নতুন বছরেও জিইয়ে থাকলো পুরনো ঝামেলা, ফেডারেশনকে পাল্টা শর্ত চাপাল ক্লাবজোট
নতুন পয়গাম, নিজস্ব সংবাদদাতা: বছর বদলালেও,বদলালো না পরিস্থিতি। ক্লাব বনাম ফেডারেশন চাপানউতোর অব্যাহত। আইএসএলে অংশগ্রহণ করা নিয়ে ক্লাবগুলিকে চিঠি দিয়ে ২৪ ঘন্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল।ক্লাবগুলিও জবাব দিয়ে দিল।তবে তাতে জট খোলার বদলে,আরও পাকিয়ে গেল।
বুধবার ক্লাবজোট পাল্টা ই-মেল পাঠিয়ে পরিষ্কার জানিয়ে দিল,তাদের দাবি না মানলে মাঠে বল গড়ানো অনিশ্চিত। উল্লেখ্য, ১৪ টি ক্লাব ও ফ্র্যাঞ্চাইজির জোটে মোহন বাগান, ইস্টবেঙ্গল ও মহমেডান স্পোর্টিংয়ের সই রয়েছে।
ক্লাবজোটের দাবিগুলো ঠিক কী? তাদের দাবি-
চলতি মরশুমে কোনও পার্টিসিপেশন ফি নেওয়া চলবে না।
পাশাপাশি ম্যাচ আয়োজন ছাড়া অন্যান্য কোনও খরচ বহন করতে নারাজ ক্লাবজোট।
এখানেই শেষ নয়,
কমার্শিয়াল পার্টনার, টেলিকাস্ট পার্টনার দ্রুত নিশ্চিত করতে হবে।এছাড়া স্টেডিয়াম বুকিং, প্র্যাকটিস মাঠ ভাড়ার মতো আনুষাঙ্গিক খরচ কমাতে কেন্দ্রীয় সরকারকে উদ্যোগ নিতে অনুরোধও করেছে জোট। ই-মেলের বয়ান দেখে অনেকেই ধারণা, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় শিলমোহর পড়লে ক্লাব ও ফ্র্যাঞ্চাইজি প্রতিনিধিরা কিছুটা নরম হতে পারেন। জোটের চিঠি প্রকাশ্যে আসার পর ফেডারেশন কী ভাবছে? সূত্রের খবর, কমার্শিয়াল পার্টনার পেতে দ্রুত দরপত্র বাজারে ছাড়া হবে। শর্তাবলী পছন্দ হলে এফএসডিএল টেন্ডার কিনতেও পারে। অন্যথায় চাতক পাখির মতো অপেক্ষায় থাকা ছাড়া উপায় নেই। আসলে ফেডারেশন সভাপতির সঙ্গে কোনও আলোচনাতেই নারাজ এফএসডিএল। সম্পর্ক প্রায় তলানিতে। ওদিকে আদালতের রক্ষাকবচ, কল্যাণ চৌবের হাতিয়ার। এটুকু পরিষ্কার, প্রভাব বা সম্পর্ক কাজে লাগিয়ে কোনও স্পনসর বা কমার্শিয়াল পার্টনার আনতে ব্যর্থ তিনি। চেয়ার আঁকড়ে পড়ে থাকাই লক্ষ্য। ইগোর লড়াইয়ে কোচ, ফুটবলাদের ভবিষ্যৎ কুয়াশায় ঢাকা।
দেখা যাক নতুন বছরে কল্যান চৌবে ভারতীয় ফুটবলে কোনো কল্যান বয়ে আনতে পারে কিনা!








