রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে সুপার কাপ জিতলো বার্সেলোনা, নায়ক রাফিনহা
নতুন পয়গাম ডেস্ক: পৃথিবীর অন্যতম হাইভোল্টেজ ম্যাচের শুরুটা দেখে মনে হয়েছিল আর্ট ফিল্ম দেখছি।কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধেই তা রূপ নিল সুপারহিট কমার্শিয়াল সিনেমাতে। গতকাল গভীর রাতে বার্সেলোনা বনাম রিয়াল মাদ্রিদের মধ্যকার স্প্যানিশ সুপার কাপ ফাইনালের প্রথম আধা ঘন্টা ছিল খুব সাদামাটা । তবে ভেতরে ভেতরে একটু বিষ্ময়ের সঙ্গে উত্তেজনাও ছিল। এ কোন এল ক্লাসিকো!বিশেষ করে রিয়াল মাদ্রিদকে জার্সি দেখে চিনতে হচ্ছিল। মৌসুমের প্রথম ফাইনাল, তারওপর প্রতিপক্ষ চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনা, সেখানে আক্রমণে রিয়ালের তেমন ঝাঁজ নেই। ডিফেন্সিভ, বেশি জায়গা দিচ্ছে, বলে দখল থাকছে না, প্রতি আক্রমণই সম্বল। বল হারালে পুনরুদ্ধারেও ক্ষিপ্রতা নেই, বরং নিচে নেমে আসছেন কেউ কেউ। রবার্ট লেওয়ানডস্কি, রাফিনহা, লামিনে ইয়ামালদের সামনে এমন কৌশলে বেশিক্ষণ জাল অক্ষত রাখা খুব কঠিন। ঘটলও ঠিক তাই। রিয়ালের কোচ জাবি আলোনসোর গোলকিপার থিবো কোর্তোয়াকে জাল থেকে বল বল কুড়াতে হলো ৩৫ মিনিটে।এরপর
৪৭ মিনিটে ভিনিসিয়াস জুনিয়র, ৪৯ মিনিটে লেওয়ানডস্কি ও ৪৬ মিনিটে গঞ্জালো গার্সিয়ার গোলে ম্যাচ নামের এই প্লটে মোচড়ের পর মোচড়। দ্বিতীয়ার্ধটা তাই হয়ে উঠেছিল প্রবল আকাঙ্খিত। গোল হবে আরও সেটা জানা কথাই ছিল। কিন্তু কয়টি? শেষ বাঁশি বাজার পর উত্তর মেলাতে গিয়ে কেউ কেউ হতাশ হতে পারেন। মাত্র এক গোল! আসলে প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তের উত্তেজনার পারদ যতটা চড়েছিল, তাতে বিরতির পর কেউ না কেউ গোল করতেনই। বেশ কিছু আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণের মধ্যে সেই ‘কেউ’ হলেন, ম্যাচে গোলের ঘরে তালাটা প্রথম যিনি ভেঙেছিলেন,সেই রাফিনহা! ফলে গতবারের মতো এবার সুপার কাপের মালিক বার্সেলোনা।








