হাসিনা-সহ ৩০ জনের নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
নতুন পয়গাম, ঢাকা:
আবারও গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হল বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-সহ ৩০ জনের বিরুদ্ধে। বিরোধীদলের কর্মী-সমর্থকদের অপহরণ ও গুম করে নির্যাতন এবং বিচারবহির্ভূত হত্যার অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী হাসিনার বিরুদ্ধে দুটি অভিযোগ গ্রহণ করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে এই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে।
তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা বাংলাদেশের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর নেতা-কর্মীদের পাইকারি হারে অপহরণ করে র্যাতবের টাস্কফোর্স ইন্টারোগেশন সেল এবং জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেন্টারে তুলে নিয়ে গিয়ে বছরের পর বছর ধরে পাশবিক নির্যাতন করেছেন। ইতিমধ্যেই গতবছর ৫ আগস্ট হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে পালানোর পরদিনই কুখ্যাত আয়নাঘর থেকে বহু আটক মানুষ, নেতা, অফিসারদের মুক্ত করা হয়। প্রথম অভিযোগে শেখ হাসিনা-সহ ১৭ জন এবং দ্বিতীয় অভিযোগে ১৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে। দুই তালিকায় রয়েছেন ডিজিএফআই-এর পাঁচজন প্রাক্তন ডিজি-সহ বহু সেনা আধিকারিক। বুধবার শুনানির সময় বন্দীদের উপর অমানবিক নির্যাতনের বর্ণনা তুলে ধরা হয়। পাঁচটি অভিযোগ গ্রহণ করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল।
তার আগে বুধবার সকালেই হাসিনা-সহ ৩০ জনের বিরুদ্ধে দুটি অভিযোগ জমা দেন চিফ প্রসিকিউটর তাইজুল ইসলাম। হাসিনা ছাড়া অন্য অভিযুক্তরা হলেন প্রাক্তন প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল তারিক আহমেদ সিদ্দিক, প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, প্রাক্তন আইজিপি বেনজির আহমেদ, র্যা বের প্রাক্তন দুই ডিজি খুরশিদ হোসেন এবং ব্যারিস্টার হারুন রশিদ, প্রাক্তন অতিরিক্ত ডিজি কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মহম্মদ জাহাঙ্গীর আলম-সহ আরো অনেকে। এছাড়াও হাসিনা ও তার অনুগত আওয়ামী লীগের অসংখ্য নেতা-মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে পাহাড়প্রমাণ দুর্নীতি, তছরুপ, বিদেশে কোটি কোটি ডলার পাচারের অভিযোগে একাধিক মামলা চলছে।








