আইপ্যাক মামলার শুনানি পিছল
নতুন পয়গাম, নয়াদিল্লি: এক সপ্তাহ পিছিয়ে গেল আইপ্যাক মামলার শুনানি। মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা ছিল। পরবর্তী শুনানির দিন ঠিক হয়েছে ১০ ফেব্রুয়ারি। সোমবার রাজ্য সরকারের তরফে হলফনামা জমা দেওয়া হয়েছিল। এদিন শুনানি শুরু হলে কেন্দ্রের সলিসিটার জেনারেল তুষার মেহতা দাবি করেন, রাজ্যের দেওয়া হলফনামা খুঁটিয়ে দেখার জন্য সময় দরকার। পাশাপাশি তিনি জানান, ইডি’র পক্ষ থেকেও পাল্টা হলফনামা দেওয়া হবে।
হলফনামা দিয়ে রাজ্যের তরফে ইডির মামলা খারিজের আবেদন করা হয়। রাজ্যের কথায়, হাইকোর্টে এই মামলা চলছে। তাই সুপ্রিম কোর্টে একই মামলা দায়ের করার অধিকার নেই ইডির। রাজ্যের পক্ষ থেকে এও বলা হয়েছে, আইপ্যাকের দপ্তরে তল্লাসি চালানো এবং তাদের নথি বাজেয়াপ্ত করার কোন অধিকার ইডি’র নেই।
উল্লেখ্য, গত ৮ জানুয়ারি সল্টলেকে আইপ্যাক দফতর এবং কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে হানা দেয় ইডি। যাকে কেন্দ্র করে নাটকীয় পরিস্থিতি তৈরি হয়। স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী সেখানে সপারিষদ হাজির হয়ে ইডিকর্তাদের থেকে বেশ কিছু ফাইল নিয়ে চলে যান। কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে মুখ্যমন্ত্রী এবং রাজ্য সরকারকে এই মামলায় পার্টি করেছে ইডি।
ইডির তরফে জানানো হয়, কয়লা পাচার মামলার তদন্তে এই হানা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ইডি অফিসাররা প্রতীক জৈনের বাড়িতে হানা দেওয়াকালে সেখানে হাজির হন কলকাতা ও বিধাননগরের দুই পুলিশ কমিশনার। তারপর সেখানে পৌঁছান মুখ্যমন্ত্রীও। প্রতীকের বাড়িতে ঢুকে বিভিন্ন ফাইল, ল্যাপটপ, হার্ড ডিস্ক ইত্যাদি নিয়ে বেরিয়ে আসেন এবং তা তৃণমূলের নামে রেজিস্টার করা একটি গাড়িতে তোলেন। তারপর সেখান থেকে যান আইপ্যাকের অফিসে। এরপর ইডির তরফে বলা হয়, মুখ্যমন্ত্রী তার ক্ষমতার অপব্যবহার করে তাদের থেকে নানান নথিপত্র কার্যত ছিনিয়ে নিয়ে গেছেন। এ জন্য কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। এর পাল্টা ইডির বিরুদ্ধেও মামলা করে তৃণমূল কংগ্রেস। মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, তাদের দলের গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী নথিপত্র ইডির অফিসাররা হাতিয়ে নিয়ে গেছে।








