১৬০০ ফিলিস্তিনি ডাক্তারকে হত্যা করেছে ইসরাইল
নতুন পয়গাম,
রামাল্লা, ১৮ সেপ্টেম্বর: ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ডাক্তার, নার্স ও বিজ্ঞানীদের ওপর হামলা ইসরাইলের সুপরিকল্পিত গণহত্যার অংশ, যেখানে আন্তর্জাতিক নীরবতা এক লজ্জাজনক বাস্তবতায় রূপ নিয়েছে। গাজা যুদ্ধে এখন পর্যন্ত অন্তত ১৬০০ ডাক্তার, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীকে হত্যা করেছে ইসরাইলি বাহিনী। এ খবর জানিয়েছে আল জাজিরা নিউজ।
ইসরাইলি বাহিনী গাজা উপত্যকায় ডাক্তার, হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে যে মানবতাবিরোধী অপরাধ ও হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে, তা নিষ্ঠুরতা, পাশবিকতা ও বর্বরতার প্রতীক হয়ে উঠেছে। এসব হামলা আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার নীতিমালার সরাসরি লঙ্ঘন। চিকিৎসা, স্বাস্থ্য ও মানবিক পরিষেবার ওপর এসব হামলা ইসরাইলের অপরাধের তালিকায় আরেকটি রক্তাক্ত অধ্যায় যোগ করেছে।
অনেকেই মনে করেন, ডাক্তার, নার্সদের হত্যা এবং হাসপাতালে বোমা হামলা অবরুদ্ধ গাজার জীবন ও মানবতার চেতনাকে নিঃশেষ করতেই এই নির্বিচার হত্যাযজ্ঞ চালানো হচ্ছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রকের শীর্ষকর্তা ডা. মুনির আল-বারাশ শহীদ ডাক্তার ও নার্সিদের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করে বলেন, আমি তাদের জন্য কাঁদি, চোখের পানি দিয়ে নয়, আত্মার অশ্রু দিয়ে। কাঁদি রক্ত দিয়ে। কারণ, তারা কেবল সহকর্মী নয়। তারা ছিলেন হৃদয়ের আলো, অন্ধকার সময়ের সঙ্গী। তিনি আরো বলেন, ধ্বংসস্তূপের নিচে লুকিয়ে থাকা জীবন রক্ষার শপথে তারা সর্বদা দৃঢ় থেকেছেন, ক্ষত-বিক্ষত জাতির দেহের ব্যান্ডেজ হয়ে উঠেছেন। তারা শহীদ হয়েছেন বীরদের মতো, গৌরবের পাতায় নয়, বরং নরকের মতো পরিবেশে, যেখানে শুধু আহতদের আর্তনাদ ও শিশুদের কান্না শোনা যায়। অসহায় মানুষের জীবন রক্ষায় নিবেদিতপ্রাণ ডাক্তার ও নার্সদের হত্যার পেছনে ইসরাইলের কোনো যুক্তি থাকতে পারে না।








