্যে মাত্র একটি মুসলিম অধ্যুষিত। তাই পুরো দ্বীপটিতে রয়েছে একটিমাত্র মসজিদ, মসজিদে আল ইমরান। এই মসজিদের আশপাশে মুসলিমরা বসবাস করেন এবং তাদের মক্তব ও ধর্মীয় পড়াশোনা এই মসজিদকেন্দ্রিক।








