বিশ্বে সবথেকে বেশি অঙ্গহানি গাজার শিশুদের: রাষ্ট্রসংঘ
নতুন পয়গাম, নিউ ইয়র্ক, ২৬ সেপ্টেম্বর:
গত সপ্তাহে এক রিপোর্টে জানা গিয়েছিল, গাজার ৪০০ শিশু-সহ ১৪ হাজার গাজাবাসী বা ফিলিস্তিনি নাগরিক ইসরাইলের বিভিন্ন কারাগারে দীর্ঘকাল ধরে আটকে রয়েছে। এদের অনেককেই বছরের পর বছর ধরে বিনা বিচারে আটকে রাখা হয়েছে। রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যেও অনেককে বিচার বহির্ভূত ধারায় আটকে রেখেছে ইসরাইল সরকার। এবার জানা গেল, আরো রোমহর্ষক তথ্য। রাষ্ট্রসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সহায়তাকারী সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ-র রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইসরাইলি যুদ্ধের পর বিশ্বে সবথেকে বেশি অঙ্গচ্ছেদের শিকার হওয়া শিশুর ঠিকানা হয়ে উঠেছে গাজা উপত্যকা।
বুধবার এ প্রসঙ্গে ইউএনআরডব্লিউ কমিশনার ফিলিপ লাজারিনি বলেন, গত ২৩ মাসে গাজায় মোট ৪ হজারের মতো অঙ্গচ্ছেদের মতো ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। লাজারিনি বলেছেন, শিশুদের ওপর যুদ্ধের প্রভাব শুধু শারীরিক আঘাত বা ক্ষুধাহীনতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। তাদের ক্ষত গভীর ও অদৃশ্য। এর মধ্যে আছে উদ্বেগ, দুঃস্বপ্ন, আক্রমণাত্মক আচরণ, ভয়। অনেক শিশুকে ভিক্ষা, চুরি বা শিশুশ্রমে বাধ্য করা হচ্ছে। এভাবে কেড়ে নেওয়া হচ্ছে তাদের শৈশব।
লাজারিনি আরও বলেন, এই অবস্থা যত দীর্ঘ সময় ধরে চলবে, শিশুরা হতাশা, বিষণ্ণতা, একাকীত্ব, ট্রমায় ভুগবে। তাই অন্তত শিশুদের স্বার্থে গাজায় যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানান তিনি।








