বলাগড় থানার মানবিক উদ্যোগে ৫২ জন ফিরে পেলেন হারানো মোবাইল ও সাইবার প্রতারণার টাকা
আব্দুল গফফার, নতুন পয়গাম, হুগলিঃ ইংরেজী নববর্ষের প্রাক্কালে বলাগড় থানার পুলিশ আধিকারিকেরা ৫২ জন মানুষের হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ও সাইবার প্রতারণার টাকা ফিরিয়ে দিয়ে তাঁদের মুখে হাসি ফোটালেন। শুক্রবার হুগলি গ্রামীণ জেলা পুলিশের আওতাধীন বলাগড় থানার পক্ষ থেকে শুক্রবার সাইবার প্রতারণায় খোয়া যাওয়া অর্থ ও হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকৃত মালিকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। প্রসঙ্গত বর্তমান যুগে মোবাইল ফোন মানুষের জীবনের এক অপরিহার্য বৈদ্যুতিন সামগ্রী। মোবাইল ছাড়া দৈনন্দিন কাজকর্ম প্রায় অচল বললেই চলে। সেই গুরুত্বপূর্ণ জিনিস হারিয়ে বহু মানুষ বলাগড় থানার দ্বারস্থ হয়েছিলেন। অভিযোগকারীদের মধ্যে ছিলেন শিক্ষক, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মী, সিভিক ভলেন্টিয়ার, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী, গৃহবধূ, স্কুল ছাত্রছাত্রী থেকে শুরু করে কৃষক ও খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ।
এদিন বলাগড় থানার সামনে হারানো মোবাইল ও খোয়া যাওয়া অর্থ ফেরত নিতে আসার ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। এদিন হারিয়ে যাওয়া ৪৫টি মোবাইল ফোন ফেরতের পাশাপাশি সাইবার প্রতারণায় ক্ষতিগ্রস্ত ৭ জন ব্যক্তির প্রায় ১ লক্ষ ১৩ হাজার টাকা ফেরত দেওয়া হয়। জানা গেছে, পুলিশের নির্দেশমত প্রায় পঞ্চাশেরও বেশি মানুষ দুপুর সাড়ে বারোটা নাগাদ বলাগড় থানায় উপস্থিত হয়েছিলেন। সেখানে হুগলি গ্রামীণ জেলা পুলিশের ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট অব পুলিশ (ক্রাইম) অভিজিৎ সিনহা মহাপাত্র, মগরার সার্কেল ইন্সপেক্টর রাজ কিরণ মুখার্জি, বলাগড় থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক সোমদেব পাত্র সহ অন্যান্য পুলিশ আধিকারিকেরা আনুষ্ঠানিকভাবে মোবাইল ও উদ্ধার হওয়া অর্থ প্রকৃত মালিকদের হাতে তুলে দেন।
শুধু তাই নয়, বড়দিন উপলক্ষ্যে থানার পক্ষ থেকে উপস্থিত সকলকে কেক দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। পুলিশের এহেন মানবিক উদ্যোগে সবিতা সরকার, লক্ষীরাম সরেন সহ সকলেই ভূয়সী প্রশংসা করেন। এদিকে ডি এস পি অভিজিৎ সিনহা মহাপাত্র জানান, সাধারণ মানুষের পাশে থাকাই পুলিশের মূল লক্ষ্য।








