সুযোগ নষ্টের প্রদর্শনী, সন্তোষ ট্রফি থেকে বিদায় বাংলার
স্টাফ রিপোর্টার: প্রথম তিন ম্যাচ জিতলেও,গ্রুপ লিগের শেষ দু ম্যাচ থেকে পারফরম্যান্স গ্রাফ ক্রমশই নামছিল।শেষ দু ম্যাচ ড্র,তারই প্রতিফলন। তবে এবারে একেবারে হেরেই গেল। গতবার সন্তোষ ট্রফি চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর বড় কিংবা ছোটো মঞ্চে দু’হাত পেতে সংবর্ধনা নিয়েছেন বাংলার ফুটবলাররা। ২০২২ সালে কাতারে বিশ্বকাপ জয়ের পর মেসি-ব্রিগেডের কপালেও বোধহয় এত সংবর্ধনা, এত পুরষ্কার, এত চাকরি জোটেনি! তাই যা হওয়ার তাই হল। মঙ্গলবার অসমের ঢাকুয়ানখানা স্টেডিয়ামে সন্তোষ ট্রফির কোয়ার্টার-ফাইনালে সার্ভিসেসের কাছে টাই-ব্রেকারে হেরে বিদায় নিতে হল বাংলাকে। এই পর্বে লক্ষ্যভেদে ব্যর্থ চাকু মান্ডি, করণ রাই এবং নরহরি শ্রেষ্ঠা। বাংলার গোলরক্ষক গৌরব সাউ বিপক্ষের দু’টি শট রুখলেও লাভ হয়নি। ২-৩ ব্যবধানে হেরে মুখ চুন কাগুজে তারকাদের। কোচ সঞ্জয় সেনের মন্তব্য, ‘এত সুযোগ মিস করলে শাস্তি পেতেই হবে।’গ্রুপ লিগে শেষ দুই ম্যাচে জিততে পারেনি বাংলা। তামিলনাড়ু ও অসমের বিরুদ্ধে ড্র করে সঞ্জয় সেনের দল। সেটাই ছিল অশনি সংকেত।
এদিনের ফলে প্রমাণিত, ভুল থেকে কোনও শিক্ষা নেওয়ার প্রয়োজনই মনে করেননি বাংলার ফুটবলাররা। জেতার খিদে ছিল ভ্যানিশ। গগনে গগনে ফুটবল ডাহা ফেল। বরং ফিটনেস, গতিতে বারবার টেক্কা দিল সার্ভিসেস। সংযোজিত সময়ে সহজতম মিস সায়ন ব্যানার্জির। বল উড়িয়ে দিলেন আকাশে। আর কবে বড় হবেন সায়ন? টাই-ব্রেকারেও কোনও পরিকল্পনা চোখে পড়েনি। আইএফএ সচিবও হতাশ। কোচের পরামর্শ অনুযায়ী দল গড়েও সাফল্য এল না। অনির্বাণ দত্তের মন্তব্য, ‘দল জেতার মত খেলেনি। একেবারেই ছন্নছাড়া ফুটবল। আবার শূন্য থেকে শুরু করতে হবে।’তবে এবার তো আর সুযোগ নেই।আসছে বছর আবার হবে।








