ইরানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা
নতুন পয়গাম: ইরানের ওপর চাপ বাড়াতে শুক্রবার দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইসকান্দার মোমেনি এবং এক ধণাঢ্য ব্যবসায়ী-সহ মোট ৭ ব্যক্তি ও কোম্পানির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে আমেরিকা। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন এই পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানিয়েছে ওয়াশিংটন পোস্ট। মার্কিন অর্থ মন্ত্রকের বিবৃতিতে বলা হয়, চলতি মাসে ইরানে সংঘটিত ভয়াবহ নিরাপত্তা অভিযানের জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেনি দায়ী। তার তত্ত্বাবধানে থাকা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ দমনে ব্যাপক সহিংসতা চালায়, যাতে কয়েক হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন বলে ওয়াশিংটনের দাবি।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানে চলমান রক্তক্ষয়ী দমন-পীড়নের ঘটনায় সরাসরি হস্তক্ষেপের হুমকি দিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করেছেন, যদিও ইরান সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসার আগ্রহের কথাও তিনি প্রকাশ করেছেন।
শুক্রবার ঘোষিত আর্থিক নিষেধাজ্ঞার আওতায় আরও পাঁচ ইরানি নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। মার্কিন অভিযোগ, এসব কর্মকর্তা ইরানি জনগণের বিরুদ্ধে সহিংস দমন-পীড়নে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। এছাড়া ইরানি শিল্পপতি বাবাক জানজানি এবং ব্রিটেনে নিবন্ধিত দুটি ডিজিটাল সম্পদ বিনিময় প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। মার্কিন ট্রেজারির দাবি, এসব প্ল্যাটফর্ম ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অর্থ লেনদেন প্রক্রিয়াকরণে যুক্ত ছিল।
মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেন, নিষেধাজ্ঞা এড়াতে এবং সাইবার অপরাধে অর্থায়নের জন্য ডিজিটাল সম্পদ ব্যবহারকারী ইরানি ক্ষমতাধর গোষ্ঠী ও তাদের নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রাখবে। ডুবতে থাকা জাহাজের ইঁদুরের মতো এই শাসকগোষ্ঠী ইরানি জনগণের কাছ থেকে লুট করা অর্থ বিশ্বের বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পাচার করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। নিশ্চিন্ত থাকুন, পেন্টাগম ও অর্থমন্ত্রক যথাযথ ব্যবস্থা নেবে।








