জাল অভিজ্ঞতা শংসাপত্রের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি পাওয়ার অভিযোগে চাঞ্চল্য
সেখ সামসুল
নতুন পয়গাম, ইলামবাজার (বীরভূম):
বীরভূমের ইলামবাজারের কবি জয়দেব মহাবিদ্যালয়ে শংসাপত্র জালিয়াতির অভিযোগে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়াল। কলেজের অধ্যক্ষের সিলমোহর ও স্বাক্ষর নকল করে এক অতিথি শিক্ষিকাকে অভিজ্ঞতার শংসাপত্র দেওয়া হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
অভিযোগ, ওই শংসাপত্রের ভিত্তিতেই জলি ভট্টাচার্য নামে প্রাক্তন অতিথি শিক্ষিকা বিশ্ববাংলা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে অস্থায়ী পদে যোগ দিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সন্দেহ তৈরি হতেই সরাসরি ইলামবাজার কলেজের অধ্যক্ষ মহাদেব দেবাংশীর কাছে চিঠি পাঠানো হয়।
উত্তরে অধ্যক্ষ স্পষ্ট জানান, সংশ্লিষ্ট শংসাপত্রের সিলমোহর বা স্বাক্ষর কোনওটাই তাঁর নয়। এমনকি যেদিন শংসাপত্র দেওয়ার উল্লেখ রয়েছে, সেদিন তিনি কলেজে উপস্থিতও ছিলেন না।
তবে শংসাপত্রে কলেজের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বাক্ষর রয়েছে। বর্তমানে তিনি বিশ্ববাংলা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষানিয়ামক পদেও রয়েছেন। ফলে বিতর্ক আরও গভীর হয়েছে। ইতিমধ্যেই তাঁকে শোকজ নোটিস ধরিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়।
সবচেয়ে বড় প্রশ্ন— ২০২৩ সালের ১৬ মে যেদিন শংসাপত্রের আবেদন হয়, তখনও বিশ্ববাংলা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়নি। আগেভাগে কেন এবং কী উদ্দেশ্যে অভিজ্ঞতা শংসাপত্র তৈরি করে রেখেছিলেন ওই শিক্ষিকা তা নিয়েও জোর গুঞ্জন।
শিক্ষামহল থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ—সকলের মধ্যেই ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া। তদন্তের দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহলে।








