কোচ হিসাবেও সফল! হাওড়া-হুগলী ওয়ারিয়র্সকে খেতাব জেতালেন ব্যারেটো।
নতুন পয়গাম, এম.রহমান, কল্যানী: খেলোয়াড়ি জীবনে জিতেছেন অসংখ্য খেতাব। একটা সময় মোহনবাগান সমর্থকরা ছড়া কাটতেন- ‘শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষা; ব্যারেটোই ভরসা’।
সেই ব্যারেটো এবার কোচ হিসাবেও ভরসার প্রতীক হয়ে উঠছেন। প্রথম মরসুমেই তাঁর প্রশিক্ষণাধীন দলকে করলেন চ্যাম্পিয়ন। অতিরিক্ত সময়েও ম্যাচের স্কোরলাইন ছিল ২-২। অনেকেই ধরে নিয়েছিলেন বেঙ্গল সুপার লিগ ফাইনালের ফয়সালা হবে টাই-ব্রেকারে। ঠিক তখনই গুরু ব্যারেটোর পেপ টক এবং কর্নার পেল হাওড়া-হুগলি ওয়ারিয়র্স। কৌস্তুভ দত্তের শট সরাসরি জালে আছড়ে পড়লো জালে। ফলে মালদহ-মুর্শিদাবাদের রয়্যাল সিটিকে ৩-২ ব্যবধানে হারিয়ে অভিষেকেই চ্যাম্পিয়ন হোসে রামিরেজ ব্যারেটোর দল।চলতি টুর্নামেন্টে দুরন্ত ফুটবল উপহার দিয়েছে এই দুই দল। এদিন ম্যাচের ৩৪ মিনিটে ব্যারেটো ব্রিগেড লিড নেয়। কর্নার থেকে হেডে লক্ষ্যভেদ সেইলা তোরের (১-১)। বিরতির আগেই রয়্যাল সিটিকে সমতায় ফেরান সুখচাঁদ কিস্কু (১-১)। দ্বিতীয়ার্ধে পরের পর নাটক। ৫৬ মিনিটে দীপ গায়েন ফের এগিয়ে দেন হাওড়া-হুগলি ওয়ারিয়র্সকে (২-১)।
কিন্তু প্রতিপক্ষ গোলরক্ষকের সঙ্গে সংঘর্ষে নাকে আঘাত পান তিনি। মাঠ থেকেই অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয় তাঁকে। এরপর ম্যাচের সংযোজিত সময় দুরন্ত প্রতি-আক্রমণে ফের রয়্যাল সিটিকে সমতায় ফেরান মহম্মদ সুমিত (২-২)। এরপর হাওড়া-হুগলির একটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয়। ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। শেষপর্বে নায়ক হয়ে উঠলেন কৌস্তুভ (৩-২)। প্রায় দেড়মাসব্যাপী টুর্নামেন্টে ব্যারেটোর দল ধারাবাহিকতা দেখিয়েছে। কোচের ভূমিকায় ব্রাজিলিয়ান তারকা টেক্কা দিলেন বাকিদের। ১১টি গোল করে টুর্নামেন্টের সর্বাধিক স্কোরার পাওলো সিজার (হাওড়া-হুগলি) ও রিচমন্ড (সুন্দরবন)। টুর্নামেন্টের সেরা গোলরক্ষক রয়্যাল সিটির সৌরভ সামন্ত। গোল্ডেন গ্লাভস পেলেন তিনি। যৌথভাবে গোল্ডেন বলের সম্মান পান আদর্শ তামাং (হাওড়া-হুগলি) ও আদেমা (রয়্যাল সিটি)। টুর্নামেন্টের সেরা উদীয়মান ফুটবলার আমন যাদব। তবে সব আলোচনার কেন্দ্রে এখন ‘কোচ’ ব্যারেটো।








