কলকাতা মেট্রোয় বরাদ্দ কত? প্রশ্ন এড়ালেন রেলমন্ত্রী
নতুন পয়গাম: সোমবার রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব ঘোষণা করেন, ২০২৬-২৭ সালের বাজেটে পশ্চিম বাংলাকে রেল খাতে মোট ১৪,২০৫ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। গত বছর দেওয়া হয়েছিল ১৩,৯৫৫ কোটি টাকা। রাজ্যে এই মুহূর্তে প্রায় ৯২ হাজার ৯৭৪ কোটি টাকার রেল প্রকল্পের কাজ চলছে। কিন্তু শুধুমাত্র কলকাতা মেট্রো রেলের জন্য কত টাকা বরাদ্দ হয়েছে? সোমবার দিল্লির রেলভবনে সাংবাদিক সম্মেলনে এ প্রশ্নের জবাব সযত্নে এড়িয়ে গিয়েছেন রেলমন্ত্রী। বরং তিনি রাজ্যের কোর্টে বল ঠেলে দিয়ে বলেছেন, ৪০ বছরে কলকাতা মেট্রোর মাত্র ২৭ কিমি. কাজ হয়েছিল। ২০১৪ সালের পর গতি এসেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বিগত ১১ বছরে কলকাতা মেট্রোর ৪৫ কিমি বাস্তবায়িত হয়েছে। কলকাতা মেট্রো প্রকল্পের বাস্তবায়নে বাজেট বরাদ্দ কোনো বিষয় নয়। যত অর্থ প্রয়োজন, দেওয়া হবে। কিন্তু রাজ্য আগে জমি দিক।
রেলমন্ত্রী অভিযোগ করেছেন, চিংড়িঘাটায় মেট্রো প্রকল্পের কাজে হাইকোর্টও নির্দেশ দিয়েছে। তাসত্ত্বেও রাজ্য পদক্ষেপ করছে না। সোমবার রাত পর্যন্ত রেলের গুরুত্বপূর্ণ ‘পিঙ্ক বুক’ প্রকাশিত হয়নি। তবে রবিবার ২০২৬-২৭ আর্থিক বছরে রেলের বাজেট নথি থেকেই স্পষ্ট, ইস্ট-ওয়েস্ট সহ কলকাতার একাধিক মেট্রো প্রকল্পে বরাদ্দ কমিয়েছে কেন্দ্র। তা নিয়ে বিতর্ক ও তীব্র রাজনৈতিক তরজাও শুরু হয়েছে। এদিন রেলমন্ত্রক জানিয়েছে, ২০০৯ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত প্রতি বছর গড়ে পশ্চিমবঙ্গের জন্য রেলে ৪ হাজার ৩৮০ কোটি টাকা বরাদ্দ হত। মোদি জমানায় বরাদ্দ প্রায় তিনগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। সোমবার রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, শিলিগুড়ি থেকে ভায়া পাটনা হয়ে বারাণসী পর্যন্ত যে হাইস্পিড রেল করিডর তৈরি হবে, তা পরবর্তী ক্ষেত্রে গুয়াহাটি পর্যন্ত সম্প্রসারণের ভাবনা রয়েছে। করিডরের জন্য উচ্চ গতির পরিকাঠামো তৈরির কাজে হাত দেবে রেল। উচ্চ গতির ট্রেন চলবে। গতি হবে ঘণ্টায় ৩৫০ কিলোমিটার। শিলিগুড়ি থেকে বারাণসী যাওয়া যাবে মাত্র ৩ ঘণ্টায়। কিন্তু এক দশক ধরে বুলেট ট্রেন বা হাইস্পিড ট্রেনের কথা বলা হলেও, আজো কেন হয়নি, সে প্রশ্নে কেন্দ্রকে বিঁধছে বিরোধীরা।








