দিল্লিতে খুন হলেন মুর্শিদাবাদের যুবক হাবিবুর রহমান
এজাজ আহম্মেদ
নতুন পয়গাম, বড়ঞা:
টাকা-পয়সা নিয়ে বিবাদ? দিল্লিতে রহস্যজনক খুন হাবিব সেখের। দিল্লিতে খুন করা হলো মুর্শিদাবাদের বড়ঞা থানার পুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা হাবিব সেখকে। মৃত যুবকের পিতার নাম সানিফ সেখ।
প্রাথমিক সূত্রে জানা গেছে, পাঁচ বছর ধরে হাবিববুর দিল্লিতে থাকতেন এবং সেখানে তাঁর নিজস্ব ব্যবসা ছিল। তবে টাকা-পয়সা নিয়ে বিগত কয়েকদিন ধরে কিছু সমস্যার সূত্রপাত হয়েছিল বলে অনুমান।
পুলিশ সূত্রে খবর, গত ৫ই সেপ্টেম্বর দিল্লি শান্তনগর এলাকায় বন্ধুদের সাথে বেরিয়ে যাই। তারপর থেকেই আর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না তার পরে পুলিশ উদ্ধার করে দেহটি হাবিবের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে। খুনের সঠিক কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। দিল্লি পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
মৃত হাবিবের বাবা, সানিফ রহমান জানিয়েছেন, “আমার ছেলে ৫ বছর ধরে দিল্লিতে রয়েছে। প্রথমে পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে শন্তনগর এলাকায় একটা মেডিক্যাল সরঞ্জাম তৈরির কারখানায় কাজ করত। তিন বছর ওখানেই কাজ করেছে। থাকত কারখানায় পাশে। পরে দু’বছর ধরে নিজেই একটা মেডিক্যাল সরঞ্জাম তৈরির কারখানায় খোলে স্থানীয় সহকর্মীদের সহযোগিতায়। ব্যবসা ভালোই চলছিল। কারখানার কাছে একটা ঘরে হাবিব-সহ আরও চারজন কারখানার কর্মী থাকত। ”
বাবা আরও জানিয়েছেন যে চারজন কর্মী হাবিবের সঙ্গে থাকতেন, তারা ৬ মাস আগে একলক্ষ টাকা ধার নেন। আগস্টে মাসে ফেরত দেওয়ার কথা ছিল। ধারের সেই টাকা ফেরত না দেওয়ায় হাবিব তাঁদের বারবার তাদের তাগাদা দিচ্ছিলেন।








