সোমালিল্যান্ডকে স্বীকৃতি দিয়ে গাজাবাসীকে পাঠানোর ছক নেতানিয়াহুর
নতুন পয়গাম, তেলআবিব: ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করে ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী অঞ্চল’ সোমালিল্যান্ডে পাঠিয়ে দেওয়ার হীন পরিকল্পনা করছে ইসরাইল। সোমালিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী আহমেদ মোয়ালিম ফিকি এই অভিযোগ করেছেন। কথিত এই পরিকল্পনাকে আন্তর্জাতিক আইনের ‘গুরুতর লঙ্ঘন’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন তিনি। রবিবার ফিকি বলেন, ‘আমাদের কাছে নিশ্চিত তথ্য আছে, ইসরাইল ফিলিস্তিনিদের সোমালিল্যান্ডে স্থানান্তরের একটি নীলনকশা তৈরি করেছে। ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু তাই সম্প্রতি সোমালিল্যান্ডকে স্বাধীন দেশ হিসেবে কূটনৈতিক স্বীকৃতি দেন। এই স্বীকৃতি প্রত্যাহারে ইসরাইলকে আহ্বান জানিয়েছেন সোমালিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী।
গত মাসে বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে সোমালিল্যান্ডকে স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দেয় ইসরাইল। সোমালিয়া এই পদক্ষেপকে তাদের সার্বভৌমত্বের ওপর ‘সরাসরি আক্রমণ’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। সোমালিয়ার প্রেসিডেন্ট হাসান শেখ মোহম্মাদ দাবি করেছেন, স্বীকৃতির বিনিময়ে সোমালিল্যান্ড ইসরাইলের তিনটি শর্ত মেনে নিয়েছে। এগুলো হলো — ফিলিস্তিনিদের পুনর্বাসন ও আশ্রয় দেওয়া, এডেন উপসাগরীয় উপকূলে ইসরাইলের সামরিক ঘাঁটি স্থাপন এবং ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে ‘আব্রাহাম অ্যাকর্ডস’-এ যোগ দেওয়া।
অবশ্য সোমালিল্যান্ড কর্তৃপক্ষ ফিলিস্তিনিদের পুনর্বাসনের বিষয়টি অস্বীকার করেছে। তবে সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের সম্ভাবনা তারা সরাসরি নাকচ করে দেয়নি। সোমালিল্যান্ডের ক্ষমতাসীন ‘ওয়াদানি’ পার্টির চেয়ারম্যান হারসি আলী হাজি হাসান বলেন, ‘আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে কয়েক দশক ধরে অবহেলিত হওয়ার পর এখন আমাদের অস্তিত্বের জন্য যে দেশই স্বীকৃতি দেবে, আমরা তাদের স্বাগত জানাতে বাধ্য।’








