শীঘ্রই পুতিন-জেলেনস্কি বৈঠক
শীঘ্রই পুতিন-জেলেনস্কি বৈঠক
সুইজারল্যান্ডে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা প্রস্তাব
নতুন পয়গাম, ওয়াশিংটন, ১৯ আগস্ট: খুব শীঘ্রই ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। মহ্গলবার এমনই বার্তা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। জানা গিয়েছে, সেক্ষেত্রে প্রথমে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন পুতিন-জেলেনস্কি। তারপর ট্রাম্পের উপস্থিতিতে ত্রিপাক্ষিক আলোচনা হতে পারে। এ ব্যাপারে জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক শেষে পুতিনকে ফোনে এমনই প্রস্তাব দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
উল্লেখ্য, শুক্রবার পুতিনের সঙ্গে আমেরিকার আলাস্কায় বৈঠক করেন ট্রাম্প। তার তিনদিন পর সোমবার হোয়াইট হাউসে জেলেনস্কির সঙ্গে আলোচনায় বসেন ট্রাম্প। পরে ইউরোপীয় রাষ্ট্রপ্রধানরাও সেই বৈঠকে যোগ দেন। সোমবারের সেই বহুমুখী বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রঁ, ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার-সহ ইউরোপের অন্যান্য কয়েকটি দেশের বিদেশমন্ত্রী বা কূটনৈতিক প্রতিনিধি।
শান্তি স্থাপন থেকে শুরু করে নিরাপত্তা — একাধিক বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে বিস্তারিত কথাবার্তা হয়। সেখানে কোনও পূর্ব শর্ত ছাড়াই পুতিনের সঙ্গে মুখোমুখি বৈঠকের ব্যাপারে রাজি হন জেলেনস্কি। সুইজারল্যান্ডে এই বৈঠক করার প্রস্তাব দিয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট। এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেছেন, ‘নিরপেক্ষ দেশেই বৈঠক হবে। খুব সম্ভবত সুইৎজারল্যান্ডের জেনেভায়।’
সোমবারের বৈঠকে জেলেনস্কির দেশ ইউক্রেনকে নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দেন ট্রাম্প। মঙ্গলবার ব্রিটেন ও ফ্রান্সের বৈঠকেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে পুতিনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্ট। এরপর দেশের বাইরে একাধিক বৈঠক-সম্মেলনে হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট। তবে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে পুতিনকে যাবতীয় রক্ষাকবচ দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন সুইস বিদেশমন্ত্রী ইগনাজিও কাসিস।
ট্রাম্পের সর্বশেষ বার্তা সম্পর্কে রুশ বিদেশমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ বলেছেন, শীর্ষ নেতাদের সাক্ষাতের বিষয়টি অত্যন্ত যত্ন নিয়ে দেখা উচিত। তবে জেলেনস্কির সঙ্গে পুতিনের বৈঠক নিয়ে নিশ্চিত কিছু জানাননি তিনি। গত শুক্রবার আলাস্কা বৈঠকে ট্রাম্পকে মস্কো সফরের আমন্ত্রণ জানান রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন। এদিন সেকথাও মনে করিয়ে দিয়ে ল্যাভরভ বলেন, ‘আলাস্কায় সাংবাদিক বৈঠকে আমন্ত্রণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছিলেন প্রেসিডেন্ট পুতিন। ট্রাম্প এ বিষয়ে উৎসাহ দেখিয়েছেন।
মঙ্গলবার অবস্থান স্পষ্ট করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আশা করছি প্রেসিডেন্ট পুতিন ভাল আচরণ করবেন। অন্যথায় পরিস্থিতি খারাপ হতে পারে। জেলেনস্কিকেও একটু নরম হতে হবে। ইউক্রেন প্রচুর জমি ফিরে পাবে। তবে ওদের ন্যাটোর সদস্যপদ চাওয়া উচিত হয়নি।








