ক্যানিংয়ে গণপিটুনিতে ঘটনায় তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব
উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায়
নতুন পয়গাম, ক্যানিং:
চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে নিহত যুবক জামির আলি শেখের (বাড়ি ঘুটিয়ারি শরীফ, পেশায় গাড়ি চালক) পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক কাশেম সিদ্দিকী। তবে শোকসন্তপ্ত পরিবারে সহমর্মিতা জানাতে গিয়েই স্থানীয় বিধায়ক পরেশরাম দাসকে প্রকাশ্যে নিশানা করে দলকে অস্বস্তিতে ফেললেন তিনি।
শনিবার ঘটনার চারদিন পর কাশেম সিদ্দিকী নিহত পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন। তিনি অভিযোগ তোলেন, “বিধায়ক কেন পরিবারকে চাকরি বা ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করলেন না?” এমনকি ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে পরেশকে হারানোর হুমকিও দেন।
প্রসঙ্গত, গত বুধবার রাতে ক্যানিংয়ের তালদিতে চোর সন্দেহে কয়েকজন যুবক মিলে মারধর করলে মারা যান জামির আলি। এলাকায় একের পর এক চুরি হচ্ছিল, সেই সন্দেহেই তাঁকে ঘিরে ধরে বেধড়ক মারধর করা হয়। ঘটনায় অভিযুক্ত গণেশ সর্দার ও বিশ্বজিৎ সাপুইকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।
কাশেমের তোপে অস্বস্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বিধায়ক পরেশরাম দাস। তিনি বলেন, “উনি সরাসরি দলবিরোধী মন্তব্য করেছেন, বিষয়টি নেতৃত্বকে জানিয়েছি। ক্যানিং পশ্চিমের মানুষ সবসময় আমার পাশে আছেন।” একইসঙ্গে তিনি জানান, নিহত পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হয়েছে এবং প্রশাসন যথাযথ ব্যবস্থা নিয়েছে।
গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু ঘিরে এবার রাজনৈতিক মহলেও তীব্র তরজা শুরু হয়েছে।








