নিজেকে ভাল রাখতে হলে অনেক কিছুই সহ্য করতে হয়!
নিজেকে ভাল রাখতে হলে অনেক কিছুই সহ্য করতে হয়! নিজে ভাল থাকলে পৃথিবীকে খুবই সুন্দর মনে হবে এবং মৃত্যুর পরের জীবনটাও ভাল হবে, শুধু নিচের কথাগুলো মেনে চলুন, দেখুন পরিবর্তন আসবেই।
কথা হজম করতে শিখুন, এটা অনেক বড় গুণ, যা আপনাকে জিততে সহায়তা করবে! কথা না বাড়িয়ে নীরবে কাজ করে যান; আপনার কাজই আপনার হয়ে কথা বলবে। মন খারাপের কারণ অতীত, আর টেনশন-এর কারণ ভবিষ্যৎ। তার থেকে বরং বর্তমানকে উপভোগ করুন; আনন্দে বাঁচুন!
ঠেকতে ঠেকতে সোজা, সরল, ভাল মানুষটিও বুঝে যায়, কে তাকে সত্যিকার ভালবাসে, আর কে তাকে নিজ স্বার্থে ব্যবহার করে? আপনার সামনে যিনি আপনার প্রশংসা, আর অন্যের সমালোচনা করেন, একটু পরেই তিনি অন্যের কাছে গিয়ে আপনাকে নিয়েও একই কাজ করবেন!

পরম সমালোচনাকারী হচ্ছে, যিনি প্রতিনিয়ত আপনাকে আর্শীবাদ করেন ‘একজন’ হয়ে ওঠার জন্য..! সমালোচকরা নিঃসন্দেহে আপনার ভাল বন্ধু। বিনা পয়সায় ভুল ধরিয়ে দিতে সর্বদা তৎপর থাকেন, তাই তাদেরকে কখনো অবহেলা করবেন না! আপনি বরং বিনয়ী হন, মানুষকে সম্মান করুন, যথাযথ মর্যাদা ও গুরুত্ব দিন। একদিন সবকিছু বহুগুণ হয়ে আপনার কাছেই ফেরত আসবে!
কেউ যদি আমায় ঈর্ষা করে, আমি খুবই খুশি হই। কারণ, আমি বুঝতে পারি যে, আমি সঠিক কাজটাই করছি! আপনার কাজ বা কথা নিয়ে কেউ কোনো মন্তব্য করল না, তার মানে আপনি সঠিক জায়গায় নেই বা পৌঁছতে পারেননি। মানুষের জনপ্রিয়তার মাত্রা নির্ণয় হওয়া উচিত তার শত্রু ও সমালোচকের সংখ্যার ভিত্তিতে!
জিততে হলে কখনো কখনো হারতেও হয়। আজকের হারই হয়ত ভবিষ্যতে বড় বিজয় এনে দেবে। কখনো বোকার সঙ্গে তর্কে জড়াবেন না, এটা সময়ের অপচয়। সম্ভব হলে আপনি অন্যদেরকে জিতিয়ে দিন, জিতে গেছে ভেবে কেউ যদি খুশি হয়, আপনিও নীরবে একটু হেসে নিন। অন্যের সুখে সুখী হতে পারলে আপনি মহাসুখী।








