বিহার সরকারে নীতীশের ৯, বিজেপির ১৪ মন্ত্রী
নতুন পয়গাম, পাটনা:
বিহারে হাজারো গরমিল, কারচুপি ও ভোট চুরির অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও এনডিএ জোট জিতে সরকার গঠন করে ফেলল। বিরোধীদের বিস্ফোরক অভিযোগের কোন সুরাহা হল না। নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্যে যে পাহাড় প্রমাণ ভুল বা গরমিল দেখা গেল, সেসবেরও কিছু হল না। দশম বার শপথ নিলেন মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। নতুন মন্ত্রিসভায় কে কোন পদ পেলেন?
সঙ্গে উপমুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন দুই বিজেপি বিধায়ক সম্রাট চৌধুরী ও বিজয় কুমার সিনহা। বিহারে এবারও বিজেপি নীতীশের থেকে বেশি আসনে জিতেছে। সবথেকে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এবার তাই স্বরাষ্ট্র দফতরও নিজেদের হাতে রেখেছে বিজেপি। বেশিরভাগ জোট সরকারের ক্ষেত্রে মুখ্যমন্ত্রী নিজের হাতে স্বরাষ্ট্র দফতর রাখেন, কিন্তু এবারের নীতীশ সরকারের ছবি দেখে বোঝাই যাচ্ছে, সরকারে বিজেপির প্রভাব বেশি থাকবে।
এবার জেডিইউ থেকে মন্ত্রী হয়েছেন নীতীশ কুমার: মুখ্যমন্ত্রী, সাধারণ প্রশাসন, মন্ত্রিসভা সচিবালয় এবং নজরদারি দফতর। বিজেন্দ্র প্রসাদ যাদব: অর্থ, শক্তি, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন, খাদ্য ও ক্রেতাসুরক্ষা দফতর। বিজয় চৌধুরি: আবাসন, জলসম্পদ এবং পরিষদীয় দফতর। শ্রোয়ান কুমার: গ্রামোন্নয়ন এবং পূর্ত দফতর। অশোক চৌধুরি: গ্রামোন্নয়ন। মদন সাহানী: পঞ্চায়েতি রাজ, সামাজিক উন্নয়ন। সুনীল কুমার: শিক্ষা। লেসি সিং: খাদ্য ও ক্রেতা সুরক্ষা। মহম্মদ জামা খান: সংখ্যালঘু উন্নয়ন।
বিজেপি থেকে মন্ত্রী হয়েছেন সম্রাট চৌধুরি: উপমুখ্যমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র দফতর। বিজয় কুমার সিনহা: উপমুখ্যমন্ত্রী, রাজস্ব ও ভূমি সংস্কার, খনি ও ভূতত্ত্ব। মঙ্গল পাণ্ডে: স্বাস্থ্য, আইন। রামকৃপাল যাদব: কৃষি। দিলীপ জয়সওয়াল: শিল্প ও বাণিজ্য। শ্রেয়সী সিংহ: ক্রীড়া এবং তথ্যপ্রযুক্তি। নীতিন নবীণ: সড়ক, আবাসন এবং নগরোন্নয়ন। রমা নিষাদ: অনগ্রসর ও অতি-অনগ্রসর শ্রেণী কল্যাণ। লক্ষেন্দ্র রোশন: তফশিলি জাতি ও তফশিলি উপজাতি কল্যাণ। প্রমোদ চন্দ্র বংশী: পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং সহযোগিতা। সঞ্জয় সিং টাইগার: শ্রম সম্পদ। অরুণ শঙ্কর প্রসাদ: পর্যটন, শিল্প, সংস্কৃতি ও যুব। সুরেন্দ্র মেহতা: পশু ও মৎস্য সম্পদ। নারায়ণ প্রসাদ: বিপর্যয় মোকাবিলা। চিরাগ পাসোয়ানের দল থেকে একমাত্র মন্ত্রী দীপক প্রকাশ: পঞ্চায়েতি রাজ দফতর। জিতনরাম মাঝির দল থেকে একমাত্র মন্ত্রী সন্তোষ সুমন: ক্ষুদ্র জলসম্পদ দফতর।








