‘বৈভব’ শারদীয় সংখ্যার আনুষ্ঠানিক প্রকাশ
নতুন পয়গাম, কলকাতা, ১৭ অক্টোবর:
গতকাল কলকাতার কৃষ্ণপদ ঘোষ মেমোরিয়াল ট্রাস্ট হলে অনুষ্ঠিত হল বই-ভব পাবলিশার্স–এর উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। একাধিক গ্রন্থ প্রকাশ ও মোড়ক উন্মোচনের পাশাপাশি অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিল ‘বৈভব’ শারদীয় সংখ্যার আনুষ্ঠানিক প্রকাশ।
সারা রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত কবি ও লেখকদের উপস্থিতিতে মুখরিত ছিল অনুষ্ঠান কক্ষ। জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। সভাপতিত্ব করেন বর্ষীয়ান কবি চৈতালী রায়, এবং প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রখ্যাত কথাকার অর্ণব সাহা।
এদিন মফিজুল তরফদারের ‘কে বলে ঈশ্বর নেই?’ ও ‘মনের রহস্য সন্ধানে’, পিনাকী রঞ্জন পালের ‘ষোড়শ রঙের গল্পভুবন’, বানীফুলের ‘মাটির চুপকথা’, সুদর্শন দত্তের ‘বিয়াস’, শঙ্কর প্রসাদ সরকারের ‘অন্তর্জীবনের কুহেলী’, এবং মানস দোলইয়ের ‘চাঁদের আলো নোনতা হাসি’ সহ একাধিক নতুন বই প্রকাশিত হয়।
অনুষ্ঠানের মূল পর্বে বৈভব শারদীয় সংখ্যার উদ্বোধনের পর কবিগণ কবিতা পাঠ করেন এবং সাহিত্যচর্চা নিয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন।
প্রধান অতিথি অর্ণব সাহা বলেন, “রাজনীতি তখনকার সাহিত্যে যেমন ছিল, আজও আছে। তবে সাহিত্যিকদের কোনো রাজনৈতিক দল নেই; তারা সময়ের সত্যকথা কলমে ধরে রাখেন।” তিনি সমকালীন লিটল ম্যাগাজিন ও বাণিজ্যিক পত্রিকার মধ্যে বিদ্যমান দ্বন্দ্ব নিয়েও মত প্রকাশ করেন।
সভাপতি চৈতালী রায় বলেন, “বিপর্যয়ের পরও যখন কলেজ স্ট্রিটের বইপাড়া এখনও ঘুরে দাঁড়াচ্ছে, সেই সময়ে একটি প্রকাশনা সংস্থা প্রতিটি কবিকে সৌজন্য সংখ্যা দিচ্ছে—এটা সাহসিকতার নিদর্শন।”
অনুষ্ঠানের শেষে বই-ভব পাবলিশার্স–এর কর্ণধার জসীমুদ্দিন ঘোষণা করেন যে, প্রতি বছরই তাঁরা কবি-লেখকদের হাতে বৈভব–এর শারদীয় সৌজন্য সংখ্যা তুলে দেবেন।








