মুশকিল আসান করবে রাজ্যের পোর্টাল মিলবে জমি-বাড়ির তথ্য, পুরনো দলিলও খুঁজে দেবে এআই
নতুন পয়গাম, কলকাতা, ৬ সেপ্টেম্বর: কেন্দ্র সরকার একের পর এক এমনসব আইন করছে যাতে সাধারণ মানুষ উদভ্রান্তের ম তো কেবল ছুটে মরছে। একের পর এক কাগজ, নথিপত্র জোগাড় করতে হিমশিম খেয়ে যাচ্ছে মানুষ। একটার সঙ্গে আরেকটার লিংক, অমুক সালের দলিল দস্তাবেজ খুঁজে পেতে হয়রাম হয়ে যাচ্ছে। এমতাবস্থায় মুশকিল আসান হতে চলেছে রাজ্য সরকারের পোর্টাল।
জমি-বাড়ি কিনতে গেলে প্রথমেই খোঁজ পড়ে চেইন ডিড-এর। অর্থাৎ, আগে ভালভাবে জানতে হয়, অতীতে ওই জমি বা বাড়ির মালিকানা কার বা কাদের ছিল এবং কখন কীভাবে মালিকানা হস্তান্তর বা বদল হয়েছে। সরকারি তথ্যভাণ্ডারে জমিটির অস্তিত্ব আদৌ আছে কি না ইত্যাদি। এক্ষেত্রে ১৯৮৫ সালের পরবর্তী তথ্য অনলাইনে পাওয়া যায়। কিন্তু তার আগের দলিল-সহ যাবতীয় নথি বা তথ্য পেতে গেলে রেজিস্ট্রি অফিসে টাকা দিয়ে সার্চিং করাতে হয়। এবার এই হয়রানির দিন শেষ হতে চলেছে। এবার থেকে জমি-বাড়ির পুরনো যাবতীয় রেকর্ড বা অতীত মালিকানার যাবতীয় তথ্য সংবলিত দলিল মিলবে এক ক্লিকেই। অর্থদপ্তরের আওতাধীন ‘ডাইরেক্টরেট অব রেজিস্ট্রেশন এবং স্ট্যাম্প ডিউটি’র নির্দিষ্ট পোর্টালে মিলবে এসব তথ্য। এই অভিনব প্রক্রিয়ায় এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্য নেওয়া হচ্ছে।
১৯৮৫ সাল থেকে এখনও পর্যন্ত যত জমি-বাড়ির রেজিস্ট্রেশন হয়েছে, সেই সমস্ত দলিল ডিজিটাইজেশন করেছে রাজ্য সরকার। এসব দলিলের ছবি সংরক্ষিত রয়েছে অনলাইন তথ্যভাণ্ডারে। ফলে এই সময়কাল পর্যন্ত দলিলের কপি সহজেই পাওয়া যায়। এবার দ্বিতীয় ধাপে ১৯৮৫ সালের আগের সমস্ত দলিল ডিজিটাইজেশনের কাজ শুরু করছে রাজ্য। জানা গিয়েছে, দু’টি ধাপে এই কাজ হবে। প্রথমে ১৯৭০-৮৫ পর্যন্ত এবং তারপর হবে ১৯৭০-এর আগের দলিলগুলি। এসব কাজে এআই-এরর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকছে। বহু পুরনো হওয়ার কারণে এসব দলিলের অবস্থা এমনিতেই খারাপ। জরাজীর্ণ হয়ে গিয়েছে হলদেটে কাগজ। তাছাড়া, অধিকাংশ দলিলই হাতে লেখা। ফলে ম্যানুয়ালি এসব নথি ডিজিটাইজেশন করাতে প্রচুর সময় লাগবে। তাই ১৯৮৫ সালের আগের দলিল ডিজিটাইজেশনের জন্য আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) কাজে লাগানো হবে।








