আদানি-মামলা ও এপস্টেন ফাইলের চাপে বাণিজ্য চুক্তি: রাহুল
নতুন পয়গাম, নয়াদিল্লি: এপস্টেন ফাইল এবং আদানির বিরুদ্ধে মামলার চাপে আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তিতে সই করতে বাধ্য হয়েছে নরেন্দ্র মোদী সরকার। মঙ্গলবার এই মন্তব্য করেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ইন্দো-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির নামে ট্রাম্প যে দাবি করেছেন, তার মানে হল দেশের সাধারণ মানুষ এবং কৃষকদের ঘাম বিক্রি করেছেন প্রধানমন্ত্রী। উল্লেখ্য, চুক্তির বয়ান প্রকাশ করেনি কোনো পক্ষই। এদিন সকাল থেকেই বিষয়টি নিয়ে সংসদে আলোচনার দাবি তোলে বিরোধীরা। কিন্তু সরকার রাজি না থাকায় শেষমেশ এ বিষয়ে আলোচনা হয়নি। জানা গিয়েছে, শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গয়াল এ বিষয়ে বিবৃতি দিতে পারেন।
ঘটনার বিবরণে প্রকাশ, গত সপ্তাহেই আদানি গোষ্ঠীর কারচুপি নিয়ে শুনানির জন্য গৌতম আদানিকে সমন পাঠায় আমেরিকা। কিন্তু সেদেশের শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠানকে এই অনুমতি দেয়নি মোদী সরকার। এর আগেও আদানিকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর আবেদন ফিরিয়ে দিয়েছে ভারত সরকার। অভিযোগ, ভারতে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য আমেরিকার শেয়ার বাজারে নাকি টাকা তুলেছে আদানি গোষ্ঠী। মার্কিন মুলুকেও অভিযোগ ওঠে, বিভিন্ন স্তরে বিপুল ঘুষ দিয়ে বরাত হাসিল করতে নেমেছে আদানি গোষ্ঠী। ফলে শেয়ারের দাম আচমকা নেমে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়।
এদিন রাজ্যসভায় বিরোধীরা বাণিজ্য চুক্তির বয়ান প্রকাশের দাবি জানায়। এর পাল্টা বিজেপি’র প্রাক্তন সভাপতি এবং সাংসদ জেপি নাড্ডা বলেন, বিরোধীরা দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করছে না। এই প্রেক্ষিতে বিরোধীরা সরব হন গোপনে দেশের স্বার্থবিরোধী সমঝোতা সই করার অভিযোগ তুলে। ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার দাবি জানিয়ে সোমবার মধ্যরাতে টুইট করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
সেই সঙ্গে ট্রাম্প জানান ভারতের উপরে চাপানো শুল্ক ৫০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৮ শতাংশ করা হবে। এতে খুশি হয়ে বাণিজ্য চুক্তির উল্লেখ না করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভারতের বন্ধু সম্বোধন করে ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। ট্রাম্প দাবি করেছেন, রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করছে ভারত। এবার আমেরিকার কর্তৃত্বে ভেনেজুয়েলার তেল কিনবে ভারত।








