ইডি ও আয়কর দপ্তর জুড়ে গিয়ে কি ‘এডিট’ হবে?
নতুন পয়গাম, নয়াদিল্লি: ব্যাঙ্কের পর এবার কি ইডি এবং আয়কর দপ্তরকে মার্জ বা জুড়ে দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে? এমনই গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। উল্লেখ্য, ইডি এবং আইটি (ED-IT) দু’টি সংস্থাই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রকের অধীন। ইডি এবং আইটি উভয় সংস্থার কাজ অনেকখানি একই রকম। ধীরে ধীরে আয়কর দপ্তরের গুরুত্ব কমিয়ে কেন শক্তিশালী করা হচ্ছে ইডিকে — বিরোধীদের এ প্রশ্ন অনেকদিনের। এদিকে সূত্রের খবর, আচমকা ইডির হেড কোয়ার্টারে আয়কর দপ্তর থেকে প্রচুর কর্মী-অফিসারকে ট্রান্সফার করা হয়েছে। তাই প্রশ্ন উঠছে, দুটি সংস্থাকে জুড়ে দিয়ে এক ছাতার নীচে আনার পরিকল্পনা করতে পারে কেন্দ্র সরকার। এই বদলি হয়ত তারই প্রথম ধাপ বা পদক্ষেপ হতে পারে।
এ প্রশ্নে গুঞ্জন শুরু হয়েছে উভয় দপ্তরের অন্দর মহলেই। এত বিপুল হারে আয়কর দপ্তর থেকে কর্মী-অফিসারকে টেনে আনার ঘটনা আগে ইডি’তে হয়নি। বিরোধীদের আশঙ্কা, পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা ভোট আসছে। তাই হয়ত এবার ভোটের আগে রেইড বা হানা বাড়তে পারে। উল্লেখ্য, আয়কর দপ্তরের কাজ হল মূলত সন্দেহজনক সম্পত্তি, আয়-ব্যয়ের হিসাবে গরমিল ইত্যাদি বিষয়ে তদন্ত করা। আর ইডি’র কাজ সাধারণত আর্থিক তছরূপ, আর্থিক দুর্নীতি, অর্থ পাচার ইত্যাদির তদন্ত ও তল্লাশি করা। তবে ইদানীংকালে আয়কর দপ্তরের কথা তেমন শোনা যায় না। সিবিআই-এর হানাও কমেছে। সবথেকে অতি সক্রিয় করা হয়েছে ইডি’কে। দেশজুড়ে লাফিয়ে বেড়েছে ইডি হানা।
ইডিতে সাধারণত আইপিএস, আইএএস, আইআরএস কর্তাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়। এছাড়া ইডির নিজস্ব স্টাফও থাকেন। ইডির প্রায় আড়াই হাজার কর্মী ও অফিসার রয়েছে। তারপরও এই কর্মী সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে। তবে কি এবার আরও বেশি করে রাজ্যে রাজ্যে ইডির তল্লাশি, হানা বাড়বে? কিন্তু ইডির সাফল্য তেমন উল্লেখযোগ্য নয়। কেন্দ্রীয় সরকারের তথ্যই বলছে, গত পাঁচ বছরে ইডির ৯১১টি মামলায় মাত্র ৪২টিতে সাজা হয়েছে। মোদির আমলে গত এক দশকে ১৯৩ নেতা-নেত্রীর নামে মামলা হলেও মাত্র দু’জন দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন।








