আইআইটি-তে অর্ধেক শিক্ষক আরটিআই তথ্যে ফাঁপরে বিশ্বশর্মা
নতুন পয়গাম, গুয়াহাটি, ১৯ সেপ্টেম্বর:
পর্যাপ্ত সংখ্যক ফ্যাকাল্টি বা শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মীর অভাবে কার্যত ধুঁকছে আসামের গুয়াহাটিতে অবস্থিত আইআইটি। ‘ডাবল ইঞ্জিন’ রাজ্যের এই উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক-অধ্যাপক পদে প্রায় অর্ধেক পোস্টই খালি পড়ে রয়েছে। ফলে ওই আইআইটিতে পঠন-পাঠনের উপর গুরুতর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞ মহল। সাম্প্রতিক তথ্য জানার অধিকার আইন (আরটিআই)-এর জবাবে বিজেপি শাসিত রাজ্য আসামে শিক্ষা ব্যবস্থার এমন কঙ্কালসার চেহারা প্রকাশ্যে এসেছে। এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে চেয়ে আবেদন করেছিলেন মধ্যপ্রদেশের সমাজকর্মী চন্দ্রশেখর গৌড়।
গুয়াহাটি আইআইটি-র ফ্যাকাল্টি অ্যাফেয়ার্স তার জবাবে জানায়, আইআইটি গুয়াহাটিতে মোট অনুমোদিত ফ্যাকাল্টির সংখ্যা ৮৪১। অথচ এর মধ্যে শূন্য রয়েছে ৩৭০টি পদই। অর্থাৎ, শিক্ষক-অধ্যাপক ও শিক্ষাকর্মী পদের প্রায় ৪৪ শতাংশই খালি পড়ে রয়েছে। বাকি যে ৪৭১টি পদে লোক রয়েছে, তার মধ্যে ৪১৫টি জেনারেল ক্যাটিগরির। তফসিলি জাতি, উপজাতি এবং ওবিসি ক্যাটিগরিতে ফ্যাকাল্টি রয়েছেন যথাক্রমে ২৪, ৬ এবং ২৫ জন। ইডব্লুএস ক্যাটিগরির একটি পদেও শিক্ষক-অধ্যাপক আছেন।
অন্যদিকে, আইআইটি গুয়াহাটিতে অশিক্ষক পদে মোট অনুমোদিত পোস্টের সংখ্যা ৬৪৪। এর মধ্যে ৭৬টি পদই বর্তমানে খালি। এইসব শূন্যপদে লোক নিয়োগের ব্যাপারে গুয়াহাটির ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (আইআইটি) কোনও পদক্ষেপ করছে কি না, তা স্পষ্ট নয়। এভাবে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে উচ্ছন্নে পাঠিয়ে কার্যত সরকারি শিক্ষাকে বেসরকারিকরণের পথে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে বলে বিজেপি তথা আসাম সরকারকে তুলোধনা করেছে বিরোধী দলগুলো। তাদের অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা কেবল গরম গরম সাম্প্রদায়িক কথা বলে বিজেপির পোষ্টারবয় হওয়ার প্রতিযোগিতায় মেতেছেন। কাজের বেলায় অষ্টরম্ভা।








