সুদীপের চওড়া ব্যাটে সেমির পথে বাংলা
নতুন পয়গাম, এম.রহমান, কল্যাণী:
এস.এস.এস!
কিন ‘এস’এর দাপটে রানের পাহাড়ে বাংলা। যখন মনে হচ্ছিল প্রথম ইনিংসে লিড নিতে পারবে না বাংলা, ঠিক তখনই জ্বলে উঠলেন প্রথম ‘এস’- সুদীপ ঘরামি। এরপর সুমন্ত,শাকিবের শেষদিকে দুরন্ত ব্যাটিংয়ে ভালো জায়গায় বাংলা। বিশেষ করে সুদীপ ঘরামি! তাঁর দুরন্ত দ্বিশতরানে বঙ্গ-ব্রিগেড শুধু প্রথম ইনিংসে লিডই পেল না, সেমি-ফাইনালের পথেও এক পা বাড়াল। কল্যাণীতে অন্ধ্রপ্রদেশের ২৯৫ রানের জবাবে তৃতীয় দিনের শেষে লক্ষ্মীরতন শুক্লার দলের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ৪১৮। ঝুলিতে এখন লিড ১২৩ রানের। ২৭টি বাউন্ডারি সহ ৪৫১ বলে ২১৬ রানে ক্রিজে আছেন সুদীপ। তাঁকে যোগ্য সঙ্গত করছেন শাকির হাবিব গান্ধী (ব্যাটিং ৪৫)।
অথচ, প্রথম ইনিংসে একটা সময় ৪৩ রানেই ৩ উইকেট খুইয়ে ধুঁকছিল বাংলা। ব্যাটিংয়ের তিন স্তম্ভ অভিমন্যু ঈশ্বরণ (১), সুদীপ চ্যাটার্জি (১৩) ও অনুষ্টুপ মজুমদার (৯) ডাগ আউটে ফিরে গিয়েছিলেন। এরপর শাহবাজ আহমেদের ব্যাট থেকেও ৫ রানের বেশি আসেনি। স্বাভাবিকভাবেই শঙ্কা জাগে প্রথম ইনিংসে পিছিয়ে পড়ার। তবে কঠিন সময়ে দলের হাল ধরেন সুদীপ ঘরামি ও সুমন্ত গুপ্ত। শনিবারই দুরন্ত শতরান হাঁকিয়েছিলেন সুদীপ। সেই সুবাদে রবিবারে ৫ উইকেটে ১৯৯ রান নিয়ে শুরু করেন দু’জনে। তাঁদের দুরন্ত ব্যাটিংই শেষ পর্যন্ত লিড এনে দেয় বাংলাকে।
তবে সুমন্ত শতরান হাতছাড়া করলেও সুদীপ থামেননি। ৪১৫ বলে দ্বিশতরান পূর্ণ করেন তিনি। ষষ্ঠ উইকেটে এই দু’জনে স্কোরবোর্ডে যোগ করেছেন ১৫৩ রান। সুমন্ত আউট হওয়ার পর সুদীপের সঙ্গে জুটি বাঁধেন শাকির হাবিব গান্ধী। অর্থাত্, সারা দিনে একটি মাত্র উইকেট পড়েছে বাংলা। সোমবার চতুর্থ দিনে যত দ্রুত সম্ভব স্কোরবোর্ডে রান তোলাই লক্ষ্য থাকবে সুদীপদের। যাতে ম্যাচে ফেরার কোনও সুযোগ অন্ধ্রপ্রদেশ না পায়। সেক্ষেত্রে প্রথম ইনিংসে লিডের সুবাদে হাসতে হাসতে সেমি-ফাইনালে পা রাখবেন অভিমন্যু ঈশ্বরণরা। এখন যা পরিস্থিতি তাতে অবশ্য সেই পথে এক পা বাড়িয়েই রেখেছে বাংলা।আজ সকালে কতটা আধিপত্য দেখাতে পারে বাংলা,সেটাই দেখার।








