১৩৫ ফিলিস্তিনির বিকৃত মরদেহ ফেরত দিল ইসরাইল
নতুন পয়গাম, গাজা সিটি, ২০ অক্টোবর: ইসরাইলের ফেরত দেওয়া ফিলিস্তিনিদের মরদেহগুলোতে পাওয়া গেছে ভয়াবহ নির্যাতনের চিহ্ন। গাজা প্রশাসনের মতে, কমপক্ষে ১৩৫ জন ফিলিস্তিনির বিকৃত মরদেহ ইসরাইল থেকে ফেরত এসেছে, যেগুলো রাখা হয়েছিল কুখ্যাত এক ইসরাইলি আটককেন্দ্রে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রকের ডাইরেক্টর ডা. মুনির আল-বুর্শ এই তথ্য জানান। পৈশাচিক নির্যাতন চালানোর পর কারাগারে এরা মারা গেলে ডেডবডিগুলোকে ডেটেনশন ক্যাম্পে ফেলে দিয়েছিল ইসরাইল। গত বছর প্রকাশিত এক ছবিতে জানা যায়, লোহার কাঁটাতারের খাঁচায় ফিলিস্তিনি বন্দিদের আটকে রাখা হত। চোখ বেঁধে ও হাতকড়া পরিয়ে রাখা হত, হাসপাতালের খাটে শিকল দিয়ে বেঁধে ডায়াপার পরতে বাধ্য করা হত। শীতকালেও তাদের খালিগায়ে অথবা উলংগ করে রাখা হত।
এদিকে শেষ খবরে জানা গিয়েছে, এখনও ইসরাইলে বিনা বিচারে দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে কারারুদ্ধ করে রাখা হয়েছে ১২ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নাগরিককে। এর মধ্যে অনেক রাজনৈতিক নেতা, প্রাক্তন সাংসদ, মন্ত্রী এমনকী ফিলিস্তিনি পার্লামেন্টের প্রাক্তন স্পিকারও বন্দি রয়েছেন ইসরাইলি কারাগারে। এছাড়াও অনেক শিশু এবং নারীও বন্দি আছেন সেদেশে। বিচার বহির্ভূতভাবে এদেরকে বিনা অপরাধে তুলে নিয়ে গিয়ে বছরের পর বছর কারাগারে আটকে রেখেছে ইসরাইল। আবার যুদ্ধবিরতি চুক্তির জেরে কদিন আগে যেসব ফিলিস্তিনি বন্দিকে ফেরত পাঠানো হয়েছে, তাদের ওপর এমন পাশবিক নির্যাতন চালানো হয়েছে যে, অনেকেই পঙ্গু হয়ে গিয়েছেন, অনেকেই দৃষ্টি শক্তি হারিয়েছেন, কারো কারো চোখ তুলে নেওয়া হয়েছে। অনেকেই আবার ট্রমায় চলে গিয়েছে। অনেকে শ্রবণ শক্তি অথবা বাক শক্তি হারিয়েছেন।








