অ্যাসেজ অস্ট্রেলিয়ার, হাতছানি হোয়াইট ওয়াশের
এম. রহমানঃ অ্যাডিলেড
অ্যাসেজ মানে এতদিন ছিল টানটান উত্তেজনা।পেন্ডুলামের মতো দুলতো সিরিজ।কিন্তু বর্তমান ইংল্যান্ড দলের লড়াকু ও ধৈর্যশীল মানসিকতা না থাকার কারনে দু টেস্ট বাকি থাকতেই অ্যাসেজ সিরিজের দখল নিল ব্যাগি গ্রীনরা।
প্রথম দুই ম্যাচের মতো অ্যাডিলেডেও মুখ থুবড়ে পড়ল ইংল্যান্ড। ৮২ রানে জিতে মুকুটরক্ষা নিশ্চিত করল প্যাট কামিন্সের দল। ৪৩৫ তাড়া করতে নেমে ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংস শেষ হল ৩৫২ রানে।
শনিবারই কামিন্সদের জয় এক রকম নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল। ২০৭ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল স্টোকস ব্রিগেড। তবে পঞ্চম দিন মরিয়া প্রতিরোধ গড়ে তোলেন আগের দিনের দুই অপরাজিত ব্যাটসম্যান জেমি স্মিথ ও উইল জ্যাকস। তাঁদের জুটিতে ওঠে ৯১ রান। তবে হার বাঁচানোর জন্য তা যথেষ্ট ছিল না। ৬০ রানে স্মিথকে আউট করে ইংল্যান্ডের আশায় জল ঢেলে দেন মিচেল স্টার্ক। এরপর ব্রাইডন কার্সকে নিয়ে কিছুটা চেষ্টা করেছিলেন জ্যাকস (৪৭)। কিন্তু লাভ হয়নি। তাঁকে অর্ধশতরানের মুখ থেকে ফেরান সেই স্টার্ক। ন’নম্বরে নামা কার্স অবশ্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু জোফ্রা আর্চার (৩) ও জশ টং (১) তাঁকে সঙ্গ দিতে ব্যর্থ। শেষ পর্যন্ত ৩৯ রানে অপরাজিত থাকেন কার্স। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে কামিন্স, স্টার্ক ও নাথান লিয়ঁ ৩টি করে উইকেট নেন। একটি উইকেট বোল্যান্ডের।
ম্যাচের শেষে অজি অধিনায়ক কামিন্স বলেন, ‘অ্যাসেজ আবার ধরে রাখতে পেরে দারুণ লাগছে। এই সিরিজের মাহাত্ম্যই আলাদা। তবে এত সহজে সাফল্য আসবে ভাবিনি। দলের প্রত্যেকে সেরাটা উজাড় করে দেওয়ায় তা সম্ভব হয়েছে। বাকি দুই টেস্টে জয়ের ধারা বজায় রাখাই আমাদের লক্ষ্য।’ অবশ্য সাফল্যের দিনেও অজি শিবিরে চিন্তার মেঘ বয়ে এনেছে নাথান লিয়ঁর চোট। হ্যামস্ট্রিংয়ের সমস্যায় জর্জরিত তারকা স্পিনার। ফলে বাকি সিরিজে ঘোর অনিশ্চিত তিনি। অ্যাডিলেডে পাঁচ উইকেট নেওয়া লিয়ঁ ছিটকে গেলে অস্ট্রেলিয়ার কাছে তা বড় ধাক্কা হয়ে দাঁড়াবে।
অপরদিকে ইংল্যান্ড শিবিরে এখনই ধবলধোলাইয়ের প্রহর গুনছে।








