BREAKING:
জোড়াসাঁকোয় সাহিত্য-সংস্কৃতির মহোৎসবে কলম শিল্পী গ্র্যান্ড ফেস্টিভ্যাল ২০২৬ খোশবাগ বাসস্ট্যান্ডের কাছে পথ দুর্ঘটনা, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন দন্ত চিকিৎসক বসিরহাট দরবার শরিফে হুমায়ুন কবীর, পেলেন উষ্ণ অভ্যর্থনা লাল বালির চড়া দাম, গ্রামবাসীদের ভরসা পাথরের গুড়ো   রমজানে অসহায়দের পাশে আল হোসাইনী হেল্প ফাউন্ডেশন সুন্দরবনের লবণাক্ত মাটিতে সূর্যমুখী চাষে সাফল্য, লাভের মুখ দেখছেন কৃষকরা হুগলি জেলায় এসআইআর এর প্রথম পর্যায়ের খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করলেন জেলা শাসক খুরশিদ আলি কাদরি  বন্যপ্রাণীর উপদ্রব রুখতে তৎপর বনদপ্তর উত্তাপহীন ডার্বিতে মহামেডানকে ৫ গোলে উড়িয়ে দিল মোহনবাগান মরণবাঁচন ম্যাচে আজ সামনে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, জিততেই হবে ভারতকে রাজনগরে চাঞ্চল্য: গাংমুড়ি গ্রামে বাড়ির ভিতর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার মোবাইল গেম খেলতে খেলতেই নিভে গেল ২১ বছরের তরতাজা প্রাণ  মুর্শিদাবাদের মুকুটে নতুন দুই পালক, বিশ্ববিদ্যালয় ও কাটরা মসজিদের তোরণ প্রকল্পের শিলান্যাস করলেন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম! রাজ্যে নতুন রাজনৈতিক দলের আত্মপ্রকাশ, আগামী বিধানসভা নির্বাচনে ত্রিশটি আসনে লড়বে পুকুর খনন করার সময় প্রাচীন বিষ্ণু মূর্তি উদ্ধার হল পান্ডুয়ায় ওয়েস্ট ইন্ডিজকে উড়িয়ে সেমিফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকা। রানে ফিরলেন অভিষেক, জয়ে ফিরলো ভারত; বেঁচে রইলো সেমির স্বপ্ন এসআইআর  ইস্যুতে আতঙ্ক নয়, আইনি পথে আপিলের আহ্বান মিল্লি ঐক্য মঞ্চের কালিয়াচক আবাসিক মিশনে বিজ্ঞান বিভাগের প্রবেশিকা পরীক্ষা সম্পন্ন, উৎসাহ চোখে পড়ার মতো পরীক্ষার দিন আচমকা মৃত্যু অষ্টম শ্রেণির ছাত্রের, শোকস্তব্ধ সোনারপুর নাবালিকাকে বিবাহের অভিযোগে জয়নগরে গ্রেপ্তার যুবক জয়নগরে মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনা, আহত তিন শ্রমিক নেতা মহম্মদ ওয়েস এর নেতৃত্বে বড়জোড়ায় বিরাট মিছিল কুলতলির বিধায়কের উপস্থিতিতে ঢালাই রাস্তার কাজের সূচনা হলো নলগোড়ায় ঘুটিয়ারীশরিফে পুলিশের তৎপরতায় ৫৪ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার গঙ্গাকে দূষণমুক্ত করতে উদ্যোগ সুন্দরবনে বাঘের হামলায় ফের মৃত্যু, সরকারি ক্ষতিপূরণের দাবি এসআইও নিয়ে মিথ্যা মন্তব্যের প্রতিবাদে কলকাতায় সাংবাদিক সম্মেলন জামাআতে ইসলামী হিন্দের ইফতার সামগ্রী বিতরণ বই হোক সই, বইয়ের জন্য করিমপুরে পথে হাঁটল শত শত মানুষ রমজান মাসে ৩০০ দুস্থ পরিবারের পাশে সমাজসেবী হাফেজ নজরুল ইসলাম অবশেষে ধুলিয়ান গঙ্গা স্টেশনে বাংলা স্থান পেল  মুর্শিদাবাদে দুই মেগা প্রকল্পের শিলান্যাস ২৮ ফেব্রুয়ারি ভাঙড়ে ২৮ টি তাজা বোমা ও আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার, গ্রেপ্তার দুই জন্মদিনে অবহেলিত ভূদেব মুখোপাধ্যায়, তালাবন্ধ গ্রীলে মালা ঝুলিয়ে জন্মদিন পালন করল বিজেপি বালিভর্তি ট্রাক চলাচল ঘিরে উত্তেজনা, সোনামুখীতে গ্রামবাসীর রাতভর বিক্ষোভ বসিরহাটে দলবদল ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ, তৃণমূলের সভায় বহু নেতার যোগদান ভোটের আগে বিরোধী শিবিরে বড় ভাঙন কুলতলীতে কালিয়াচকের বাহাদুরপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড চুঁচুড়ায় সোমবার সাতসকালে পথ দুর্ঘটনা, জখম যুবকের অবস্থা আশঙ্কাজনক নিহত সেনা জওয়ানের মরদেহ পৌঁছাল শেখপাড়ার বাড়িতে ব্লক প্রাণিসম্পদ বিকাশ দিবস পালিত জয়নগরে অনলাইন বাণিজ্যের প্রসারে ক্ষুদ্র ব্যবসা চাপে: মত বড়জোড়া চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ বিজেপি শাসিত মধ্যপ্রদেশে ফের পরিযায়ী শ্রমিকের উপর হামলা উত্তরলক্ষীপুরের গর্ব: প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ হতে চলেছেন ডা: মোবারাক হোসেন পুনরাবৃত্তি চায় ভারত, দক্ষিন আফ্রিকা চায় প্রত্যাবর্তন; সুপার এইটে আজ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই টানা দুই ম্যাচে জয় ইস্টবেঙ্গলের, দুই ম্যাচেই জোড়া গোল ইউসুফের বৃষ্টিতে ধুয়ে গেল পাকিস্তান-নিউজিল্যান্ডের ম্যাচ আজ শুরু সুপার এইটের লড়াই, প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি পাক বনাম নিউজিল্যান্ড আজ ইস্টবেঙ্গলের সামনে স্পোর্টিং দিল্লি, ভরসার নাম ইউসুফ আজ্জেরি প্রত্যাশিত হার, ঘরের মাঠে মহামেডান বধ এফসি গোয়ার ১৫ বছরেও শেষ হয়নি বক্সীপুর ব্রিজ নির্মাণ কাজ, জনস্বার্থ মামলা গড়াল কলকাতা হাই কোর্টে করিমপুর এলাকাবাসীকে বহরমপুর যেতে আর পেরুতে হবেনা বিপদ সংকুল রাস্তা এসআইআর এর চাপ, শ্রীরামপুরে মাঝ গঙ্গায় ঝাঁপ বিএলও’র ছেলেধরা সন্দেহে পুড়িয়ে খুনের চেষ্টার ঘটনায় বলাগড়ে ২৫ জন দোষীকে সাজা শোনালো চুঁচুড়ার ফার্স্ট ট্রাক কোর্ট বেআইনি মাটির গাড়ির ধাক্কায় ২ যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপনে জি-প্লটের আদিবাসী শিশুরা  জল্পনার অবসান, তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন বাম যুব নেতা প্রতীক উর রহমান কনকচূড় ধানের চাল পেল জাতিসংঘের ঐতিহ্য স্বীকৃতি, খুশির হাওয়া জয়নগর জুড়ে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে প্রশাসন-এনজিওর যৌথ উদ্যোগে সচেতনতা শিবির ঘোড়ামারা দ্বীপ রক্ষায় জরুরি পদক্ষেপের নির্দেশ ট্রাইব্যুনালের, গঠিত হচ্ছে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি শেষ সময় ঘনাতেই যুব সাথী প্রকল্পের ফর্ম জমায় দীর্ঘ হচ্ছে লাইন পখন্না রামকৃষ্ণ আশ্রমে শ্রীরামকৃষ্ণের ১৯১তম জন্মতিথি উদ্‌যাপন বড়জোড়া কলেজে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত সায়েম চৌধুরী ওরফে বাবু: সংগঠন, সংগ্রাম ও সেবার রাজনীতি সোনার প্রতিমার প্রলোভনে ১১ লক্ষ টাকার প্রতারণা ঘুঁটিয়ারীশরিফে পুলিশের সাফল্য: ২৪ চুরি যাওয়া মোবাইল উদ্ধার হুগলি জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের উদ্যোগে খাদ্য সুরক্ষা মেলা’য় সুষম খাদ্য খাওয়ার পরামর্শ  উলুবেড়িয়ায় ১৫ টিয়া উদ্ধার, আন্তরাজ্য পাখি পাচারচক্রের সদস্য গ্রেফতার সরকারি জমি দখল ও নয়নজুলি ভরাটের অভিযোগে চাঞ্চল্য ধূপগুড়িতে কাবিলপুর হাই স্কুলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠা দিবস ঘটা করে উদযাপন পবিত্র রমজান মাস শুরুর ঠিক আগে ইফতার সামগ্রী বিতরণ জয়নগরে ২০২৬ নির্বাচন ঘিরে ফারাক্কায় জোর চর্চায় রেহেনা ইয়াসমিন  পিতা-মাতার স্মৃতিতে আট দিনব্যাপী ক্রিকেট টুর্নামেন্টের আয়োজন পুলিশকর্মী ছেলের উদ্যোগে সুন্দরবনের মৎস্যজীবীদের মৃত্যু মিছিল থামছেই না, সরকারি ক্ষতিপূরনের দাবি মাটি, মানুষ ও সংগঠন: রাবিউল ইসলামের রাজনৈতিক দর্শন দুবে ঝড়ে উড়ে গেল নেদারল্যান্ডস, বোলিংয়ে নায়ক বরুণ হঠাতই ব্যাটিং বিপর্যয়, রঞ্জি থেকে বিদায় বাংলার ফারহানের দুরন্ত সেঞ্চুরি, সুপার এইটে পাকিস্তানও ‘ডু অর ডাই’ ম্যাচে আজ নামিবিয়ার মুখোমুখি পাকিস্তান সামির ৮ উইকেটেও, ব্যাটিং বিপর্যয়ে হারের মুখে বাংলা চুঁচুড়ায় প্রার্থী ঘোষণার আগেই দেওয়াল লিখনে জোর তৃণমূল, পাল্টা কটাক্ষ বিজেপির কুলতলিতে আয়ুষ মেলা: বিকল্প চিকিৎসা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে উদ্যোগ রানীনগরে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীসভা ও জাকির হোসেনের উপস্থিতিতে উপচে পড়া ভিড়  কৃষকদের সমস্যা সমাধানে চালু ‘ভারত বিস্তার’ এআই টুল গোবর্ধনডাঙ্গায় তৃণমূল ট্রেড ইউনিয়নের কর্মী সভা কাবিলপুরে মানব সেবা ফাউন্ডেশনের পথচলা শুরু মালদা জেলায় হাই মাদ্রাসা, আলিম ও ফাজিল পরীক্ষা নির্বিঘ্নেই সম্পন্ন পা দিয়ে লিখেই উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা মানকুন্ডুতে সারা বাংলা একদিনের দাবা প্রতিযোগিতা মেরা যুব ভারতের উদ্যোগে মগরাহাটে জেলা ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অপসংস্কৃতির স্রোতের বিপরীতে নাট্যচর্চার বার্তা – বাগনানে তিনদিনের নাট্য উৎসবে নজর কাড়ল বাঙালপুর বয়েজ ক্লাব দ্বীপাঞ্চলবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্নপূরণ: আমতায় নির্মীয়মাণ কংক্রিটের সেতুতে বাড়ছে আশার আলো মানসম্মত শিক্ষা ও দক্ষ ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে কলকাতায় স্কুল ম্যানেজমেন্ট কর্মশালা জীবনে কিছু জায়গা থেকে চুপচাপ সরে আসতে হয় ১৪ই ফেব্রুয়ারি: ভালবাসার দিন হিসেবে কেন পালিত হয়? সুদ, মাদক ও জুয়ার অদৃশ্য জোট: সমাজ ধ্বংসের নীরব চক্রান্ত আদ্রায় ‘বিনা পয়সার বাজারে’ উপচে পড়া ভিড়, হাসি ফিরল অসংখ্য মুখে মেডিকেল ভর্তিতে কাট অফ বিতর্কে তোলপাড় দেশ হবু ডাক্তারদের মান, মেধা ও রোগীর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন কেরালার আদালতে নতুন অধ্যায় রচিত দৃষ্টিহীন তরুণী বিচারক গড়লেন নজির

প্রেসিডেন্ট কেনেডি হত্যার ৬২ বছর। আজো রহস্য উদঘাটন হল না, এও এক রহস্য!!

প্রকাশিত: ২২ নভেম্বর ২০২৫, দুপুর ১২:০০ | আপডেট: ২২ নভেম্বর ২০২৫, দুপুর ১২:০০

বিশেষ প্রতিবেদন

আরও পড়ুন:

আজ থেকে ৬২ বছর আগে নভেম্বরের এক রৌদ্রোজ্জ্বল সকাল। একপশলা বৃষ্টির পর আকাশ ঝকঝক করছে। আমেরিকার টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের ডালাস শহরে সাজসাজ রব। শহরের বাসিন্দারা সকাল থেকে সেজেগুজে সড়কের পাশে জড়ো হচ্ছেন। কিছুক্ষণের মধ্যে প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডির রোড-শো শুরু হবে। সঙ্গে ফার্স্ট লেডি জ্যাকুলিন কেনেডিও থাকবেন। এই দম্পতি তখন দেশে ও দেশের বাইরে তুমুল জনপ্রিয়। সবাই নিজের চোখে তাঁদের দেখতে উদ্গ্রীব।
দিনটি ছিল ১৯৬৩ সালের ২২ নভেম্বর শুক্রবার। আগের দিন প্রেসিডেন্ট কেনেডি স্ত্রীকে নিয়ে টেক্সাসের হিউস্টনে এসেছেন। পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে সামনে রেখে এটি ছিল তাঁদের রাজনৈতিক সফর। যদিও তখনো কেনেডি পরবর্তী নির্বাচনের জন্য নিজেকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেননি। কিন্তু সেপ্টেম্বরের পরই তিনি নির্বাচন ঘিরে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছিলেন। বিমানবন্দরে কেনেডি দম্পতিকে স্বাগত জানানোর আনুষ্ঠানিকতা শেষে বেলা ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে সেখান থেকে মোটর শোভাযাত্রা শুরু হয়।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি যখন ক্ষমতায় আসেন, তখন বৈশ্বিক রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তার নিয়ে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মুখোমুখি ছিল আমেরিকা। তাঁর দায়িত্ব গ্রহণের পরের বছরই ‘কিউবা ক্ষেপণাস্ত্র সংকট’ তৈরি হয়। যে সংকট সামলে বিশ্বকে পরমাণু যুদ্ধের হাত থেকে রক্ষা করেছিলেন প্রেসিডেন্ট কেনেডি। কিন্তু পরের বছরই আততায়ীর গুলিতে নিহত হন তিনি। আড়াই বছরের একটু বেশি তিনি দেশ শাসন করেন। এত অল্প সময়েও তিনি যতটা জনপ্রিয়তা পেয়েছেন, তা খুব কম মার্কিন প্রেসিডেন্টের ভাগ্যে জুটেছে।
একটি কালো রঙের ছাদখোলা লিমুজিনে চড়ে শোভাযাত্রায় অংশ নেন প্রেসিডেন্ট কেনেডি। পাশে বসা গোলাপি রঙের পোশাকে স্ত্রী জ্যাকুলিন কেনেডি। গাড়িতে তাঁদের সামনের সিটে বসে ছিলেন টেক্সাসের গভর্নর জন কনালি ও তাঁর স্ত্রী নেলি। সড়কের দু-পাশে হাজার হাজার মানুষ কেনেডি দম্পতিকে দেখে হাত নাড়ছিলেন, খুশিতে চিৎকার করছিলেন। প্রেসিডেন্ট ও ফার্স্ট লেডিও হাসিমুখে হাত নেড়ে জনতার অভিবাদনের জবাব দিচ্ছিলেন। শহরের বিভিন্ন পথ পেরিয়ে শোভাযাত্রা ডিলি প্লাজার দিকে এগোচ্ছিল। ঘড়ির কাঁটা তখন দুপুর সাড়ে ১২টা ছুঁই ছুঁই।
ডিলি প্লাজার মেইন স্ট্রিট থেকে কনভয় ঘুরে টেক্সাস স্কুল বুক ডিপোজিটরির পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ গুলির শব্দ…মাথা কাত করে স্ত্রীর গায়ে ঢলে পড়েন প্রেসিডেন্ট কেনেডি। পরে প্রেসিডেন্টের ঘাড়ে ও মাথায় গুলির ক্ষতচিহ্ন দেখতে পাওয়া যায়। গভর্নর কনালির পিঠেও গুলি লাগে। গুলিবিদ্ধ ও রক্তাক্ত প্রেসিডেন্টকে নিয়ে গাড়িটি দ্রুতবেগে কাছের পার্কল্যান্ড মেমোরিয়াল হাসপাতালে ছুটে যায়। কিন্তু চিকিৎসকদের তখন আর কিছু করার ছিল না। গুলিবিদ্ধ হওয়ার আধা ঘণ্টা পর প্রেসিডেন্ট কেনেডিকে মৃত ঘোষণা করা হয়। গুরুতর আহত হলেও প্রাণে বেঁচে যান গভর্নর কনালি। আততায়ীর গুলিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি নিহত হয়েছেন — এ খবরে শুধু আমেরিকাই নয়; সারা বিশ্বের জন্য শোকের ছায়া নেমে আসে।

আরও পড়ুন:

হত্যাকারী লি হার্ভি অসওয়াল্ড:

আরও পড়ুন:

একটি উঁচু ভবন থেকে প্রেসিডেন্ট কেনেডিকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছিল আততায়ী। ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এই হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন হয়। গ্রেপ্তার হয় ঘাতক ২৪ বছর বয়সী সাবেক মেরিন সেনা লি হার্ভি অসওয়াল্ড। তাঁর বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ আনা হয়। কিন্তু ঠিক কী ঘটেছিল, সে সম্পর্কে অসওয়াল্ডের বক্তব্য কেউ জানার সুযোগ পায়নি। কারণ, গ্রেপ্তার হওয়ার দুই দিন পরই এক নৈশক্লাবের মালিক জ্যাক রুবি ডালাসের পুলিশ সদর দপ্তরে ঢুকে সেখানকার বেসমেন্টে একেবারে সামনে থেকে গুলি করে অসওয়াল্ডকে হত্যা করেন।
ওই সময় পুলিশ অসওয়াল্ডকে আদালতে নিয়ে যাচ্ছিল, টেলিভিশনে সরাসরি তা দেখানো হচ্ছিল। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ রুবিকে গ্রেপ্তার করে। পরে বিচারে তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। এই রায়ের বিরুদ্ধে রুবি আপিল করলে তাঁর সাজা বাতিল হয় এবং নতুন করে বিচার শুরু হয়। বিচার চলাকালে রুবি অসুস্থ হয়ে পড়েন, তাঁর ক্যানসার ধরা পড়ে। বিচার কার্যক্রম শেষ হওয়ার আগেই রুবি মারা যান ১৯৬৭ সালের ৩ জানুয়ারি। অসওয়াল্ড নিহত হওয়ায় কেনেডি হত্যাকাণ্ড ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হয়। হত্যাকাণ্ড ঘিরে অনেক ধরনের ষড়যন্ত্র তত্ত্ব উঠে আসে।

আরও পড়ুন:

John F. Kennedy assassination conspiracy theories - Wikipedia

ষড়যন্ত্রের তত্ত্ব:

আরও পড়ুন:

২০২২ সালে কেনেডির হত্যাকাণ্ড নিয়ে এক প্রতিবেদনে বলা হয়, আমেরিকার মতো একটি শীর্ষ দেশের প্রেসিডেন্টকে হত্যা করা হল, আর সন্দেহভাজন হত্যাকারী ধরা পড়ার পর পুলিশ হেফাজতে থাকা অবস্থায় দুই দিনের মাথায় তাঁকেও একেবারে সামনে থেকে গুলি করে মারা হল, বিষয়টি অবিশ্বাস্য বলে মনে হয়েছে। এছাড়া সন্দেহভাজন হত্যাকারী অসওয়াল্ডকে ঘিরেও ছিল অনেক প্রশ্ন। কেনেডি হত্যাকাণ্ড নিয়ে দ্রুত অনেক ষড়যন্ত্র তত্ত্ব ছড়াতে থাকে। কারণও ছিল। প্রথমত, প্রেসিডেন্ট কেনেডি ছিলেন অসম্ভব জনপ্রিয়। দ্বিতীয়ত, এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছিল যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে স্নায়ুযুদ্ধের উত্তেজনা চলাকালে। কেনেডি হত্যার পর যেকোনো সময় পরমাণু যুদ্ধ শুরুর আশঙ্কা করা হচ্ছিল।
কেনেডি হত্যা-রহস্য উদ্ঘাটনে মার্কিন সরকারের নিয়োগ করা কমিশন তদন্তের পর বলেছিল, অসওয়াল্ড একাই এ কাজ করেছেন, তাঁর সঙ্গে কেউ ছিলেন না। এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে বড় কোনো ষড়যন্ত্রের কথা কমিশন নাকচ করে দেয়। কিন্তু কমিশন অনেক প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেনি। লি হার্ভি অসওয়াল্ড কেনেডি হত্যাকাণ্ডের আগে বেশ কিছু সময় সোভিয়েত ইউনিয়নে ছিলেন। বলা হয়, তিনি সোভিয়েতের পক্ষ অবলম্বন করেছিলেন। তবে কেনেডি হত্যাকাণ্ডের আগের বছর তিনি মার্কিন মুলুকে ফিরে আসেন। কোনো কোনো ষড়যন্ত্র তত্ত্বে দাবি করা হয়, সোভিয়েত ইউনিয়ন ও কিউবার পক্ষ হয়ে এ কাজ করেছেন অসওয়াল্ড। আরেক তত্ত্বে দাবি করা হয়, এর পেছনে মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ-র হাত ছিল। এমনকি কেউ কেউ তো কেনেডি হত্যাকাণ্ডের পেছনে তাঁরই ভাইস প্রেসিডেন্ট লিন্ডন বি জনসনের হাত থাকা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেন। তিনিই নাকি প্রেসিডেন্টকে সরিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্রে ছিলেন।
২২ নভেম্বর প্রেসিডেন্ট কেনেডির মৃতদেহ লাভফিল্ড বিমানবন্দর নিয়ে এসে এয়ারফোর্স ওয়ানে রাখা হয়। মৃতদেহ নিয়ে আকাশে ওড়ার আগেই ভিড়ে ঠাসা কেবিনের ভেতরেই ৩৬তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন লিন্ডন বি জনসন। বেলা ২টা ৩৮ মিনিটে জনসনকে শপথবাক্য পাঠ করান মার্কিন ডিস্ট্রিক্ট আদালতের বিচারক সারাহ হিউজ। সিআইএ এবং এফবিআই আগে থেকে এ রকম এক হুমকির ব্যাপারে কতটা জানত, তা নিয়েও অনেক প্রশ্ন আছে। অনেকের বিশ্বাস, কেনেডির ওপর গুলি চালিয়েছিলেন একজন নয়, দু-জন বন্দুকধারী।

আরও পড়ুন:

Assassination of John F. Kennedy - Wikipedia

প্রত্যক্ষদর্শীর স্বীকারোক্তি:

আরও পড়ুন:

২২ নভেম্বর জন এফ কেনেডি গুলিবিদ্ধ হওয়ার সময় তাঁর কাছ থেকে মাত্র কয়েক ফুট দূরে অবস্থান করছিলেন মার্কিন গোয়েন্দা পল ল্যান্ডিস। কেনেডির লিমুজিনের পেছনের গাড়িতেই তিনি ছিলেন। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্ক টাইমস-কে সাক্ষাৎকারে ল্যান্ডিস কেনেডি হত্যাকাণ্ড নিয়ে ওয়ারেন কমিশনের দেওয়া ‘একক বুলেট তত্ত্ব’কে চ্যালেঞ্জ করেন। ওয়ারেন কমিশনের ওই তত্ত্বে বলা হয়, একটি গুলিই প্রেসিডেন্ট কেনেডির মাথা ও ঘাড়ে আঘাত করে বেরিয়ে গভর্নর কনালির পিঠ, কবজি ও ঊরুতে আঘাত করে। গুলি কনালির পিঠ দিয়ে প্রবেশ করে তাঁর ফুসফুসে আঘাত করেছিল। একটি গুলি কীভাবে সাতটি ক্ষত তৈরি করে, তা নিয়ে এখনো বিশ্বাসযোগ্য কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
হত্যাকাণ্ডের তদন্তে থাকা ওয়ারেন কমিশন কখনোই ল্যান্ডিসের সাক্ষাৎকার নেয়নি। ল্যান্ডিস নিজেও কখনো এ বিষয়ে সামনে এসে মুখ খোলেননি। প্রায় ৬০ বছর চুপ থাকার পর ৮৮ বছর বয়সী পল ল্যান্ডিস তাঁর স্মৃতিচারণামূলক বই নিয়ে প্রথম বিষয়টি সামনে আনেন। কেনেডির রহস্যময় হত্যাকাণ্ড নিয়ে ২০২৩ সালের অক্টোবরে প্রকাশ পায় ল্যান্ডিসের বই ‘দ্য ফাইনাল উইটনেস’। পল ল্যান্ডিস তাঁর বইয়ে ১৯৬৩ সালের ২২ নভেম্বরের ঘটনার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য বিবরণ দিয়েছেন। তবে ল্যান্ডিস বইয়ে লিখেছেন, তিনি কেনেডি হত্যা নিয়ে ষড়যন্ত্রতত্ত্ব প্রচার করতে চান না।

আরও পড়ুন:

President Kennedy Challenges NASA to Go to the Moon

যেমন ছিলেন প্রেসিডেন্ট কেনেডি:

আরও পড়ুন:

জন এফ কেনেডির পুরো নাম জন ফিটজেরাল্ড কেনেডি। ১৯৬১ সালের ২০ জানুয়ারি ৩৫তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে তিনি শপথ নেন। তখন তাঁর বয়স ছিল ৪৩ বছর। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সর্বকনিষ্ঠ নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট। অভিজাত ও মার্কিন রাজনীতিতে প্রভাবশালী পরিবার থেকে উঠে আসা জন এফ কেনেডি কেমন প্রেসিডেন্ট ছিলেন? অনেকের কাছে তিনি ছিলেন বহুমুখী গুণের অধিকারী ক্যারিশমাটিক নেতা। কেনেডি আমেরিকাকে ভিয়েতনাম যুদ্ধের বিভীষিকা থেকে বাঁচিয়েছেন। বর্ণবাদে বিভক্ত আমেরিকাকে এক সুতায় গাঁথতে কাজ করেছেন। ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারির হোতা রিচার্ড নিক্সনকে ১৯৬০ সালের নির্বাচনে পরাজিত করেছেন।
তবে নিন্দুকের কাছে কেনেডি ‘প্লেবয়’; যিনি হলিউড তারকা মেরিলিন মনরোর সঙ্গে গোপন সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন। তিনি ভিয়েতনাম যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্টতাকে দীর্ঘায়িত করেছেন। নাগরিক অধিকারকে তিনি রাজনৈতিক সমস্যা নয়; বরং নৈতিক সংকটের দৃষ্টি থেকে দেখে সমস্যার প্রকৃত কারণ অনুধাবনে ব্যর্থ হয়েছিলেন। এসব নিন্দুক মনে করেন, কেনেডির মৃত্যু তাঁকে ট্যাবলয়েড পত্রিকার রসালো শিরোনাম হওয়ার যাতনা থেকে রক্ষা করেছে। হলিউড তারকা মেরিলিন মনরো বা মাফিয়া জুডিথ ক্যাম্পবেলের সঙ্গে দহরম-মহরম তাঁকে এমন অবস্থায় ফেলতেই পারত।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, কেনেডি তাঁর আড়াই বছরের শাসনামলে নাগরিক অধিকার নিয়ে নানা কাজ করলেও ওই বয়সে বড় ধরনের কোনো সামাজিক পরিবর্তন চাননি। কারণ, তাঁর মনে ভয় ছিল, ওই বয়সে এত বড় কাজ করতে গেলে তাঁর দল ডেমোক্রেটিক পার্টি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

আরও পড়ুন:

Why We Still Don't Have the JFK Assassination Files - POLITICO

গোপন নথি প্রকাশ:

আরও পড়ুন:

কেনেডি হত্যার পর প্রেসিডেন্ট লিন্ডন বি জনসন এ হত্যাকাণ্ড তদন্তে একটি কমিশন গঠন করেন। কমিশনের প্রধান করা হয় সুপ্রিম কোর্টের তৎকালীন প্রধান বিচারপতি আর্ল ওয়ারেনকে। ১৯৬৪ সালে কমিশন এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয় যে, অসওয়াল্ড একাই কেনেডিকে হত্যা করেছেন। তাঁর সঙ্গে আর কারও জড়িত থাকার বিশ্বাসযোগ্য কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ১৯৯২ সালের ‘জেএফকে রেকর্ডস অ্যাক্ট’ নামের একটি আইনের অধীন ২০১৭ সালের মধ্যে প্রেসিডেন্ট কেনেডি হত্যাকাণ্ড নিয়ে সব গোপন নথি প্রকাশ করার কথা ছিল। সেই অনুযায়ী কয়েক বছর ধরে কয়েক দফায় হাজার হাজার পৃষ্ঠার গোপন নথি প্রকাশ করা হয়। চলতি বছর মার্চেও কেনেডির গুপ্তহত্যা নিয়ে দুই হাজারের বেশি গোপন নথি প্রকাশ করেছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন।
কেনেডি নিহত হওয়ার পর মার্কিন সরকার এ হত্যাকাণ্ড নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিয়েছিল, তা যে সঠিক নয়, নতুন প্রকাশিত নথিতে এর পক্ষে তেমন প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে স্নায়ুযুদ্ধ চলাকালে এ হত্যাকাণ্ড নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র যেসব গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করেছিল, প্রকাশিত নথি নতুন করে তাতে আলো ফেলেছে। এসব নথিতে কেনেডির হত্যাকারী সম্পর্কে বিস্তারিত গোয়েন্দা প্রতিবেদন পাওয়া গেছে। যদিও কেনেডি হত্যাকাণ্ডের পর ছয় দশকের বেশি পেরিয়ে গেছে, এখনো বেশির ভাগ মার্কিন এ হত্যাকাণ্ড নিয়ে সরকারি বয়ানে বিশ্বাস করেন না।
এ নিয়ে ২০২৩ সালে একটি জরিপ চালায় জরিপকারী প্রতিষ্ঠান গ্যালাপ। তাতে উঠে আসে, ওয়ারেন কমিশনের উপসংহার সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন ৬৫ শতাংশ মার্কিন। মার্চে প্রকাশিত নতুন নথিতে ওয়ারেন কমিশনের টানা উপসংহার ছাড়া তেমন নতুন কিছু সামনে আসেনি। তবে নতুন প্রকাশিত নথির মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া গেছে, কেনেডিকে হত্যার আগে মেক্সিকো সিটিতে অবস্থিত তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন ও কিউবার দূতাবাসে গিয়েছিলেন অসওয়াল্ড।
একটি নথিতে কিছু গোয়েন্দা প্রতিবেদন রয়েছে। সেসব প্রতিবেদনে অসওয়াল্ড কখন সোভিয়েত ইউনিয়নে গিয়েছিলেন, সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য রয়েছে। সেই নথি অনুযায়ী, চাকরি ও মার্কিন নাগরিকত্ব ছেড়ে ১৯৫৯ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নে পাড়ি জমান অসওয়াল্ড। তিন বছর পর ১৯৬২ সালে আবার তিনি যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে আসেন। ওই নথিতে সোভিয়েত গোয়েন্দা সংস্থা কেজিবির নিকোনভ নামে একজন গুপ্তচরের নাম রয়েছে। তিনি সোভিয়েত গোয়েন্দা সংস্থায় থাকা নথিপত্র পর্যালোচনা করে দেখেছেন, অসওয়াল্ড কখনো কেজিবির গুপ্তচর ছিলেন কি না।
মার্কিন সরকারের নজরদারিবিষয়ক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, অসওয়াল্ড যুক্তরাষ্ট্রে আবার ফিরে আসার পর তাঁর গতিবিধি নিবিড়ভাবে নজরদারি করেছিল মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। গত শতকের নব্বইয়ের দশকের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, অসওয়াল্ড গুলি চালানোর ক্ষেত্রে তেমন দক্ষ ছিলেন না বলে ধারণা করা হয়।
ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রথম মেয়াদে প্রেসিডেন্ট থাকাকালে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, এ হত্যাকাণ্ড–সম্পর্কিত সব নথি প্রকাশ করা হবে। কিন্তু সিআইএ ও এফবিআইয়ের অনুরোধে শেষ পর্যন্ত প্রকাশ করতে পেরেছিলেন মাত্র ২ হাজার ৮০০টি নথি। ট্রাম্পের পর জো বাইডেনের প্রশাসন আরও প্রায় ১৭ হাজার নথি প্রকাশ করে।

আরও পড়ুন
Copyright © Notun Poigam
Developed by eTech Builder