এমএসএল কাপ জিতলো ইন্তার মায়ামি, গোল না করেও নায়ক মেসি
ইন্তার মায়ামি- ৩ (রডরিগো দে পল,তালেন্দি, ওক্যাম্পার (আত্মঘাতী)
ভ্যাঙ্কুভার- ১(আলি আহমেদ)।
স্টাফ রিপোর্টার, নতুন পয়গামঃ
আমেরিকার সবচেয়ে বড় ট্রফি এমএসএল কাপ জিতলো ইন্তার মায়ামি।জোড়া অ্যাসিস্ট করে নায়ক মেসি।
দু’বছর আগেও যে ইন্তার মায়ামি লিগ টেবিলে শেষের দিকে অবস্থান করতো,খেতাব জেতা তো দূর অস্ত, প্লে-অফের যোগ্যতা অর্জন করার স্বপ্নও তখন আলৌকিক ছিল ডেভিড বেকহ্যামের দলের সামনে।সেই ইন্তার মায়ামি ২০২৩ সালে,যখন ইউরোপের পাঠ চুকিয়ে মার্কিন মুলুকে পাড়ি দেন লিওনেল মেসি,তখন বিশ্বজয়ী মহাতারকার হাত ধরে রাতারাতি ভোল বদলে গেল ইন্তার মায়ামির। প্রথমে লিগ শীর্ষে থেকে সাপোর্টাস লিগ শিল্ড জয়। আর চলতি মরশুমে ইস্টার্ন কনফারেন্স কাপ জয়ের পর এমএসএল খেতাব ঘরে তুললেন সুয়ারেজরা। শনিবার ফাইনালে ভ্যাঙ্কুভার হোয়াইটক্যাপসকে ৩-১ গোলে হারাল ইন্তার মায়ামি। ম্যাচে গোল না পেলেও, আরও একবার দলের জয়ে নায়ক সেই লিও মেসি। জোড়া অ্যাসিস্ট রয়েছে তাঁর নামের পাশে। সেই সুবাদে দীর্ঘ কেরিয়ারে ৪৭তম ট্রফি ঘরে তুললেন আর্জেন্তাইন মহাতারকা। ইন্তার মায়ামির হয়ে স্কোরশিটে নাম তোলেন যথাক্রমে রডরিগো ডে পল ও তাদেও আলেন্দি। অপর গোলটি এডিয়ের ওকাম্পোর আত্মঘাতী। ভ্যাঙ্কুভারের একমাত্র গোলটি আলি আহমেদের।

৩৮ বছর বয়সেও দুর্দান্ত খেলছেন মেসি। চলতি মরশুমে ২৯ গোল ও ১৯ অ্যাসিস্ট রয়েছে তাঁর নামের পাশে। আর প্লে-অফে সরাসরি ১৫ গোলে অবদান রেখেছেন তিনি। এমএলএস ইতিহাসে যা এক রেকর্ড। মেসি অবশ্য এই সাফল্যের যাবতীয় কৃতিত্ব সতীর্থদের দিলেন। বললেন, ‘২০২৩ মরশুমের মাঝপথে দলে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। জানতাম, এক কঠিন চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে। গত বছরও প্লে-অফের শুরুতেই বিদায় নিতে হয়। তবে এবার এমএলএস জেতাটাই ছিল আমাদের মূল লক্ষ্য। দলের প্রত্যেকে তার জন্য কঠোর পরিশ্রম করেছে। দীর্ঘ মরশুমে অনেক ম্যাচ খেলেছি। কিন্তু আমরা কখনও ক্লান্ত হয়নি। শুধুই এই মুহূর্তটার জন্যই অপেক্ষা করছিলাম। অবশেষে সেই সময় এসে উপস্থিত হল।’
সত্যি মেসি যেন একজন রূপকথার রাজকুমার। যাতে হাত তেন সেটাই সোনা হয়ে যায়।








