হিন্দু না থাকলে, পৃথিবীটাই থাকবে না: ভাগবত
নতুন পয়গাম,ইম্ফল, ২১ নভেম্বর:
দু’দিন আগে আসামে গিয়ে আরএসএস সুপ্রিমো মোহন ভাগবত বলেছিলেন, ভারতকে হিন্দু রাষ্ট্র ঘোষণার প্রয়োজন নেই। ভারত আর হিন্দু সমার্থক। এবার মণিপুরে গিয়ে বললেন, হিন্দুরা না থাকলে পৃথিবীর অস্তিত্বই থাকবে না। কয়েক মাস আগে তিনি বলেছিলেন, ভারতে যারা বসবাস করে, তারা সবাই হিন্দু। অর্থাৎ ওয়ান নেশন, ওয়ান রিলিজিয়ন। সেই জন্যই সংঘ পরিবার তথা বিজেপি চায় অভিন্ন দেওয়ানী বিধি। যার মানে হল এক দেশ এক আইন। এভাবেই তিনি ও তাঁর সংগঠন সবসময় হিন্দু ধর্ম নিয়েই ভাবনা চিন্তা ও গবেষণা করে থাকে। তাদের ঘোষিত এজেন্ডাই হল হিন্দুত্ববাদ। দেশ ও দশের কল্যাণ নিয়ে তাদের কোন মাথাব্যথা নেই। তাদের যত ভাবনাচিন্তা কেবল ধর্মের জিগির তুলে মেরুকরণ ও বিভাজন জিইয়ে রেখে ভোটব্যাঙ্ক এককাট্টা করে ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখা। পাশাপাশি সরকারের ব্যর্থতা ও দুর্নীতি থেকে মানুষের নজর ঘুরিয়ে রাখতে ধর্মের সুড়সুড়ি দেওয়া।
মণিপুর সফরে গিয়ে শুক্রবার তিনি বলেন, পৃথিবীকে টিকিয়ে রাখার মূলেই ছিল হিন্দু সমাজ। হিন্দুদের ছাড়া পৃথিবীর অস্তিত্বই থাকবে না। হিন্দু সমাজ অমর। গ্রিস, মিশর এবং রোম সাম্রাজ্যকেও হিন্দু সমাজ ছাপিয়ে গিয়েছে বলে জোরালো দাবি করেন ভাগবত। বিরোধীদের অভিযোগ, দীর্ঘ বছর দুয়েক পর জাতিগত হিংসা, হানাহানি, সংঘর্ষ, অশান্তির পরিবেশ কেটে সবে শান্তি ফিরতে শুরু করেছে মণিপুরে। এখন সেখানে গিয়ে হিন্দুত্বের মাহাত্ম্য তুলে ধরে কোন বার্তা দিতে চাইছেন ভাগবত। হিংসা কবলিত মণিপুরে গিয়ে এসব বলা মানে হিন্দুদের উসকানি দেওয়া এবং প্রতিপক্ষ খ্রিস্টান ও উপজাতিদের প্রতি বিদ্বেষ, বৈষম্য প্রকট করা।








