আরও একবার বেরিয়ে এল ভারতীয় ফুটবলের কঙ্কাল,৭০০ সংস্থার সঙ্গে কথা বলেও স্পনসর জোটেনি গোয়া’র!
নিজস্ব সংবাদদাতা, নতুন পয়গাম
একটা দুটো নয়,একে একে ৭০০ সংস্থার সঙ্গে কথা বলেও স্পনসর জোটেনি এফসি গোয়ার। অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ নিয়ে ফেডারেশনকে তোপ দাগলেন এফসি গোয়ার কর্তা।
ভারতীয় ফুটবলের পরিস্থিতি নিয়ে আল নাসের ম্যাচের পর প্রশ্ন তুলেছিলেন এফসি গোয়া কোচ মানোলো মার্কুয়েজ। এবার ফেডারেশনের ভূমিকা নিয়ে সরব হলেন গোয়ার শীর্ষকর্তা রবি পুষ্কর।
সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লেখেন, ‘স্থানীয়ভাবে যে সংস্থার উচিত সাহায্যকারীর ভূমিকা নেওয়া, তাদের জন্যই বিতর্কের সূত্রপাত হচ্ছে। আল নাসেরের বিরুদ্ধে আমাদের জার্সিতে কোনও স্পনসরের নাম ছিল না। কারণ সম্ভাব্য স্পনসররা সকলেই প্রশ্ন করেছে, এই ম্যাচের পর কী হবে? আমরা শেষ চার মাসে চারটি প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ খেলেছি। সুপ্রিম কোর্ট বলেছিল ১৫ অক্টোবরের মধ্যে কাজ শেষ করতে। ২৩ অক্টোবরে এসেও তা হয়নি। ভারতীয় ফুটবলের উন্নতিতে দু’টো বিষয় সবচেয়ে প্রয়োজনীয় এখন- ক্যালেন্ডার এবং সংহতি।’
তিনি আরও জানান, ‘আমরা মোট ৭০০টি ব্র্যান্ডের সাথে স্পনসরশিপের জন্য যোগাযোগ করেছিলাম। ৭০০টির মধ্যে, প্রায় ২৫০-৩০০ জন ‘ভারতীয় ফুটবল’ শব্দটি ব্যবহার করতেই মুখ ঘুরিয়ে নেয়। বাকিরা বলেছিল, আমরা যদি এই একটি ম্যাচেও স্পনসর করি, তার পরে কী? তারা জিজ্ঞাসা করেছিল, লিগ কখন শুরু হবে? কারণ তারা ন্যূনতম এক বছরের চুক্তি করতে চায়। আমরা এর নিশ্চয়তা দিতে পারি না। কারণ নভেম্বর সুপার কাপের পরে আমাদের নিজেদের কাছেই কোনও নিশ্চয়তা নেই। ডিসেম্বরে আমাদের এসিএল ২ অভিযান শেষ হবে।’
তার সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন পুলিশি নিরাপত্তা নিয়েও। একজন ভক্ত মাঠে ঢুকে পড়েন। সেলফি তোলেন আল নাসের ও পর্তুগিজ তারকা জোয়াও ফেলিক্সের সঙ্গে। এত পুলিশ থাকা সত্ত্বেও কীভাবে কেরলের ওই দর্শক মাঠে ঢুকে পড়লেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন পুষ্কর। পরে ওই ভক্তকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়। নিরাপত্তা লঙ্ঘন এবং আন্তর্জাতিক খেলোয়াড়দের জীবন বিপন্ন করার অভিযোগে ওই ভক্তের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। ওই ভক্তের তোলা সেলফিটাও ডিলিট করে দেওয়া হয়।
সবমিলিয়ে মুখ পুড়লো ভারতীয় ফুটবলের।








