সাবধান! বিপজ্জনক! ওয়াকফ সম্পত্তি নাকি এক নম্বর খতিয়ানে?
উম্মিদ পোর্টালে ওয়াকফ নথিভুক্তের শেষ তারিখ ৫ ডিসেম্বর
নতুন পয়গাম: পশ্চিমবঙ্গের ভূমি রেকর্ড নিয়মে সরকারি ভূমি রেকর্ড হয় এক নম্বর খতিয়ানে। এই এক নম্বরে উল্লেখিত ভূমির মালিক সরকার। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে খবর আসছে, ওয়াকফের জমি বা ভূমি নাকি অটোমেটিক এক নম্বর খতিয়ানে চলে যাচ্ছে। যার মানে হল, এই ভূমির মালিক সরকার। সে মসজিদ হোক, কিংবা কবরস্থান! সরকারের সম্পত্তি যেকোন সময় সরকার তার প্রয়োজনে সরকারি কাজে লাগাবে। এটাই স্বাভাবিক।
সাধারণত মসজিদ, মাদ্রাসা, ঈদগাহ ও কবরস্থান ইত্যাদি নির্মিত হয় মুসলিম সম্প্রদায়ের দানকৃত ওয়াকফ সম্পত্তিতে। এগুলো কখনো পশ্চিমবঙ্গ ওয়াকফ বোর্ডের পক্ষে নিবন্ধন করা হয়, আবার কখনো তা করা হয় না। এই সম্পত্তি কীভাবে এক নম্বর খতিয়ানে অটোমেটিক চলে যাচ্ছে! বিষয়টি অত্যন্ত বিপজ্জনক ও স্পর্শকাতর! এই অভিযোগ যদি সত্যি হয়, সুদূরপ্রসারী প্রভাব পড়বে মুসলিম জনমানসে! তাই বিষয়টা এক্ষুনি খতিয়ে দেখতে হবে।

এর সত্যতা যাচাই করতে হবে। জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়া অঞ্চলে এরকম হয়েছে। একজন অধ্যাপক বিষয়টি ঘনিষ্ঠ মহলে জানিয়েছেন। বীরভূমের নলহাটি অঞ্চলের একজন বিখ্যাত বেসরকারি আমীনকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, ব্যাপারটা সত্য। তবে এই মুহূর্তে ‘নট ফাউন্ড’ দেখাচ্ছে। এ বিষয়ে জনৈক ভূমি দপ্তরের আরও অফিসারের সঙ্গে কথা বললাম। তিনি জানালেন, এ ধরনের সরকারি কোন নির্দেশিকা নেই। সফ্টওয়্যার থেকে এই ভ্রম হয়েছিল। এই মুহূর্তে নাকি তা নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া হয়েছে! যদি তা হয়, তাহলে খুব ভাল। কিন্তু শুধু আপাতত নিষ্ক্রিয় করা সমাধান নয়। আমাদের ভয় হচ্ছে, এর নেপথ্যে কোন ষড়যন্ত্র বা অভিসন্ধি নেই তো?
পশ্চিমবঙ্গের মুসলিম সম্প্রদায়ের সামাজিক ও সাংগঠনিক দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের অনুরোধ করা হচ্ছে, তারা যেন নিজ নিজ এলাকার মসজিদ, মাদ্রাসা, ঈদগাহ ও কবরস্থান ইত্যাদির খতিয়ান দেখে তার প্রিন্ট আউট নিয়ে সংশ্লিষ্ট এলাকার বিএল এন্ড এলআরও অফিসে গিয়ে কথা বলেন।








