শেষ সময় ঘনাতেই যুব সাথী প্রকল্পের ফর্ম জমায় দীর্ঘ হচ্ছে লাইন
নতুন পয়গাম, সঞ্জয় মণ্ডল, বাঁকুড়া: রাজ্য সরকারের ঘোষিত ‘যুব সাথী’ প্রকল্পে আবেদন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ যত এগিয়ে আসছে, ততই আবেদনকারীদের ভিড় বাড়ছে বিভিন্ন কেন্দ্রে। চলতি বছরের বাজেট ভাষণে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেন, রাজ্যের ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সি বেকার যুবক-যুবতীদের প্রতি মাসে ১৫০০ টাকা করে ভাতা দেওয়া হবে। সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, গত ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে আবেদনপত্র জমা নেওয়া শুরু হয়েছে এবং তা চলবে ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। প্রতিটি বিধানসভা এলাকায় একটি করে নির্দিষ্ট কেন্দ্র খোলা হয়েছে ফর্ম জমা দেওয়ার জন্য। সেই অনুযায়ী বড়জোড়া বিধানসভা কেন্দ্রের আবেদন গ্রহণের জন্য স্থানীয় উন্মেষ হলে কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।
শেষ তারিখ ঘনিয়ে আসায় সেখানে আবেদনকারীদের দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে। প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের সহায়তার জন্য তৃণমূল কংগ্রেস-এর পক্ষ থেকে একটি সহায়তা শিবিরও চালু করা হয়েছে, যেখানে কর্মীরা আবেদনপত্র পূরণে আগতদের সাহায্য করছেন। পাশাপাশি পুলিশ প্রশাসনও শৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতা করছে। এদিন আবেদনকারীদের সহায়তায় উপস্থিত ছিলেন বড়জোড়া পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ ও তৃণমূল নেতা আমজাদ মন্ডল। তিনি বলেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে সরকার বেকার যুবসমাজের পাশে দাঁড়ানোর একটি মানবিক উদ্যোগ নিয়েছে। তাঁর বক্তব্য, পড়াশোনা শেষ করার পর চাকরির পরীক্ষার ফর্ম পূরণ বা প্রশিক্ষণ নেওয়ার জন্য যে আর্থিক প্রয়োজন হয়, এই ভাতা সেই ক্ষেত্রে সহায়ক হবে এবং তরুণ-তরুণীদের আত্মসম্মান বজায় রাখতে সাহায্য করবে।
উল্লেখ্য, একই কেন্দ্রে ভূমিহীন খেতমজুরদের জন্য ঘোষিত বছরে চার হাজার টাকার আর্থিক সহায়তা প্রকল্পের ফর্মও জমা নেওয়া হচ্ছে। যদিও অনলাইনে আবেদন করার সুযোগ রয়েছে, তবু সার্ভার সমস্যার কারণে অধিকাংশ আবেদনকারী অফলাইন পদ্ধতিকেই প্রাধান্য দিচ্ছেন। সার্বিকভাবে, উন্মেষ হল চত্বরে এদিন আবেদন জমা দেওয়ার ভিড় ছিল উল্লেখযোগ্য, যা প্রকল্পটি নিয়ে যুবসমাজের আগ্রহের প্রতিফলন বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।








