ট্রাম্প বর্ণবাদী, ইসলামবিদ্বেষী: লন্ডনের মেয়র
লন্ডন, নতুন পয়গাম, ২৬ সেপ্টেম্বর:
আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও লন্ডনের মেয়র সাদিক খানের মধ্যে তুমুল বাকযুদ্ধ চলছে। একজন আরেকজনকে কটাক্ষ করে তীব্র আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছেন। মঙ্গলবার নিউইয়র্কে রাষ্ট্রসংঘের অধিবেশনে ভাষণে ট্রাম্প বলেন, লন্ডনে একজন ভয়ঙ্কর মেয়র আছেন। তার জন্যই ব্রিটেনের রাজধানী শহর পাল্টে গেছে। ওই মেয়রের কারণে লন্ডন শহর শরিয়াহ আইনে যেতে চায়।
লন্ডনের মেয়র সাদিক খানও পাল্টা ট্রাম্পকে তুলোধনা করে বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও প্রমাণ করলেন, তিনি একজন বর্ণবাদী এবং ইসলামবিদ্বেষী। বিবিসি-কে সাক্ষাতকারে সাদিক খান বলেন, মানুষ ভাবছে এমন কী আছে এই মুসলিম মেয়রের মধ্যে, যিনি উদার, বহুত্ববাদী সাংস্কৃতিক, প্রগতিশীল শহরের নেতৃত্বে রয়েছে। সাদিক এও বলেন, আমি সর্বদা ট্রাম্পের মাথার ভেতর থাকছি! এজন্য তিনি আমার কাছ থেকে ভাড়া না চেয়ে বসেন।
ট্রাম্পের ‘ভয়ঙ্কর মেয়র’ মন্তব্যের জবাবে সাদিক বলেন, আমি কৃতজ্ঞ যে রেকর্ড সংখ্যক আমেরিকান লন্ডন ভ্রমণে আসছেন। তার মতে, নানা মানদণ্ডে লন্ডন প্রায়ই ‘বিশ্বের এক নম্বর সাংস্কৃতিক শহর’ হিসেবে পরিচিত। সাদিককে সমর্থন করে ব্রিটিশ মন্ত্রী প্যাট ম্যাকফ্যাডেন বলেন, লন্ডনের মেয়র ও মার্কিন প্রেসিডেন্টের মধ্যে দ্বন্দ্ব অনেক দিনের। ট্রাম্প আগেরবার প্রেসিডেন্ট হয়ে ব্রিটেন সফরে এলে সাদিক তাকে গ্রেফতারের পরিকল্পনা করেছিলেন। যা নিয়ে খুব হইচই হয়েছিল। প্যাট বলেন, লন্ডন ‘শরিয়াহ আইনে যেতে চায়’ – ট্রাম্পের এই ধারণা ভিত্তিহীন। ব্রিটেনে শুধু ব্রিটিশ আইনই প্রযোজ্য, অন্য কোনো আইন নয়।








