গাজায় আন্তর্জাতিক বাহিনী, রাষ্ট্রসঙ্ঘের সমর্থন
নতুন পয়গাম, নিউ ইয়র্ক:
ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২০-দফা পরিকল্পনাকে সমর্থন করে খসড়া প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছে রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদ। এতে আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বা শান্তিরক্ষা বাহিনীর (আইএসএফ) প্রতিষ্ঠা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। আমেরিকা জানিয়েছে, একাধিক দেশ এই বাহিনীতে সেনা পাঠাতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
ব্রিটেন, ফ্রান্স-সহ নিরাপত্তা পরিষদের ১৩টি দেশ এই প্রস্তাবে সমর্থন দিয়েছে। কোনো সদস্য দেশই প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ভোট দেয়নি। রাশিয়া ও চীন ভোটদানে বিরত ছিল। রাষ্ট্রসঙ্ঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের মুখপাত্র বলেছেন, এই প্রস্তাব গ্রহণ করা ‘যুদ্ধবিরতি সুসংহত করার ক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ’। তবে হামাস এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, এটি ফিলিস্তিনিদের অধিকার ও দাবি পূরণে ব্যর্থ হয়েছে।

নিরাপত্তা পরিষদে প্রস্তাব পাস হওয়ার পর হামাস জানিয়েছে, ‘পরিকল্পনাটি গাজা উপত্যকার ওপর আন্তর্জাতিক অভিভাবকত্ব চাপিয়ে দিয়েছে, যা আমাদের জনগণ প্রত্যাখ্যান করে। ইসরাইলের ওপর এমন কিছু চাপিয়ে দেওয়া হলে, তারা কি সেটা মানবে — এ প্রশ্ন তুলেছে হামাস।
প্রস্তাবে আরো বলা হয়েছে, ‘গাজার ভেতরে আন্তর্জাতিক বাহিনীকে দায়িত্ব দেয়া, প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলোকে নিরস্ত্র করা, এই বাহিনীকে নিরপেক্ষ অবস্থান থেকে সরিয়ে দেবে। প্রস্তাবের অধীনে আইএসএফ সীমান্ত এলাকা সুরক্ষিত করতে এবং হামাস-সহ অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে স্থায়ীভাবে নিরস্ত্র করার প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে ইসরাইল ও মিসরের পাশাপাশি নতুন এক প্রশিক্ষিত ফিলিস্তিনি পুলিশ বাহিনীর সাথে কাজ করবে।
রাষ্ট্রসঙ্ঘে নিযুক্ত মার্কিন দূত মাইক ওয়াল্টজ বলেন, আইএসএফ ‘এই অঞ্চলটি সুরক্ষিত করা, গাজার সামরিকীকরণে সহায়তা করা, সন্ত্রাসী পরিকাঠামো ধ্বংস করা, অস্ত্র অপসারণ এবং ফিলিস্তিনিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে’।
নিরাপত্তা পরিষদ ‘বোর্ড অফ পিস’ নামে একটি অন্তর্বর্তীকালীন শাসন সংস্থা গঠনেরও অনুমোদন দিয়েছে। যা একটি ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাটিক ও অরাজনৈতিক কমিটির শাসন তত্ত্বাবধান করবে এবং গাজার পুনর্গঠন ও মানবিক সাহায্য সরবরাহে তত্ত্বাবধান করবে।








