পঞ্জাবের বানভাসি এলাকায় ত্রাণকাজে জামাআত
নতুন পয়গাম, পাঠানকোট, ৯ সেপ্টেম্বর:
পঞ্জাবের বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন করল জামাআতে ইসলামী হিন্দের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। স্থানীয় বন্যাদুর্গত মানুষদের সঙ্গে তাঁরা দেখা করেন, অসুবিধার কথা আলোচনা করেন এবং প্রয়োজনীয় ত্রাণ ও পুনর্বাসনের আশ্বাস দেন। সংগঠনের সর্বভারতীয় সম্পাদক মাওলানা শফি মাদানী ও অন্যান্য জামাআত নেতাদের সঙ্গে মিলিত হয়ে পঞ্জাবের কাপুরথয়লা জেলার সুলতানপুর লোধি (সাংগ্রা ও বাউপুর জাদিদ গ্রাম), পাঠানকোট জেলার সুন্দরচক, বাহাদুরপুর, কলিয়া সফর তহসীল এবং জলন্ধরের সিন্ধুপুরে বন্যা আক্রান্ত এলাকা পরিদর্শন করেন তাঁরা। কলিয়া গ্রামে বন্যার পানিতে ৩০টি কংক্রিটের বাড়ি ভেসে গেছে। খুব দুঃখজনকভাবে, তিন ভাই ও বোন এবং ৭৫ বছর বয়সী দাদী-সহ চারজন মারা গেছেন এখানে। পরিদর্শনের সময় জামাআত প্রতিনিধি দল স্থানীয় শিখ সম্প্রদায়ের নেতা, নোডাল অফিসার ও বন্যা কবলিত মানুষদের সঙ্গে কথা বলে তাদের তাৎক্ষণিক প্রয়োজনের কথা জেনে নেন। আলোচনা হয় কীভাবে তাড়াতাড়ি ত্রাণ ও মানবিক সাহায্য পাঠানো যায় – খাদ্য, আশ্রয়, বিশুদ্ধ পানি, চিকিৎসা সহায়তা এবং দীর্ঘমেয়াদে এইসব বন্যাদুর্গত পরিবারের জীবন পুনর্গঠনের পরিকল্পনা নিয়ে।
উল্লেখ্য, জামাআতে ইসলামী হিন্দ এবং ব্রাইট ফিউচার সোসাইটি-র স্বেচ্ছাসেবীরা যৌথ উদ্যোগে ইতিমধ্যেই পঞ্জাবে ত্রাণ ও উদ্ধার কাজে সাধ্যমতো তৎপরতা চালাচ্ছেন। তারা প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পৌঁছে দিচ্ছেন, চিকিৎসা সহায়তা দিচ্ছেন এবং ঘরবাড়ি হারানো পরিবারগুলোকে যতখানি সম্ভব সাহায্য করছেন।
মাওলানা শফি মাদানি বলেন, ‘আমরা বন্যার্ত মানুষের দুর্দশা দেখে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। জামাআতে ইসলামী হিন্দ ও সহযোগী সংগঠনগুলো খাদ্য, আশ্রয়, চিকিৎসা এবং পুনর্বাসন-সহ সব ধরনের প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যতক্ষণ না স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এসব বানভাসি অসহায় মানুষদের পাশে থাকব, তাদের ত্রাণ, পুনরুদ্ধার এবং পুনর্বাসনের জন্য নিরলসভাবে কাজ করব। পাশাপাশি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান, যাতে দ্রুত ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া হয়, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার পরিকাঠামো পুনর্নির্মাণ করে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে জীবিকা ফিরিয়ে দিতে যথাযথ ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়।”








