ধূপগুড়ির মায়ের স্থান কালী মন্দিরে সংঘটিত চুরি
প্রীতিময় সরখেল, নতুন পয়গাম, ধূপগুড়ি: ধূপগুড়ির মায়ের স্থান কালী মন্দিরে সংঘটিত চুরির ঘটনার পেছনে উত্তরপ্রদেশের একটি গ্যাং জড়িত থাকার জোরালো সন্দেহ করছে পুলিশ। ঘটনার ১৫ দিন পেরিয়ে গেলেও এখনও পর্যন্ত অধরা অভিযুক্তরা। উদ্ধার হয়নি মন্দিরের চুরি যাওয়া সোনা ও রুপোর মূল্যবান গহনা। এই পরিস্থিতিতে ক্ষোভে ফুঁসছে মন্দির কমিটি ও শহরবাসী। অভিযোগ, ঘটনার পর থেকে ধূপগুড়ি থানার পুলিশের তরফে শুধু আশ্বাসই মিলেছে, কিন্তু তদন্তে দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। সেই কারণেই মায়ের স্থান কালী মন্দিরের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্যদের সঙ্গে সাধারণ মানুষ একত্রিত হয়ে ধূপগুড়ি থানায় গিয়ে আইসি-র সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তাঁরা সরাসরি প্রশ্ন তোলেন চুরির ঘটনার এতদিন পরেও কেন অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি এবং কেন এখনও উদ্ধার করা যায়নি চুরি যাওয়া সোনা ও রুপোর গহনা।
মন্দির কমিটির দাবি, পুলিশের পক্ষ থেকে তাঁদের জানানো হয়েছে যে প্রাথমিক তদন্তে স্থানীয় কোনও গ্যাং এই চুরির ঘটনার সঙ্গে যুক্ত নয়। বরং পুলিশের অনুমান, এই চুরির পেছনে উত্তরপ্রদেশের কোনও দুষ্কৃতী চক্র কাজ করেছে। সেই সূত্র ধরেই উত্তরপ্রদেশে একটি বিশেষ পুলিশ দল পাঠানো হয়েছে বলে সূত্রের খবর। তবে ঘটনার ১৫ দিন পরেও কোনও গ্রেফতারি বা উদ্ধার না হওয়ায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। মন্দির কমিটি ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, বড় ধরনের চুরির ঘটনার পরেও তদন্তের গতি অত্যন্ত ধীর, যা জনমনে আতঙ্ক ও অবিশ্বাস তৈরি করছে। শহরবাসীর একাংশের বক্তব্য, ধর্মীয় স্থানে এ ধরনের চুরির ঘটনার দ্রুত সমাধান না হলে মন্দিরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং পুলিশের কার্যকারিতা নিয়ে মানুষের আস্থা আরও নড়বড়ে হয়ে পড়বে। দ্রুত দোষীদের গ্রেফতার এবং চুরি যাওয়া সম্পত্তি উদ্ধারের দাবিতে সরব হয়েছে গোটা ধূপগুড়ি।
মন্দির কমিটির সদস্য, সাধন পাল বলেন, মন্দিরের চুরি হওয়ার প্রায় ১৫ দিন হয়ে গেলও এখনো পর্যন্ত কোনো কিনারা করতে পারেনি পুলিশ। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে লোকাল কোন চোরের গ্যাং এই ঘটনার ঘটায়নি । লোকাল সমস্ত চোরের গ্যাংদের ধরে তদন্ত করা হয়েছে। পুলিশের তরফ থেকে জানানো হয়েছে উত্তর প্রদেশের কোনো চোরের গ্যাঙের এই চুরির ঘটনা ঘটিছে বলে অনুমান। তবে দ্রুত যদি পুলিশ মন্দিরে চুরি যাওয়া সামগ্রী এবং চোরকে ধরতে না পারে, তাহলে আমরা মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে বৃহত্তর আন্দোলনে নামবো।








