প্রাথমিকে ৩২ হাজারের চাকরি বহাল প্রসঙ্গে- পূর্বের রায় ছিল অমানবিকঃ কল্যাণ
আব্দুল গফফার, নতুন পয়গাম, হুগলিঃ
যে মানুষের মানবিকতা নেই, সেই মানুষ হলো মনুষত্ববিহীন। প্রাথমিকে চাকরি বহাল সম্পর্কে এই মামলার রায়ের ছত্রে ছত্রে বলা আছে, দুর্নীতি প্রমাণ হয়নি। ডিভিশন বেঞ্চের রায়ে আরও একটা কথা বলা হয়েছে, ইনোভেটিভ আইডিয়া নিয়ে কখনো মামলার বিচার হয় না। অভিজিৎ গাঙ্গুলী একটা ইনোভেটিভ আইডিয়া হয়ে গিয়েছিলেন। যারা সুযোগ পায়নি, যাদের মেধা তালিকায় নাম আসেনি, তাদের জন্য পূর্বতন বিচারক অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় দরজা খুলে দিয়েছিল আর এদের চাকরি খেয়ে নিয়েছিল। মানে বামের লোকেরা আসবে চাকরি করবে আর সাধারণ মানুষ কেউ চাকরি করবে না।
রবিবার এক সাক্ষাৎকারে সোনালী বিবি কে দেশে ফেরানো প্রসঙ্গে তিনি বলেন এটাও একটা মানবিকতা। বাম উঠে যাওয়ার কারণই হল ওদের মানবিকতা উঠে গেছিল। সিঙ্গুর আন্দোলন, কৃষকদের আন্দোলন ছিল।সেখানে মানবিকতার প্রশ্ন ছিল। সেই মানবিকতার প্রশ্নটাকে বুদ্ধ বাবু কখনো দেখেনি, বামেরা কখনো দেখেনি। আজ সেই কারণে বাম শূন্য হয়ে গেছে। ওরা যত বলবে মানুষের কাছ থেকে ওরা শূন্য থেকে আরো শুন্যে চলে যাবে। এখন যেটা হচ্ছে যারা যোগ্য এবং নতুন তাদের চাকরি দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। আর ওরা সব ভুলিয়ে দিতে চাইছে। চাইছে শুধু বামপন্থীরা যাতে চাকরি পায়। প্রাথমিকে কোন ওমান নেই। তাই কোন জাল নেই। কোয়ালিফিকেশন আর ইন্টারভিউ এর ভিত্তিতে চাকরি হয়েছে। আদালতের রায়ে সেটাই প্রমাণিত হল।
এদিকে গীতা পাঠ প্রসঙ্গে সাংসদ কল্যাণ বলেন, পাঁচ লক্ষ মানুষ বিজেপি বাপের জন্মে এখানে দেখতে পাবেনা। পশ্চিমবঙ্গে কোনদিনও পাবে না। ওরা পাঁচ লক্ষের অংকটাই জানেনা। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির যে অপদার্থ নেতারা রয়েছে অশিক্ষিত নেতারা রয়েছে তারা কোনদিন মানুষের মনে জায়গা করতে পারবে না।








