প্রতিরক্ষায় বরাদ্দ বেড়ে ৭.৮ লক্ষ কোটি
নতুন পয়গাম: প্রতিবেশী দেশে বেড়েই চলেছে উত্তেজনা। পাকিস্তানের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে বাংলাদেশ। ধর্মীয় হিংসার জিগির তুলে প্রায়শই ভারত সম্পর্কে চলছে কু-কথা। তালিকায় পিছিয়ে নেই চিনও। মাঝেমধ্যেই অরুণাচল প্রদেশ নিয়ে আগ্রাসী মন্তব্য আসে বেজিং থেকে। তাই মানচিত্রের অগ্নি বলয়ের থেকে আরও বেশি প্রতিরক্ষা খাতে খরচের সিদ্ধান্ত নিল ভারত সরকার। রবিবার অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের বাজেট বক্তৃতায় সে কথাই ফুটে উঠল।
দেশের নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের আধুনিকীকরণে আপসহীন ভারত
২০২৬-২৭ বর্ষে কেন্দ্রীয় বাজেটে প্রতিরক্ষা খাতে রেকর্ড বরাদ্দের ঘোষণা করল। গত বছরের তুলনায় এই বরাদ্দ একলাফে ১৫ শতাংশ বাড়িয়ে ৭.৮ লক্ষ কোটি টাকা করা হয়েছে। গতবার ছিল ৬.৮১ লক্ষ কোটি টাকা।
নতুন যুদ্ধাস্ত্র, যুদ্ধবিমান ও আধুনিক সামরিক সরঞ্জাম কেনার জন্য অর্থমন্ত্রী ২.১৯ লাখ কোটি টাকা ‘ক্যাপিটাল আউটলে’ বা পুঁজি ব্যয় হিসেবে বরাদ্দ করেছেন। এটি গত বছরের ১.৮০ লাখ কোটি টাকার তুলনায় প্রায় ২১.৮ শতাংশ বেশি।
গতবছর পহেলগাঁও হামলার জবাবে ভারত যে ‘অপারেশন সিন্দুর’ চালিয়েছিল, তার প্রেক্ষাপটে এই বরাদ্দ বৃদ্ধি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং জানিয়েছেন, এই বাজেট দেশের সুরক্ষা এবং স্বনির্ভরতার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখবে।
বরাদ্দের একটি বড় অংশ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি সামরিক অস্ত্র কেনার জন্য রাখা হয়েছে। বিমান রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতির সুবিধার্থে বিমানের যন্ত্রাংশ তৈরির কাঁচামালের ওপর থেকে বেসিক কাস্টমস ডিউটি তুলে নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, বর্ধিত এই অর্থের সিংহভাগ ব্যয় হবে চতুর্থ ও পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান ক্রয়ে। নৌবাহিনীর জন্য উন্নতমানের যুদ্ধজাহাজ ও সাবমেরিন নির্মাণে। অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায়। ড্রোন প্রযুক্তি ও আর্টিলারি গান কিনতে।








