বালি-খাদানে দুর্নীতি, তদন্তে রাজ্যজুড়ে ইডি-র তল্লাশি
নতুন পয়গাম, কলকাতা:
বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই শহর থেকে জেলার বিভিন্ন প্রান্তে তল্লাশি চালাল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। অভিযোগ, বালি পাচার ও খাদানের টেন্ডার নিয়ে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। এদিন সাতসকালেই মেদিনীপুরের ঝাড়গ্রাম, গোপীবল্লভপুর, লালগড় এলাকায় বালি খাদানে পৌঁছে যায় ইডি-র তদন্তকারী অফিসারেরা। সাউথ আসানসোল থানার মুরগাশোল এলাকায় এক বালি ব্যবসায়ীর বাড়িতেও হানা দেন ইডির টিম। দিনভর এই চিরুনি তল্লাশি তথা অভিযানকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ৪০ জনের একটি টিম পৌঁছয় ওই বালি ব্যবসায়ীর বাড়িতে।
তল্লাশির শুরুতেই তারা সংশ্লিষ্ট সবার মোবাইল বাজেয়াপ্ত করে এবং তারপর তদন্ত প্রক্রিয়ার কাজ শুরু করে। মধ্য কলকাতার ডালহৌসিতেও এক বালি ব্যবসায়ীর অফিসে হানা দেয় ইডি বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই শহর থেকে জেলার বিভিন্ন প্রান্তে তল্লাশি চালাল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি-র টিম। সূত্রের খবর, ওই অফিসটি আসানসোলের বালি ব্যবসায়ীরই। এছাড়াও আরও বেশ কয়েকটি এলাকায় এদিন তল্লাশি চালান ইডি-র আধিকারিকরা।
উল্লেখ্য, এর আগে গত ৯ সেপ্টেম্বর বালি পাচার ও খাদানের টেন্ডার দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলায় তদন্তের সূত্র ধরেই রাজ্যের একাধিক জায়গায় হানা দিয়েছিল ইডি। সেবার বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল কয়েক লক্ষ নগদ টাকা। অভিযুক্ত বিভিন্ন জনের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছিল বহু নথি। কলকাতার সিঁথি এলাকায় হানা দেওয়া হয় হুগলীর শ্রীরামপুরের বিধায়ক ডা. সুদীপ্ত রায়ের বাসভবনে। সেই সূত্র ধরেই ফের এদিন তল্লাশি চালায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। অবশ্য কেউ কেউ বলছেন, নির্বাচন এলে এ ব্যাপারে এজেন্সিগুলোকে লেলিয়ে দেওয়া হয়। ভোট মিলে গেলে আবার বিষয়টা ধামাচাপা পড়ে যায়। বিহারে যেমন দুদিন আগেই লালু, রাবড়ি, তেজস্বীদের নামে পুরনো মামলায় চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। এসব ভোটের বাজার গরম করা ছাড়া কিছু নয় বলে নেটিজেনদের অভিমত।








