স্বাধীনতা আন্দোলনের পীঠস্থান হুগলি জাতীয় বিদ্যামন্দির এখন নতুন ইতিহাসের সাক্ষী
নতুন পয়গাম, আব্দুল গফফার, হুগলি: স্বাধীনতা আন্দোলনের পীঠস্থান হুগলি জাতীয় বিদ্যামন্দির ভবন নতুন ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে রইল। ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবসে যা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। জানা গেছে, হুগলির ইমামবাড়ার অনতিদূরে এবং জেলা শাসক, হুগলির বাংলোর বিপরীতে যেখানে একটি বহুতল আবাসন গড়ে উঠেছে সেখানেই অবস্থিত হুগলি জাতীয় বিদ্যামন্দির। প্রতি বছরই এখানে স্বাধীনতা দিবস, প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপন করা হয় বিদ্যামন্দির ভবন বাঁচাও কমিটির উদ্যোগে। কিন্তু এবারের আয়োজন ছিল একটু অন্যরকম। কারণ প্রাক্তন পৌরপ্রধান আশিস সেনের নেতৃত্বে ২০০২ সাল থেকে হুগলি জাতীয় বিদ্যামন্দিরের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই চালিয়ে আসছিল বিদ্যামন্দির ভবন বাঁচাও কমিটি। যে প্রতিবেদন ‘নতুন পয়গাম’-এ স্বাধীনতা দিবসে প্রকাশিত হয়েছে। এর আগে এই ভবনকে আবাসনের করালগ্রাস থেকে রক্ষা করার জন্য প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে আবেদন নিবেদন করেও কোন সুরাহা হয়নি। আশিস সেন তাও হাল ছাড়েননি। তিনি আবাসন প্রকল্পের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দফায় দফায় আলোচনায় বসেন। তারপরই সমাধান সুত্র বেড়িয়ে আসে। কর্তৃপক্ষের পক্ষে অরুন কুমার নন্দী ও অনন্যা নন্দী এই কমিটিকে আবাসনের নিম্নতলের একটি ঘর বিনামূল্য ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছেন বলে জানা গেছে। এর ফলে বহুদিনের আন্দোলনের সাফল্য মিলল এবং স্বদেশী আন্দোলনের পূণ্যভূমি হুগলি জাতীয় বিদ্যামন্দিরের অস্তিত্ব রক্ষা হল। যা প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। উল্লেখ্য, এই স্থানীয় বিশিষ্টজনের সঙ্গে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এক ঝাঁক বিদেশি পর্যটক । তাঁরা এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে গান্ধীজীর গলায় মাল্যদান করে তাঁরা শ্রদ্ধা জানান।








