“সৃজন” এর উদ্যোগে তিন দিনের নাট্য উৎসব ও সংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা
নতুন পয়গাম, সঞ্জয় মন্ডল, বাঁকুড়া: বাঁকুড়া জেলার বড়জোড়া ব্লকের একটি প্রাচীন জনপদ পুষ্করন্যা অধুনা পখন্না । জেলার মানচিত্রে পখন্না সংষ্কৃতি চর্চা ও ফুটবল ও বিভিন্ন খেলাধূলার উৎকর্ষতায়চরম শীর্ষে নিজের জায়গা দখল করে রেখেছিল দীর্ঘ সময়।কিন্তু সেই বাতাবরণ এখন আর নেই ।মুল্যবোধ হীন দুর্বল যাপনে বাসা বেঁধে ছে নীতিহীনতার গভীর অসুখ। এই সব কিছুর মাঝেও ” সৃজন” নাট্য প্রশিক্ষন ও চর্চার আন্তরিক প্রয়াস ও প্রচেষ্টায় অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে আয়োজিত হল তিনদিনের নাট্য উৎসব ও সাস্কৃতিক প্রতিযোগিতা।শীত ও প্রচন্ড ঠান্ডা হওয়া কে উপেক্ষা করেই পখন্না ও আশপাশের বহু মানুষ ভিড় জমায় নাটক দেখার জন্য।আয়োজক সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে বিদ্রোহী কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য, সঙ্গীত জগতের তথা গণ সঙ্গীত এর প্রবাদ প্রতীম ব্যা ক্তিত্ব সলিল চৌধুরী এবং আন্তর্জাতিক নাট্যবিশারদ বদল সরকারও কালশ্রেষ্ট চিত্র পরিচালক ঋত্বিক ঘটকের জন্ম শতবর্ষে তাদের প্রতি শ্রদ্ধা ও স্মরণ ও সম্মান জানানোর জন্যই তাদের এই সাস্কৃতিক শ্রদ্ধাঞ্জলি। এই নাট্য উৎসবে তিন দিনে মোট সাতটি নাটক মঞ্চস্থ হয়প্রথম দিনের দ্বিতীয় নাটক “ছন্দপতন ,”দ্বিতীয় দিনের দ্বিতীয় নাটক “বন্ধন হীন গ্রন্থি” এবং শেষ দিনের দ্বিতীয় নাটক ” নিশিকুটুম্ব” এবং শেষ নাটক ” শুভারম্ভ” দর্শক মনকে ছুঁয়ে গেছে। এছাড়াও সৃজনের নিজস্ব নাটক ” চাক ভাঙ্গা মধু” এবং ” স্যুটকেশ” দর্শক মনকে নাড়া দিয়েছে। ” সৃজন ” এর সভাপতি অরুন পাল, সম্পাদক শিবপ্রসাদ রায় এবং “সৃজন ” অন্তর আত্মা তথা বিশিষ্ট নাট্য কর্মী ,অভিনেতা ,পরিচালক উৎপল ভট্টাচার্য জানান যেভাবে প্রচন্ড শীত কে উপেক্ষা করেও মানুষ নাটক দেখতে এসেছে তাতে করে তাদের পরিশ্রম এবং উদ্দেশ্য দুটোই সফল হয়েছে। উৎপল ভট্টাচার্য আরো জানান এই সংস্কৃতিক অনুষ্ঠান কে সফল করার ক্ষেত্রে এলাকার বহু মানুষ নানা ভাবে তাদের সাহায্য করেছে, এবং তারা আশাবাদী আগামী দিনেও মানুষকে সাথে নিয়েই তারা এলাকার সাংস্কৃতিক পরিবেশকে আরো সমৃদ্ধ করে তুলতে পারবে।








