তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের মূর্তি বসানো নিয়ে বিতর্ক
খান সাহিল মাজহার, নতুন পয়গাম, বীরভূম:
সিউড়ি জেলা সংশোধনাগার কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে বীরভূমের বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের মূর্তি বসানো হয়েছে সংশোধনাগারের দিকে মুখ করে। যা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে সিউড়িতে।
তারাশঙ্কর স্মৃতি স্মারক সমিতির সভাপতি দেবাশীষ মুখার্জী অভিযোগ করেন, “তারাশঙ্করের যে মূর্তি তৈরি করা হয়েছে তা তার কোন ছবির সাথে মেলে না, পাঞ্জাবির বোতাম থেকে শুরু করে চোখের গঠন চোখ কপাল কোন কিছু সাথেই মিল নেই। এটা একটা নান্দনিক পুতুল হয়েছে। তারাশঙ্করের মূর্তি প্রতিষ্ঠা হচ্ছে তার পরিবারকে আমন্ত্রণ জানানো উচিত ছিল। তারা আমাকে ব্যক্তিগতভাবে অভিযোগ করেছেন। কারাগার মানে তো সংশোধনাগার, সংশোধনাগারের উচ্চপদস্থ কর্মীরা যদি অসংশোধিত হয়ে থাকে তাহলে তারা কি সংশোধন করবেন জানিনা।”
তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের যে মূর্তি বসানো হচ্ছে সেটা সেটা বসানো হয়েছে সিউড়ি জেলা সংশোধনাগারের দিকে মুখ করে। তারাশঙ্করের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করতে গিয়ে বিপরীতমুখী মূর্তি কি বার্তা বহন করে তা আপনাদের কাছে আর বলতে হবে না। এই বিষয়টি মাননীয় জেলাশাসক ঠিক বুঝে উঠতে পারেননি বলেই মনে করি। কারাগার বিভাগের উচ্চপদস্থ ব্যাক্তিরাও তাকে সচেতন করেননি।
রাজ্য কারা দপ্তরের এডিজি লক্ষীনারায়ণ মিনা অবশ্য বলেন মহাপুরুষদের চোখ সবদিকেই থাকে। অন্যদিকে তারাশঙ্করের ছবির সাথে মূর্তির বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই যে মিল নেই বলে অভিযোগ উঠেছে। সে প্রসঙ্গেও এডিজি বলেন ছবির সাথে ১০০% মিল একজন শিল্পীর পক্ষে সব সময় সম্ভব হয় না।
মঞ্চ থেকেই দেবাশীষ মুখার্জির বক্তব্যের পাল্টা জবাব দেন সরকারি আইনজীবী মলয় মুখার্জি। তিনি বলেন আপনার জানা নেই কি জন্য মূর্তিটা সংশোধনাগারের দিকে মুখ করে বসানো আছে কারণ তার পাশেই রয়েছে প্লাগ হোস্টিং এর জায়গা। আপনারা এত লেখালেখি করে তো কিছু করতে পারেননি। এই জেলাশাসকের আমলেই মূর্তিটা বসানো হলো।








