ডিজিটাল জনগণনা শুরু এপ্রিলে বাজেটে বরাদ্দ ৬ হাজার কোটি টাকা
নতুন পয়গাম, নয়াদিল্লি: দীর্ঘ ১৫ বছর পর হতে যাচ্ছে দেশের ষোড়শ জনগণনা। ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেটে এই বিশাল কর্মযজ্ঞের জন্য ৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। গত বছরের তুলনায় এই খাতে বরাদ্দ প্রায় ছয় গুণ বৃদ্ধি পাওয়ায় স্পষ্ট যে, সরকার এবার দ্রুততার সঙ্গে এই কাজ সম্পন্ন করতে চায়। আগামী ১ এপ্রিল থেকে দেশজুড়ে পুরোদস্তুর শুরু হবে জনগণনার প্রথম পর্যায়ের কাজ।
উল্লেখ্য, দেশে শেষবার জনগণনা হয়েছিল ২০১১ সালে। নিয়ম অনুযায়ী তারপর ২০২১ সালে হওয়ার কথা থাকলেও কোভিডের কারণে তা পিছিয়ে যায়। নির্ধারিত সময়ের প্রায় ছয় বছর পর শুরু হতে যাওয়া এই প্রকল্পে রেজিস্ট্রার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া এবং জাতীয় জনসংখ্যা রেজিস্টার -এর যাবতীয় খরচও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনে থাকা আরজিআই প্রায় ৩৪ লক্ষ গণনাকারী নিয়োগ করতে পারে, যাঁরা বাড়ি বাড়ি ঘুরে তথ্য সংগ্রহ করবেন।
এবারের জনগণনার সবথেকে বড় বিশেষত্ব হল এর ডিজিটাল রূপান্তর। এই প্রথম খাতা-কলমের বদলে স্মার্টফোনের মাধ্যমে ডিজিটাল পদ্ধতিতে তথ্য সংগৃহীত হবে। গণনাকারীরা নির্দিষ্ট অ্যাপের মাধ্যমে ইংরেজি ও বিভিন্ন আঞ্চলিক ভাষায় তথ্য সংগ্রহ করে সরাসরি কেন্দ্রীয় সার্ভারে আপলোড করবেন। তবে বিশেষ ক্ষেত্রে কেউ খাতায় তথ্য নিলে, তাঁকে পরে নির্দিষ্ট পোর্টালে তা নথিভুক্ত করতে হবে। এই আধুনিক পদ্ধতির ফলে তথ্যের ভুল এবং জটিলতা অনেকটাই কমবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। দীর্ঘ ১৫ বছর পর এই জনগণনা দেশের প্রকৃত জনসংখ্যা ও আর্থ-সামাজিক অবস্থা নির্ধারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। কিন্তু বিরোধীদের আশঙ্কা, এসআইআর এর মতোই জনগণনা নিয়েও অমিত শাহের দফতর সাধারণ মানুষকে হয়রানি করতে পারে। তাই সব দলের পক্ষ থেকে ওয়ার রুম তৈরির কথা ভাবা হচ্ছে।








