ক্লিনটনের বিরুদ্ধে তদন্তে ট্রাম্পের নির্দেশ
নতুন পয়গাম, ওয়াশিংটন:
যৌন নিপীড়নকারী কুখ্যাত মার্কিন ধনকুবের জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের কী সম্পর্ক ছিল, তা নিয়ে তদন্ত চইলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর এই আহ্বানের পর মার্কিন বিচার বিভাগ ক্লিনটনের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে। প্রয়াত এপস্টেইনের সঙ্গে ট্রাম্পের সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে মানুষের দৃষ্টি অন্যদিকে সরিয়ে দিতেই শুক্রবার ট্রাম্প ক্লিন্টনের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দেন।
ট্রাম্প বহুজাতিক বিনিয়োগ ব্যাংক ও আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান জে.পি মরগান চেজ এবং হার্ভার্ডের সাবেক প্রেসিডেন্ট ল্যারি সামারসের বিরুদ্ধেও বিচার বিভাগ ও এফবিআই তদন্তের দাবি করেছেন। ল্যারি সামারস ক্লিনটনের অর্থমন্ত্রী ছিলেন। সম্প্রতি যৌন নিপীড়ন ও নারী পাচারের দায়ে দোষী সাব্যস্ত এপস্টেইনের নতুন একগুচ্ছ ই-মেইল প্রকাশ পেয়েছে। সেখানে একাধিকবার ট্রাম্পের নাম এসেছে। এতে ট্রাম্পের ওপর চাপ বাড়ছে।
এপস্টেইনের প্রেমিকা ম্যাক্সওয়েল অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের যৌনকাজে লাগাতেন। ই-মেইলে দেখা গেছে, ট্রাম্প ওইসব তরুণী ও যুবতীদের সম্পর্কে জানতেন। শুধু তাই নয়, ট্রাম্প একজন কিশোরীর সঙ্গে তাঁর নিজের বাড়িতে কয়েক ঘণ্টা কাটিয়েছেন। উল্লেখ্য, ক্লিন্টনের সঙ্গে মনিকা লিউইনস্কির যৌন সম্পর্ক নিয়ে একদা তোলপাড় হয়েছিল আমেরিকা।

এপস্টেইনের প্রেমিকা ম্যাক্সওয়েল অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদেরও জোরপূর্বক যৌনকাজে সম্পৃক্ত করতেন। ই–মেইলে দেখা গেছে, ট্রাম্প ওই মেয়েদের সম্পর্কে জানতেন। শুধু তাই নয়, ট্রাম্প একজন কিশোরীর সঙ্গে তাঁর নিজের বাড়িতে কয়েক ঘণ্টা সময় কাটিয়েছেন। এছাড়াও ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অনেক মহিলা জোর করে শারীরিক সম্পর্ক, শ্লীলতাহানির মতো বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন অনেকবার। কিন্তু শেষমেষ সে সবের কিছুই হয়নি। অভিযোগকারীরা সুবিচার পায়নি।
শিশুদের যৌন নিপীড়ন ও নারী পাচারে দোষী সাব্যস্ত এপস্টেইন ২০১৯ সালের ১০ আগস্ট কারাবন্দী অবস্থায় আত্মহত্যা করেন। তাঁর প্রেমিকা ম্যাক্সওয়েলের ২০ বছরের কারাদণ্ড হয়েছে। তিনি বর্তমানে কারাগারে আছেন। এই কেলেঙ্কারিতে দেশ বিদেশের অনেক ধনী ও প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম এসেছে। ৭৯ বছর বয়সী ট্রাম্পের অভিযোগ, ডেমোক্র্যাটরা এপস্টেইন–কেলেঙ্কারিতে তাঁর নাম জড়ানোর ‘ষড়যন্ত্র’ করছে।








