প্রধানমন্ত্রীর সফরের আগে বিরোধী নেতাদের গৃহবন্দির অভিযোগ বারাণসীতে
নতুন পয়গাম, গাজিয়াবাদ, ১৩ সেপ্টেম্বর
প্রধানমন্ত্রীর সফরের আগে নজিরবিহীনভাবে বিরোধী দলের নেতাদের গৃহবন্দি করার অভিযোগ উঠল। নরেন্দ্র মোদীর নিজের লোকসভা কেন্দ্র উত্তরপ্রদেশের বারাণসী সফর ঘিরে এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগে সরব হয়েছে বিরোধী শিবির।
উল্লেখ্য, গত পরশুদিন ১১ সেপ্টেম্বর বারাণসী যান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মরিশাসের প্রধানমন্ত্রী নবীনচন্দ্র রামগোলামের সঙ্গে সেখানে বৈঠক করেন। ‘ভোটচুরি’ ইস্যুতে দেশজুড়ে প্রতিবাদের অংশ হিসেবে মোদীর সফরের দিন উত্তর প্রদেশের বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল কংগ্রেস।
যোগী রাজ্যের প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অজয় রাই শনিবার অভিযোগ করেন, মোদির সফরের অনেক আগেই বুধবার থেকে আমাকে লক্ষ্ণৌয়ের বাড়িতে কার্যত গৃহবন্দি করে রাখা হয়। ওই দিন রাত সাড়ে ১১টায় আমার বাড়িতে পুলিশ আসে। বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টে নাগাদ ছাড়া হয়।
বারাণসীর সমাজবাদী পার্টি-র জেলা সভাপতি সুজিত যাদবও তাকে গৃহবন্দি করার অভিযোগ তুলে বলেছেন, নিকটাত্মীয়ের শেষ যাত্রায় যোগ দিতে চাইলেও পুলিশ রাজি হয়নি। তাঁর্যপ কথায়, বিক্ষোভের পরিকল্পনা থাকলেও বিদেশি অতিথিদের সামনে মোদির কুশপুত্তলিকা পোড়ানোর কথাই ছিল না। শান্তিপূর্ণ উপায়ে হাতে পোস্টার, প্ল্যাকার্ড নিয়ে ভোট কারচুপি এবং এসআইআর নিয়ে প্রতিবাদ আন্দোলন করার কথা ছিল।
এদিকে, প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অজয় রাই জানান, দেশের বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে রায়বেরিলিতে বিক্ষোভ দেখিয়েছিল বিজেপি। ‘ভোট চোর, গদি ছোড়’ স্লোগান শুনে মাথা খারাপ হয়ে গিয়েছে বিজেপি নেতাদের। প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে প্রতিবাদ জানিয়ে রাজ্যবাসীকে এই পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতন করতে চায় কংগ্রেস।
উল্লেখ্য, শেষবার বারাণসী কেন্দ্রে লোকসভা ভোটে প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে প্রার্থী ছিলেন অজয় রাই। এই ভোটে প্রধানমন্ত্রী জয়ী হলেও অনেক কমে যায় ব্যবধান। এই ভোটেও কারচুপির অভিযোগ তুলেছে কংগ্রেস। এদিন অজয় রাই বলেন, প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো কি অসাংবিধানিক নাকি অগণতান্ত্রিক? বরং অসাংবিধানিক কায়দায় বিরোধীদের কণ্ঠস্বর দমন করা হল প্রধানমন্ত্রীর সফরের আগে।








