বাংলার পেস-ত্রয়ীর দাপটে উড়ে গেল জম্মু-কাশ্মীর
নতুন পয়গাম, এম.রহমান, রাজকোট: ৪০.৩ ওভার, বলের হিসাবে ২৪৩ বল বাকি থাকতে জয় পেল বাংলা। সুতরাং বোঝাই যাচ্ছে কি একপেশে ম্যাচ হয়েছে।
বুধবার সানোসারা ক্রিকেট মাঠে এলিট গ্রুপ ‘বি’র ম্যাচে জম্মু-কাশ্মীরকে ৯ উইকেটে হারাল অভিমন্যু ঈশ্বরণের দল।২০২২ সালে রাঁচিতে মিজোরামের বিরুদ্ধে বাংলা ২৬২ বল বাকি থাকতে জিতেছিল। তারপর বলের নিরিখে এই প্রতিযোগিতায় বঙ্গ ব্রিগেডের এটাই বৃহত্তম জয়। চার ম্যাচের তিনটিতে জেতার সুবাদে ১২ পয়েন্ট হয়ে গেল বাংলার। পরের পর্বে ওঠার জন্য অভিমন্যুদের লড়াই বিদর্ভ ও বরোদার সঙ্গে। এই দু’দলের পকেটেও চার ম্যাচে ১২ পয়েন্ট।
এই দাপুটে জয়ের কারিগর পেসাররা। মুকেশ কুমার, আকাশদীপ ও মহম্মদ সামি, তিন পেসারের আগুনে বোলিংয়ে মাত্র ৬৩ রানে দাঁড়ি পড়ে জম্মু-কাশ্মীরের ইনিংসে। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ২০.৪ ওভারে গুটিয়ে যায় তারা। ছয় ওভারে মাত্র ১৬ রানে চার উইকেট নেন মুকেশ।
উল্লেখ্য, সোমবার চন্ডীগড়ের বিরুদ্ধে পাঁচ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। পরপর দু’টি ম্যাচেই সেরা হলেন মুকেশ। ছন্দে ছিলেন আকাশও। ৩২ রানের বিনিময়ে তাঁর শিকারসংখ্যাও চার। বাকি দুই উইকেট নেন সামি। এদিন ‘লিস্ট এ’ ক্রিকেটে অভিষেক হল বাংলার স্পিনার রোহিত কুমারের। তবে তিনি বল করার সুযোগ পাননি। জম্মু ও কাশ্মীরের ইনিংসে সর্বাধিক স্কোর ১৯, যা করেন ক্যাপ্টেন পরশ ডোগরা।তাদের মাত্র দুজন ব্যাটার দু অঙ্কের রানে পৌঁছায়।জয়ের জন্য ৬৪ রান তাড়া করতে নেমে ৯.৩ ওভারে লক্ষ্যে পৌঁছায় বাংলা। ক্যাপ্টেন অভিমন্যু (৪) আউট হলেও অভিষেক পোড়েল (অপরাজিত ৩০) ও সুদীপ ঘরামি (অপরাজিত ২৫) দ্রুত যবনিকা টানেন ম্যাচে। আইপিএলে সাড়া জাগানো আকিব বাংলার একমাত্র উইকেটটি দখল করেন। কালকের জয়ের ফলে বাংলা রান রেটের বিচারে লিগ টেবিলে ৩ নম্বরে অবস্থান করছে।








